র্যাংকিংয়ের ২১১ নম্বর দলকে হারিয়ে ‘অত্যন্ত খুশি’ বাংলাদেশ কোচ

সংগৃহীত ছবি
ফিফা র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ১৮১। গতকাল রাতে র্যাংকিংয়ের ২১১ নম্বর দল সান মারিনোকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে ইউরোপের মাটিতে প্রথম জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। নতুন কোচ থমাস ডুলির অধীনে শুরুটাও হলো জয় দিয়ে। প্রতিপক্ষ র্যাংকিংয়ে অনেক পিছিয়ে থাকলেও এ জয়ে মহাখুশি থমাস ডুলি।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ম্যাচের ফলাফল বিশ্লেষণ করতে গিয়ে ডুলি বলেছেন, ‘প্রথমত, ম্যাচের ফলাফলে আমি অবশ্যই অত্যন্ত খুশি। সান মারিনো গত কয়েক বছরে যে ম্যাচগুলো খেলেছে, তা নিয়ে গত সপ্তাহে আমরা বেশ বিশ্লেষণ করেছি। দুদিন আগের সংবাদ সম্মেলনেও আমি বলেছিলাম যে, ইউরোপে খেলার সময় জার্মানি, ইতালি বা অন্যান্য অবিশ্বাস্য রকমের শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত লড়তে হয় বলে ফলাফলে দলটির প্রকৃত মান সবসময় ফুটে ওঠে না।’
সান মারিনোর শক্তিমত্তা বোঝাতে গিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমি দেখেছি যে বিশ্ব র্যাংকিংয়ের ২২, ৪২, ৩৭, ৭৬ এবং ১২০ নম্বর দলগুলোর বিরুদ্ধে তাদের (সান মারিনো) পারফরম্যান্স ও ফলাফল বেশ ভালো ছিল। তাই এই বিষয়টি নিয়ে আমি কিছুটা শঙ্কিত ছিলাম। আমরা স্বাভাবিকভাবেই তাদের বেশ কয়েকটি ম্যাচ দেখেছি এবং বুঝতে পেরেছি যে, তারা শারীরিকভাবে বেশ শক্তিশালী। তারা এরিয়াল বল ভালো খেলে এবং তাদের বডি কন্টাক্ট চমৎকার।’
সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স মন ভরাতে পারেনি। দুটি গোলই করেছেন ডিফেন্ডার তপু বর্মণ। তবু শিষ্যদের পারফরম্যান্সে বেজায় খুশি টমাস ডুলি, ‘ম্যাচে আপনি কীভাবে শুরু করছেন সেটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম ৫ থেকে ১০ মিনিট আমরা কিছুটা ভুগেছি, তবে ভিন্ন দেশ, ভিন্ন সংস্কৃতি আর ভিন্ন শৈলীর ফুটবলে খেলতে গেলে এমনটা হওয়া স্বাভাবিক। প্রথমার্ধের ১০-১৫ মিনিট আমরা নিজেদের স্বাভাবিক ফুটবল খেলতে শুরু করি, গতি ব্যবহার করি এবং কিছু সুযোগ তৈরি করি। সামগ্রিকভাবে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও সন্তুষ্ট। দ্বিতীয়ার্ধে আমরা আরও কিছুটা ভালো ফুটবল খেলেছি। তবে আবারও বলব, ইউরোপের মাটিতে প্রথম অ্যাওয়ে ম্যাচ এবং এখানে আসার দীর্ঘ ভ্রমণক্লান্তি কাটিয়ে খেলোয়াড়রা যা করেছে, তাতে আমি তাদের নিয়ে অত্যন্ত সন্তুষ্ট।’





