যাত্রী অপেক্ষা করছেন ট্রেন ছাড়ার। ট্রেন অপেক্ষা করছে ইঞ্জিনের। ইঞ্জিন অপেক্ষা করছে অন্য কোনো ট্রেনের বুক থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার! এভাবে জোড়াতালির মধ্যে ট্রেন চালানোর মধ্যেই ‘সুখবরটি’ এলো। ৩০টি ইঞ্জিন আসছে। তারপরও অপেক্ষার প্রহর ফুরাবে কি? কারণ, ইঞ্জিনগুলো আসতে লাগবে সাড়ে তিন বছর— ২০২৯ সালের শেষ দিন পর্যন্ত। এখনই ঘাটতি শতাধিক ইঞ্জিনের। সেখানে আসছে মাত্র ৩০টি। আসতে আসতে ঘাটতি বাড়তেই থাকবে। যাত্রী, ট্রেন বা ইঞ্জিন— কোনোটির অপেক্ষাই ফুরাবে না।
গত বছরের ১৬ আগস্ট ঢাকার কমলাপুরে চট্টলা এক্সপ্রেসের যাত্রী...