কান্ট্রি ডেস্ক
আমরা কজন আগামীর স্বজন

ছবি: আগামীর সময়
গুলশানের ক্যাম্প অফিস। আমরা কয়েকজন বসে আছি সম্পাদক মোস্তফা মামুনের কক্ষে। ঢুকলেন এক যুবক। সম্পাদকের প্রশ্ন, ‘এ কী, তুমি কে?’
‘আমার নাম সাইফ-উদ-দৌলা রুমি।’
— তোমার উচ্চতা কত?
— ৬ ফুট।
— তুমি সাংবাদিক হলে কেন? তোমার তো ভলিবল খেলোয়াড় হওয়ার কথা...।
যাই হোক, খেলোয়াড় বা আর্মি অফিসার না হয়ে সাংবাদিকই হয়েছেন রুমি। ছিলেন ‘বণিক বার্তা’য়। যুক্ত হয়েছেন ‘আগামীর সময়’-এর কান্ট্রি ডেস্কে। জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক। দীর্ঘদেহী রুমি কিন্তু কথায় খুবই ‘খাটো’। পুরো নিউজ রুমে ‘চুপচাপ’ বিভাগে কোনো পুরস্কার ঘোষণা করা হলে সেন্ট্রাল ডেস্কের জুয়েল হাসান জনির সঙ্গে টক্কর দেওয়ার মতো তিনি ছাড়া আর কেউ নেই!
আমাদের টিমের আরেক আশ্চর্য অঞ্জন আচার্য। সহকারী বার্তা সম্পাদক। আগে ছিলেন ‘খবরের কাগজ’-এ। সাংবাদিকতার পাশাপাশি করেন লেখালেখিও। প্রায় দেড় ডজন বইয়ের প্রণেতা। ‘পণ্ডিত মশাই’ হিসেবে এরই মধ্যে তার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে পুরো অফিসে।
তছলিমা খাতুন; ডাকনাম লিমা। আমাদের তিন ভাইয়ের একমাত্র বোন। এসেছেন ‘জবাবদিহি’ পত্রিকা থেকে। সহসম্পাদক। কাজের বাইরেও পরম যত্নে এন্তেজাম করেন আমাদের নাশতাপানির। আমরাও পকেটে হাত দিই কালেভদ্রে। অবশ্য বেশিরভাগ নাশতাই ‘নিরামিষি’। গাজর, শসা, পেয়ারা কিংবা কলা দিয়েই পূর্ণ হয় আমাদের ষোলোকলা।
আর যিনি তাদের পরিচয় করিয়ে দিলেন, সেই ‘তিনি’ (কান্ট্রি এডিটর) এসেছেন— সময় থেকে সময়ে। ছিলেন ‘আমাদের সময়’-এ, এখন ‘আগামীর সময়’-এ। একসময় আনাগোনা ছিল থিয়েটারপাড়ায়। প্রথমে যোগ দিয়েছিলেন ‘লোক নাট্যদল’-এ। দেখা যেত টেলিভিশনের পর্দায়ও। অভিনয় করেছেন ‘রমিজের আয়না’, ‘পুতুল খেলা’, ‘অ্যাঙ্কর মফিজ’সহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় দীর্ঘ ধারাবাহিক ও একক নাটকে। এখন আর অভিনয়ে সময় দেওয়া সম্ভব হয় না। তারপরও নামটা লেখা আছে ‘দেশ নাটক’-এর খাতায়।
আমাদের চারজনের অনেক মিল-অমিল। সবচেয়ে বড় মিল, আমরা সবাই ছিলাম মফস্বল সম্পাদক। আর আমাদের সঙ্গে সারা দেশ থেকে যুক্ত হয়েছেন দক্ষ, অভিজ্ঞদের পাশাপাশি একঝাঁক তরুণ তুর্কি। খবরের সন্ধানে যারা ঘুরে বেড়ান পথ থেকে পথে। টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া, রূপসা থেকে পাথুরিয়া, পাহাড় থেকে সমতল। তাদের নামটুকু রইল এ আয়োজনে।
সারা দেশের স্বজন যারা
ঢাকা বিভাগ: মো. আমিনুল ইসলাম, গাজীপুর। শাহীন মিয়া, নরসিংদী। মাহফুজ সেহান, নারায়ণগঞ্জ। আরাফাত রায়হান সাকিব, মুন্সীগঞ্জ। মো. সোহেল হোসেন, মানিকগঞ্জ। আবু জুবায়ের উজ্জ্বল, টাঙ্গাইল। শরীফ উদ্দিন জীবন, কিশোরগঞ্জ। সঞ্জীব দাস, ফরিদপুর। রাকিব হাসান, মাদারীপুর। রাজীব হোসেন রাজন, শরীয়তপুর। মেহেদী হাসান মাসুদ, রাজবাড়ী। মোজাম্মেল হোসেন মুন্না, গোপালগঞ্জ।
চট্টগ্রাম বিভাগ: ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু, কুমিল্লা। মীর শাহ আলম, কুমিল্লা (দক্ষিণ)। ইমরান হোসেন, কক্সবাজার। মো. গিয়াস উদ্দিন রনি, নোয়াখালী। পিযূষ কান্তি আচার্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। মো. শরীফুল ইসলাম, চাঁদপুর। মীর ফরহাদ হোসাইন সুমন, লক্ষ্মীপুর। আসাদুজ্জামান দারা, ফেনী। সৈকত দেওয়ান, খাগড়াছড়ি। ফজলে এলাহী, রাঙ্গামাটি। মনিরুল ইসলাম মনু, বান্দরবান।
সিলেট বিভাগ: আহমেদ নূর, মো. আব্দুল আহাদ ও আজাদুর রহমান, সিলেট অফিস। আহমেদ নূর শুধু আমাদের সিলেট অফিসপ্রধানই নন, তিনি আগামীর সময়-এর আবাসিক সম্পাদক। এস আর অনি চৌধুরী, মৌলভীবাজার। সাইদুর রহমান আসাদ, সুনামগঞ্জ। বদরুল আলম, হবিগঞ্জ।
রাজশাহী বিভাগ: আমজাদ হোসেন শিমুল ও জুলইকরাম ফেরদৌস ইবতিদা, রাজশাহী অফিস। লিটন হোসাইন লিমন, নাটোর। শফিক ছোটন, নওগাঁ। মো. আহসান হাবিব, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। রিজভী রাইসুল ইসলাম, পাবনা। শুভ কুমার ঘোষ, সিরাজগঞ্জ। মির্জা মো. আশরাফ-উদ-দৌলা, বগুড়া। মো. মাহফুজুর রহমান, জয়পুরহাট।
খুলনা বিভাগ: এস এম আমিনুল ইসলাম ও মো. হাসানুজ্জামান মনি, খুলনা অফিস। এস কে সোহেল, বাগেরহাট। আহাসানুর রহমান, সাতক্ষীরা। শেখ জালাল উদ্দিন, যশোর। ফরহাদ খান, নড়াইল। ফয়সাল পারভেজ, মাগুরা। রাজীব হাসান, ঝিনাইদহ। কাজী মাজহারুল ইসলাম, কুষ্টিয়া। মো. আকতারুজ্জামান, মেহেরপুর। আকিমুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা।
বরিশাল বিভাগ: তন্ময় দাস ও জিহাদ হোসেন, বরিশাল অফিস। জাকারিয়া হৃদয়, পটুয়াখালী। মলয় দে, ভোলা। আরিফ হোসেন ফসল, বরগুনা। কামরুজ্জামান সুইট, ঝালকাঠি। আবু জাফর মো. সালেহ, পিরোজপুর।
ময়মনসিংহ বিভাগ: নিয়ামুল কবীর সজল ও মো. হাবিবুর রহমান, ময়মনসিংহ অফিস। ময়না আকন্দ, জামালপুর। মো. মেরাজ উদ্দিন, শেরপুর। রানা আকন্দ, নেত্রকোনা।
রংপুর বিভাগ: স্বপন চৌধুরী ও মো. লিজেন, রংপুর অফিস। ইমানুুল সোহান, দিনাজপুর। শারমিন আক্তার, ঠাকুরগাঁও। গুরুদাস চন্দ্র রায়, পঞ্চগড়। মাহফুজুর রহমান, লালমনিরহাট। মো. তামজিদ হাসান, কুড়িগ্রাম। কেএম নেয়ামুল হাসান পামেল, গাইবান্ধা।
এ ছাড়া আমাদের সঙ্গে যুক্ত আছেন উপজেলা প্রতিনিধিরা।




