Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের স্বপ্নের ফেরিওয়ালা সামাদ
শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সম্পাদকীয়

আগামীর চোখ

আখের গোছানোর মতো চাকরি চাই

agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৪
আখের গোছানোর মতো চাকরি চাই

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

বরাবর

কর্তৃপক্ষ, খুলনা সিটি করপোরেশন

আমি এক বেকার যুবক। জীবনের সমস্ত দর্শন পড়া শেষে এখন ফুটপাতে দাঁড়িয়ে বাদাম খাই আর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি খুঁজি। পত্রিকার পাতায় আপনাদের প্রশাসনিক শাখার প্রধান সহকারী মো. নাঈমুজ্জামান সাহেবের ‘মহৎ’ কীর্তিগাথা পড়লাম। পড়ে আমার বেকার মস্তিষ্কে অদ্ভুত দার্শনিক অনুভূতির জন্ম হয়েছে।

মহাবিশ্বে কিছুই শূন্য থাকে না। নাঈম সাহেব কোটি টাকা পকেটে পুরে এখন স্বেচ্ছায় অবসরে যেতে চান। তিনি চলে গেলে যে শূন্যতার সৃষ্টি হবে, আমি ঠিক সেই পদটিতেই চাকরিপ্রার্থী। তবে আমার কোনো জনসেবা করার ইচ্ছা নেই। আমি এই পদটি চাই, কারণ অল্প সময়ে আখের গুছিয়ে নেওয়ার এর চেয়ে জুতসই পদ আর কী হতে পারে!

একটু গভীরভাবে ভাবলে বুঝবেন, নাঈম সাহেব কিন্তু আসলে দারুণ উদার মনের মানুষ! আমাদের দেশে মানুষ একবার চেয়ার পেলে মরার আগপর্যন্ত তা ছাড়তে চায় না। সেখানে তিনি নিজের কাঙ্ক্ষিত অর্থ বাগিয়ে নেওয়ার পর স্বেচ্ছায় অবসরে যেতে চাইছেন— এটা তো তার চরম ঔদার্য! এই তীব্র বেকারত্বের ভিড়ে, টু-পাইস কামানোর এমন একটি লোভনীয় পদ তিনি ফাঁকা করে দিচ্ছেন। এর অর্থ—তিনি একা বড়লোক হতে চান না। অন্য কোনো বেকারও যেন এসে সহজে পকেট ভারী করার সুযোগ পায়, সেই মহান ব্রত নিয়েই তিনি বিদায় নিচ্ছেন।

তিনি নিজের কাঙ্ক্ষিত অর্থ বাগিয়ে নেওয়ার পর স্বেচ্ছায় অবসরে যেতে চাইছেন— এটা তো তার চরম ঔদার্য!

নাঈম সাহেবের দর্শনটি বেশ চমৎকার। তিনি সাধারণ মানুষের ‘আস্থা’ নামক বিমূর্ত ধারণাকে খুব সুন্দরভাবে ‘নগদ টাকায়’ রূপান্তর করেছেন। ভারতী মণ্ডলের পেনশনের ১৮ লাখ কিংবা শাহাদাৎ ভাইয়ের ১৭ লাখ টাকা— সবই তার পকেটে। এদিকে, তার দেওয়া চেক ব্যাংকে গিয়ে ‘ডিজঅনার’ হয়ে এক মহাজাগতিক সত্য জানাচ্ছে— ‘টাকা একটি মায়া, ব্যাংকে তা থাকে না।’

আমরা জানি, ক্ষমতার কাছাকাছি থাকলে মানুষ ঈশ্বরের মতো আচরণ করে। নাঈম সাহেবও চাকরিপ্রার্থীদের ভাগ্যবিধাতা সেজেছিলেন। পার্থক্য হলো, ঈশ্বর পরীক্ষা নেন আর নাঈম সাহেব নেন অগ্রিম বুকিং মানি। এখন তিনি তদন্তের আভাস পেয়ে প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা নিয়ে ‘সাধু’ সেজে বিদায় নিতে চাচ্ছেন।

হে নগরপিতা, ঘুষ দেওয়ার সামর্থ্য না থাকা এই বেকার যুবককে ওই জাদুকরী শূন্য পদটিতে বসার একটু সুযোগ দেবেন। কথা দিচ্ছি, নিজের আখের গোছানো হয়ে গেলে আমিও একদিন নাঈম সাহেবের মতোই উদারতা দেখিয়ে পদটি ছেড়ে দেব।

 

ইতি

এক আশাবাদী কিন্তু নিঃস্ব বেকার যুবক

খুলনা

খুলনা সিটি করপোরেশনচাকরিআগামীর চোখ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise