আবারও নারী দলের দায়িত্বে ছোটন

সংগৃহীত ছবি
২০২৩ সালের ২৭ জুন অভিমান করে নারী ফুটবল দলের দায়িত্ব এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের দায়িত্ব ছেড়েছিলেন গোলাম রব্বানী ছোটন। নারী ফুটবল জাগরণের নেপথ্যের নায়ক নানা বঞ্চনার শিকার হয়ে নারী ফুটবলের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। পরে অবশ্য ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারিতে বাফুফেতে কোচ হিসেবে ফিরলেও ব্যস্ত ছিলেন ছেলেদের বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দল নিয়ে। তবে বাফুফের কর্তাদের অনুরোধে ফের নারী দলের দায়িত্বে ফিরলেন ২০২২ সালে প্রথম সাফজয়ী দলের কোচ। তবে এবার তিনি পেয়েছেন অনূর্ধ্ব-১৭ নারী দলের দায়িত্ব।
আগস্টে নারী সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেবে বাংলাদেশ। এই টুর্নামেন্টে ডাগআউটে দেখা যাবে সাবিনা, মাসুরা, মারিয়া, মনিকা, সানজিদা, ঋতুতের হাতেখড়ি দেওয়া কোচকে। গেলো চারদিন অনূর্ধ্ব-১৭ দল নিয়ে কাজ করছেন ছোটন। পাশে আছেন দীর্ঘদিনের সহকারী মাহবুব হোসেন লিটু।
বাফুফের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর সাইফুল বারী টিটু তাকে নারী দলের দায়িত্ব নিতে অনুরোধ করেন। পরবর্তীতে নারী কমিটির প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরণ অনুরোধ করলে আর না করতে পারেননি ছোটন, ‘দীর্ঘদিন পর আবার মেয়েদের নিয়ে কাজ করার সুযোগ পেলাম। বাচ্চা মেয়েদের গড়ে তোলার দায়িত্ব। যেটা অতীতে করে এসেছি, সেটাই আবার করতে হচ্ছে। বাফুফেতে যেহেতু চাকুরি করি, তাই কোন দায়িত্বকে না বলা সম্ভব নয়। তাই আবার নারী ফুটবলে ফিরলাম।‘
ছোটনের ফেরার খবরটি এলো এমন সময় যখন সিনিয়র দলটির হারিয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘ চার বছরের রাজত্ব। টানা দুই সাফ জয়ের পর ব্রিটিশ কোচ পিটার বাটলারের অধীনে শনিবার ফাইনালে ভারতের কাছে ৩-১ গোলে হারে বাংলাদেশ দল। পুরো টুর্নামেন্টেই বাংলাদেশের পারফরম্যান্স প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। এই দলে ছোটনের অধীনে গড়ে ওঠা অনেক ফুটবলার রয়েছে। তবে সিনিয়র দলের পারফরম্যান্স নিয়ে কোন মন্তব্য করতে চাননি ৫৭ বছর বয়সী এ কোচ। বরং নিজের দায়িত্বই ঠিকঠাক করায় মনোযোগ তার।
২০২৩ সালে দায়িত্ব ছাড়ার পর সিনিয়র দলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল পিটার বাটলারকে। ২০২৪ সাফ জিতলে দলের অভ্যন্তরে ঘটে অনেক বিতর্কিত ঘটনা। সে সময় বাটলার ছোটনের বিরুদ্ধে দলের ভেতর বিভাজন সৃষ্টির অভিযোগ এনেছিলেন।
দীর্ঘদিন পর ফের নারী ফুটবলে কাজ করতে এসে আবার না বাটলারের ক্রোধের শিকার হন ছোটন!




