একটি এয়ারগান স্কুলে নিয়ে যাওয়ায় এক বছর আগেই শিক্ষকের হাতে ধরা পড়েছিল সে। কিন্তু সেখানেই থামেনি বন্দুকের প্রতি তার আগ্রহ। পুলিশ বলছে, অনলাইনে সহিংস ভিডিও দেখার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে আগ্নেয়াস্ত্র চালানোর কৌশলও শিখেছিল থাইল্যান্ডের সেই কিশোর। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার ব্যাংককের বাইরে তার হাতে রক্তাক্ত হলো একটি বাড়ি ও একটি স্কুল। প্রথমে নিজ বাড়িতে দাদা-দাদিকে গুলি করে হত্যার পর স্কুলে গিয়ে আরও ছয়জনকে হত্যা করে ১৪ বছর বয়সী ওই কিশোর। পরে নিজের দিকেই বন্দুক তাক করে আত্মহত্যা করে সে।পুলি...