মোহামেডান-আবাহনী ম্যাচই অলিখিত ফাইনাল

সংগৃহীত ছবি
এমন কাকতালীয় ব্যাপার কল্পনা করেনি কেউ। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ সাধারণত রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে খেলা হয়। পয়েন্ট বেশি পাওয়া দল হবে চ্যাম্পিয়ন। অথচ শেষ রাউন্ডের আগে তিন দলের পয়েন্ট সমান। এর মধ্যে রান রেটে এগিয়ে যথাক্রমে মোহামেডান ও আবাহনী। মজার ব্যাপার হল শেষ রাউন্ডে এ দুই দলের যে জিতবে সেই চ্যাম্পিয়ন। যাদের হাতে ট্রফি দেখতে চায় সবাই সেই মোহামেডান-আবাহনী ম্যাচই হয়ে গেল প্রিমিয়ার লিগের অলিখিত ফাইনাল।
এমনটা নাও হতে পরতো। ঢাকা লেপার্ডস সব হিসেব উল্টো দিয়েছে। সোমবার তারা মোহামেডানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে দেওয়ায় সমীকরন জটিল হয়েছে। মোহামেডানের পয়েন্ট ১৬তেই আটকে গেছে। ওদিকে আবাহনী হারতে হারতে জিতেছে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের সঙ্গে। ১২ রানের এই জয় তাদের পয়েন্ট ১৬-। এ সুবাদে শেষ রাউন্ডে এই দুই জায়ান্টের লড়াই হয়ে গেছে শিরোপা নির্ধারণীর।
টানা দুই সেঞ্চুরি করা তাওহীদ হৃদয় দল ছাড়তেই মোহামেডানের সুসময়ও যেন বিদায় নিয়েছে। মুশফিকুর রহিম অধিনায়ক হয়ে ৮০ বলে ৬৮ রান করেন। এছাড়া আফিফ ৩৯, সাইফ উদ্দিন ৩৩ ও পারভেজ হোসেন ইমনের ২২ রানের ইনিংসগুলো মোহামেডানকে ৮ উইকেটে ২২৫ রানের পুঁজি এনে দেয়।
জবাবে মুমিনুল হকের অপরাজিত ৯৩ ও জাওয়াদ আবরারের ৬৬ রানে ৫ উইকেট হাতে রেখে জয় নিশ্চিত হয় লেপার্ডসের । অথচ ১৪৬ রানে ৫ উইকেট পড়ে গিয়েছিল দলটির। ওই অবস্থা ৩৮ রান করা দেবাশীষ সরকারকে নিয়ে ৮০ রানের জুটিতে ম্যাচ জেতান মুমিনুল।
আবাহনীর জয়টা নাটকীয়। মাহিদুল অঙ্কনের ৬৬, মেহেরব হাসানের ৪০ ও সাব্বির রহমানের ৩৮ রানে ২২১ রান করতে পারে তারা। রান তাড়ায় নামা গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের ৯ উইকেট হারাতে হয় ১৩৬ রানে। মোহাম্মদ রুবেলের ৩৩ ও আজিজুল হাকিম রনির ৪১-এ ৮৫ রানের জুটিতে ম্যাচ জয়ের খুব কাছে চলে যায় গাজী। অথচ শেষ উইকেট পড়ে যাওয়ায় ১২ রান আর নিতে পারেনি ২০৯-এ থেমে যাওয়া দলটি।
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১২ জুন মোহামেডান-আবাহনী ম্যাচ হওয়ার কথা আছে। ওই ম্যাচেই এবারের প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা নিষ্পপ্তি হবে।
এছাড়া অন্যান্য ম্যাচে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্সকে ১৮ রানে হারিয়েছে প্রাইম ব্যাংক। সিটি ক্লাবকে ৭৪ রানে হারিয়েছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। আর অগ্রনী ব্যাংকে ২ উইকেটে হারিয়েছে রূপগঞ্জ টাইগার্স।




