নির্বাচনে জয়ের পর তামিম ইকবাল
‘বাপের দোয়া’কে ক্রিকেটের দোয়া করতে চাই

ছবি: আগামীর সময়
গত কিছুদিনে বিসিবির গায়ে 'বাপের দোয়া' ক্রিকেট বোর্ড ট্যাগ লেগেছে। বিসিবি সভাপতি নির্বাচিত হয়ে বহুল আলোচিত সমালোচনাকে পরিবর্তন করার ইচ্ছের কথা জানিয়েছেন তামিম ইকবাল, ‘অনেকে অনেক ধরনের ট্যাগ দিচ্ছে। এটা অবশ্যই তাদের ব্যক্তিগত মতামত। দেখি, বাপের দোয়ার থেকে ক্রিকেটের দোয়া করতে পারি কী পারি না ভবিষ্যতে।’
আগে থেকেই বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়ে নানা পরিকল্পনা ছিল তামিমের। সেই সব এখন পূর্ণ করতে চান সাবেক বাংলাদেশ অধিনায়ক, ‘ আমি হয়তোবা প্রেসিডেন্ট হবো এটা ভাবিনি। কিন্তু একসময় ভাবতাম আমি সভাপতি হলে এই জায়গাগুলোতে একটা পরিবর্তন আনতে পারবো। এটা আমাকে এখন প্রমাণ করতে হবে। যে স্বপ্ন আমি দেখেছি, যে কারণে আমি গত দেড় বছর, দুই বছর বা তার আগের থেকেই একটা জার্নিতে ছিলাম, তা এখন পরিপূর্ণ করতে চাই।’
প্রথম দিন নিজের পরিকল্পনার মধ্যে সবচেয়ে বড় এইচপি সেন্টার নিয়ে স্বপ্নের কিছুটা জানিয়েছেন তামিম। পূর্বাচলে বিসিবির মাঠটিতেই এইচপি সেন্টার করতে চান তিনি। ‘দ্যা বোট’ স্টেডিয়ামের জন্য চুক্তিবদ্ধ পপুলাসের দেওয়া ডিজাইনে সংশোধন করে নতুন এইচপি সেন্টার করার চিন্তা তামিমের। এর জন্য সরকারের সহযোগিতাও আশা করছেন।
কেন ই-ভোটিংয়ের পরিবর্তন আনা হলো না সে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তামিম, ‘ই-ভোটিং নিয়ে আমিও বছরখানেক আগে বা দেড় বছর আগে আমিও অনেক কিছু বলেছি। ই-ভোটিং গঠনতন্ত্রে আছে। আমার মূল অভিযোগ ছিল একসাথে বসে ৩০-৪০ জন মিলে ই-ভোট করা। ই-ভোট আপনি নিজের বাসা থেকে বসে করেন, সেটা ঠিক আছে। কিন্তু আপনারা যদি একসাথে ২০-৩০ জন বসে একটা লিস্টের মাধ্যমে যদি এটা করেন, এটা অনুচিত।’
বরাবরের মতো নির্বাচিত ২৫ পরিচালকদের ব্যক্তিগত পরিচয় আছে। তামিম চাইছেন সবাই ওই পরিচয় পাশে রেখে ক্রিকেটের জন্য কাজ করুন। শুধু তারাই নন। বিসিবির ১৮৪ জন কাউন্সিলর সবাইকে ক্রিকেটের স্বার্থে যে কোনো বিষয়ে একমত হওয়ার আহ্বান তামিমের।
গত নির্বাচনে ই-ভোটিংয়ের সমালোচনায় সবচেয়ে সরব ছিলেন তামিম। আমিনুল ইসলাম বুলবুলদের বোর্ড ভেঙে দেওয়ার পর তদন্ত কমিটির পরামর্শ ছিল নির্বাচনের গঠনতন্ত্র সংশোধনের। সেখানে ই-ভোটিংয়ের সংশোধনের ব্যাপারেও উল্লেখ ছিল। কিন্তু এবারের নির্বাচনেও ই-ভোট ছিল।




