Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
শিশুদের স্বপ্ন ফেরাচ্ছেন ইদ্রিস আলী
শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় মতামত

বদিউর রহমান : আদর্শিক লড়াইয়ের আদর্শ সৈনিক

কংকন নাগ
agamir somoy
প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ২৩:২৯
বদিউর রহমান : আদর্শিক লড়াইয়ের আদর্শ সৈনিক

বদিউর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

বাংলা ভাষায় ‘আদর্শ’ শব্দটির অর্থ হলো- এমন একটি চিন্তা বা মূল্যবোধ যা উন্নত এবং অনুসরণযোগ্য, এমন কিছু যা দেখে বা যা অনুসরণ করে অন্যরা নিজেদের উন্নত করতে পারে। আবার এই শব্দটি কারো কারো ক্ষেত্রে ‘বিশেষণ’ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। আদর্শিক লড়াই বলতে এমন কোন ধারাবাহিক কর্মকাণ্ড যা কোন নির্দিষ্ট আদর্শকে প্রতিষ্ঠা করা বা সেই আদর্শের পথ ধরে এগিয়ে যাওয়াকে বোঝায়। আর, এমন কাজ যারা নিষ্ঠা ও একাগ্রতার সাথে করতে সক্ষম হন, তারা পরিচিত হন আদর্শ ব্যক্তি বা আদর্শ সৈনিক হিসেবে।

আজ তেমনই একজন ‘আদর্শ সৈনিক’-এর বিষয়ে আলোচনা করবো, যিনি বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় সংসদের সদ্য প্রয়াত সভাপতি। যিনি একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, গবেষক, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক, সম্পাদক ও সাংবাদিক, আর তিনি হলেন অধ্যাপক বদিউর রহমান। এমন একজন মানুষ, যিনি শৈশবে মানবমুক্তির সংগ্রামের মহান ব্রতে দীক্ষিত হওয়ার পর থেকে আমৃত্যু সেই আদর্শে ও লক্ষ্যে অবিচল ছিলেন। শত বাধাতেও যিনি সাম্যবাদ, সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এবং সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়াই থেকে পিছপা হননি।

১৯৪৭ সালের ১৫ জানুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করা বদিউর রহমানের বাবার নাম হাবিবুর রহমান ও মায়ের নাম, ও এন খানম। ছোটবেলা থেকেই সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং লেখালেখির দিকে ঝোঁক ছিল বদিউর রহমানের। ১৯৬১ সালে বরিশালের ব্রজমোহন ইনস্টিটিউট থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় কৃতকার্য হওয়ার পর ১৯৬৪ সালে ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত ব্রজমোহন কলেজ থেকেই তিনি স্নাতক পাস করেন। এরপর ১৯৬৮ সালে বাংলায় স্নাতকোত্তর পাস করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়া শেষ হওয়ার সাথেসাথেই বদিউর রহমান নিজেকে নিয়োজিত করেন মানুষ গড়ার কাজে। ১৯৬৮ সালেই সৈয়দ হাতিম আলী কলেজে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। তবে, সে বছরের ডিসেম্বরে রাজনৈতিক কারণে তাঁকে চাকরিচ্যুত করা হয়। ১৯৭১ সালে কমিউনিস্ট পার্টির নির্দেশে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেন এবং ‘ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়ন গেরিলা বাহিনী’র হয়ে দেশের অভ্যন্তরে মুক্তিযুদ্ধ সংগঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

মাতৃভূমিকে পরাধীনতা থেকে মুক্ত করার সশস্ত্র সংগ্রামে বিজয়ী হওয়ার পর আবারও মানুষ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করেন বদিউর রহমান। ১৯৭৪ সালে আবারও তিনি বরিশালের সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন এবং ১৯৯১ সাল পর্যন্ত সেখানে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তিনি শিক্ষকতা করেন বরিশালের ব্রজমোহন কলেজে। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় এলে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির তাঁকে ব্রজমোহন কলেজে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে। ফলে, ৭ দিনের মাথায় খুলনা বদলি করা হয় অধ্যাপক বদিউর রহমানকে। সেখানে সরকারি ব্রজলাল কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ২০০৪ সালের ১৪ জানুয়ারি শিক্ষকতা পেশা থেকে অবসর গ্রহণ করেন তিনি।

শিক্ষকতার পাশাপাশি সাংবাদিক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন গণমাধ্যমে দায়িত্ব পালন করেছেন অধ্যাপক বদিউর রহমান। ১৯৬২ থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত দৈনিক পূর্বদেশ এবং দৈনিক আজাদ-এর বরিশাল জেলা প্রতিনিধি ছিলেন তিনি। এরপর এপিপি-র বরিশাল জেলা প্রতিনিধি ছিলেন ১৯৬৯ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত। ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা, বাসস-এর বরিশাল জেলা প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেন বদিউর রহমান। বরিশালের দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল-এর নির্বাহী সম্পাদক ছিলেন ১৯৯২ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত। ১৯৯৯ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত দৈনিক প্রথম আলো-এর দক্ষিণাঞ্চলীয় বিশেষ প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর ২০০৫ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকায় প্রথমে উপ-সম্পাদক এবং পরে যুগ্ম-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সবশেষ ২০০৭ থেকে ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দৈনিক বাংলাদেশ সময় পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বদিউর রহমান। এছাড়া, দৈনিক সংবাদ, যুগান্তর, ভোরের কাগজ এবং প্রথম আলো পত্রিকায় নিয়মিত কলাম লিখতেন তিনি। ছিলেন প্রশিকা ফিচার সার্ভিসে নিয়মিত ফিচার লেখক। এছাড়াও, ২০১২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত মহামান্য রাষ্ট্রপতির মনোনয়নে বরিশাল শিক্ষা বোর্ড পরিচালনা কমিটির নির্বাহী সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন অধ্যাপক বদিউর রহমান।

সাংগঠনিক জীবনে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী ছাড়াও অসংখ্য প্রগতিশীল সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিলেন অধ্যাপক বদিউর রহমান। ১৯৭২ সালে উদীচীর সাথে তার পথচলা শুরু হয়। ১৯৭৭ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন উদীচী বরিশাল জেলা সংসদের সভাপতি। নব্বইয়ের দশকে উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের কার্যক্রমে যুক্ত হন। এরপর টানা তিন দশকেরও বেশি সময় তিনি উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০২২ সালের ৪ জুন ২২ তম জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি প্রথমবার উদীচীর সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সবশেষ ২০২৫ সালের ২০ জুন ২৩তম জাতীয় সম্মেলনে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আবারও সভাপতি নির্বাচিত হন।

বরিশাল নাটক, বরিশাল চারুকলা বিদ্যালয় এবং বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন অধ্যাপক বদিউর রহমান। বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘ, কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর-এর উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন তিনি। এছাড়া, জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ, চারণ চলচ্চিত্র সংসদ, এমাদুল্লাহ পাঠাগারেও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি, বাংলাদেশ সোভিয়েত মৈত্রী সমিতি, বরিশাল জেলা শাখা, জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ, বরিশাল জেলা শাখা এবং বাংলাদেশ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, বরিশাল শাখায়। এছাড়া, এশিয়াটিক সোসাইটি, বাংলা একাডেমি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট, বরিশাল পাবলিক লাইব্রেরি এবং বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতির জীবন সদস্য ছিলেন অধ্যাপক বদিউর রহমান।

শুধু শিক্ষকতা বা সাংগঠনিক জীবন নয়, গবেষক, সম্পাদক ও অনুবাদক হিসেবেও স্বমহিমায় উজ্জ্বল ছিলেন অধ্যাপক বদিউর রহমান। তাঁর উল্লেখযোগ্য মৌলিক ও গবেষণা গ্রন্থের মধ্যে সাহিত্য স্বরুপ, ছন্দ অলঙ্কার রসতত্ত্ব, বাংলার চারণ মুকুন্দ দাস, রবীন্দ্রজীবনের আশি বছর, সাহিত্য-সংজ্ঞা অভিধান, পাশ্চাত্য সাহিত্য তত্ত্ব ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এছাড়া, সম্পাদনার ক্ষেত্রেও বিশেষ অবদান রেখেছেন বদিউর রহমান। তাঁর সম্পাদিত সংকলনগুলোর মধ্যে সত্যেন সেন রচনাবলি প্রথম খণ্ড থেকে অষ্টম খণ্ড, সত্যেন সেন ধ্রুপদী গণ কথাশিল্পী, অগ্রন্থিত রণেশ দাশগুপ্ত, অশ্বিনীকুমার রচনা সংগ্রহ, মুকতুন্দ দাসের যত লেখা, মুকুন্দ দাসের দেশগান, মাইকেল মধুসুদন দত্ত-এর প্রহসন ইত্যাদি পাঠকদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে।

অনুবাদ সাহিত্যেও বিশেষ দক্ষতা ছিল অধ্যাপক বদিউর রহমান-এর। তাঁর অনুদিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে, এরিষ্টটলের পোয়েটিকস, লঙ্গিনাসের সাহিত্য-তত্ত্ব, হোরেসের আর্স পোয়েটিকা, প্লেটোর কাব্য ভাবনা, ইসলামের ঐতিহাসিক ভূমিকা, নয়া মানবতাবাদ, গণনাট্য, দ্য প্রফেট, দ্য ম্যাডম্যান, দ্য স্যন্ড এন্ড ফোম, দ্য প্রিন্স ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

শিল্প-সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে অনেক পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন অধ্যাপক বদিউর রহমান। এর মধ্যে শেরে বাংলা জাতীয় পুরস্কার, অশ্বিনীকুমার দত্ত সাহিত্য পুরস্কার ও অশ্বিনী পদক উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও, অধ্যাপক বদিউর রহমান তাঁর জীবদ্দশায় অসংখ্য ছাত্র, সাহিত্যানুরাগী, প্রগতিশীল সংস্কৃতি কর্মী, মননশীল চর্চায় আগ্রহী মানুষ তৈরির ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন।


যে শোষণহীন, সাম্যবাদী, ধর্মান্ধতা ও সাম্প্রদায়িকতামুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে আজীবন আদর্শিক লড়াই চালিয়ে গেছেন অধ্যাপক বদিউর রহমান, সেই সমাজ এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তবে, এ নিয়ে বিন্দুমাত্র আফসোস ছিল না তাঁর। মহান মুক্তিযুদ্ধের চার মূলনীতির প্রতি ছিল তাঁর অগাধ আস্থা ও বিশ্বাস। তিনি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন, বাহাত্তরের সংবিধান প্রকৃত অর্থে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করা গেলে সব ধরনের অরাজকতা, নৈরাজ্য ও দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিহত করা সম্ভব ছিল। আর তাই যখন বাহাত্তরের সংবিধান পুনঃপ্রতিষ্ঠা জাতীয় কমিটি গঠিত হয়, তখন তিনি স্বেচ্ছায় সেখানে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। যখনই কেউ মহান মুক্তিযুদ্ধকে কটাক্ষ করে কথা বলেছে বা ইনিয়েবিনিয়ে মুক্তিযুদ্ধের অর্জনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালিয়েছি, তখনই প্রতিবাদে সোচ্ছার হয়েছেন অধ্যাপক বদিউর রহমান। যে কারণে শুধু আদর্শিক প্রতিপক্ষই নয়, কখনো কখনো নিজের আদর্শবিচ্যুত সহযোদ্ধাদের কাছ থেকেও বিরুপ ও ধৃষ্টতাপূর্ণ আচরণ সহ্য করতে হয়েছে তাকে। তবে, এতকিছুর পরও নিজের আদর্শিক লড়াইয়ের পথ থেকে একবারের জন্যও বিচ্যুত হননি তিনি। আর তাই, অধ্যাপক বদিউর রহমান ছিলেন আদর্শিক লড়াইয়ের একজন আদর্শ সৈনিক।

অধ্যাপক বদিউর রহমান-এর সহযোদ্ধা হিসেবে আসুন শপথ নেই, যে আদর্শিক লড়াই চালাতে চালাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি, সেই আদর্শিক লড়াই থেকে আমরা যেন কখনোই বিচ্যুত না হই। একটি শোষণহীন, সাম্যবাদী, ধর্মান্ধতা ও সাম্প্রদায়িকতামুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে আমাদের সাংস্কৃতিক সংগ্রাম যেন জারি রাখি। আর তাহলেই কেবল অধ্যাপক বদিউর রহমান-এর প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা জানানো হবে। জয় উদীচী।

লেখক: সাধারণ সম্পাদক, উদীচী ঢাকা মহানগর সংসদ

বদিউর রহমানআদর্শ সৈনিকবাংলাদেশ উদীচী শিল্লীগোষ্ঠী
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ১৯ জুলাই ২০২৬
    রাত ৩:০০ টা
    ফ্রান্স
    ০
    ইংল্যান্ড
    ০
    ২০ জুলাই ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    আর্জেন্টিনা
    ০
    স্পেন
    ০
    advertisement
    advertisement
    স্বামীর রক্তভেজা লাশ ও সন্তান রক্তাক্ত, পাশেই ফোনে মগ্ন স্ত্রী

    স্বামীর রক্তভেজা লাশ ও সন্তান রক্তাক্ত, পাশেই ফোনে মগ্ন স্ত্রী

    ১৭ জুলাই ২০২৬, ০০:২৪

    advertiseadvertise