Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
৬০ মায়ের ‘সন্তান’ সাখাওয়াত
রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

শিক্ষার ২ শতাংশের মায়াজাল

ড. আলা উদ্দিন
agamir somoy
প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:৩৬
শিক্ষার ২ শতাংশের মায়াজাল

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

জাতীয় বাজেট ঘোষণার পর প্রতিবারই একটা চেনা খেলা শুরু হয়। এক দল মানুষ বলে— বাজেটটি ব্যবসাবান্ধব হয়েছে, অর্থনীতি গতি পাবে। আরেক দল হিসাব কষে, সাধারণ মানুষের পকেট কতটা খালি হলো। কিন্তু এই চেনা তর্ক-বিতর্কের ভিড়ে একটা জরুরি প্রশ্ন প্রায়ই হারিয়ে যায়– আমাদের সন্তানদের শিক্ষার ভবিষ্যৎ এই বাজেটে কতটা সুরক্ষিত?

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে ব্যবসায়ী মহলে একধরনের সন্তুষ্টির আভাস মিলছে। কর ছাড়, বিনিয়োগের সুযোগ কিংবা ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করার নানামুখী চেষ্টা সেখানে স্পষ্ট। কিন্তু যখনই আমরা শিক্ষার পাতায় চোখ ফেরাই, তখন এক দীর্ঘশ্বাসের গল্প সামনে চলে আসে। প্রশ্ন জাগে, যে বাজেট ব্যবসাকে সচল করতে চায়, তা কি দেশের সবচেয়ে বড় পুঁজি, অর্থাৎ নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলার দায়িত্ব অবহেলা করতে পারে? এখানেই আসে এক অদ্ভুত সংখ্যার খেলা। দীর্ঘ দুই দশক ধরে বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে বরাদ্দ জিডিপির ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ থেকে ১ দশমিক ৭ শতাংশের গোলকধাঁধায় আটকে ছিল। যেমন— ২০১৫ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এটি ছিল জিডিপির ১ দশমিক ৫২ শতাংশ, আর সদ্য বিদায়ী ২০২৬ অর্থবছরে তা নেমে এসেছিল ১ দশমিক ৩৯ শতাংশে। এবার নাকি এক ঐতিহাসিক পরিবর্তন ঘটেছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতের বরাদ্দ বাড়িয়ে ঠিক ২ শতাংশ করা হয়েছে। শুনতে চমৎকার লাগে। মনে হয়, আমরা বুঝি এক অদৃশ্য দেয়াল ভেঙে এগিয়ে গেলাম। কিন্তু একটু গভীরে তক্ক করলেই বোঝা যায়, এই ২ শতাংশের আনন্দ আসলে এক ধরনের মরীচিকা। এটি হয়তো পরিসংখ্যানের পাতায় একটা মাইলফলক, কিন্তু বাস্তবতার মাটিতে দাঁড়িয়ে এটি ভীষণ অপ্রতুল। যেখানে কেবল ব্যাংক পুনর্গঠনের জন্য বরাদ্দ রাখা হয় প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা, আর শিক্ষার সর্বমোট বাজেট এক লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা। সত্যই তথৈবচ অবস্থা।

ইউনেসকোর ‘এডুকেশন ২০৩০ ফ্রেমওয়ার্ক ফর অ্যাকশন’ অনুযায়ী, একটি দেশের শিক্ষার মান ধরে রাখতে হলে অন্তত জিডিপির ৬ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া উচিত। সেই বৈশ্বিক মানদণ্ডের সামনে আমাদের এই ২ শতাংশের আনন্দ কতটা ম্লান, তা ভাবলে কষ্ট হয়। আমরা যখন নিজেদের দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম উদীয়মান অর্থনীতি হিসেবে দাবি করি, তখন প্রতিবেশীদের দিকে তাকালে আয়নাটা আরও স্পষ্ট হয়। ভুটানের শিক্ষা বাজেট জিডিপির ৬ থেকে ৮ শতাংশ, মালদ্বীপ তাদের জিডিপির ৪ দশমিক ৫৮ শতাংশ শিক্ষায় দেয়, নেপাল দেয় ৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ। এমনকি ভারত ২০২১ সালে ৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তান ২০১৭ সালেও ৪ দশমিক ৩৪ শতাংশ বরাদ্দ রেখেছিল। দক্ষিণ এশিয়ার তথাকথিত পিছিয়ে থাকা দেশ পাকিস্তানও আমাদের কাছাকাছি ১ দশমিক ৯৭ শতাংশ খরচ করে।

গ্লোবাল ম্যাপে যদি চোখ রাখি, তাহলে দেখা যাবে কিরিবাতির মতো ছোট দ্বীপদেশ তাদের জিডিপির ১৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ শিক্ষায় বিনিয়োগ করে। টুভালু দেয় ১২ দশমিক ৮৫ শতাংশ, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ, বলিভিয়া ৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ আর কিউবা ৯ থেকে ১৪ শতাংশ পর্যন্ত ঢেলে দেয় শিক্ষার পেছনে। এই দেশগুলো হয়তো আমাদের চেয়ে অর্থনীতিতে অতিকায় নয়, কিন্তু তারা বোঝে যে খনিজসম্পদ বা কলকারখানার চেয়েও বড় সম্পদ হলো মানুষের মস্তিষ্ক।

ব্যবসার প্রবৃদ্ধি আজ আছে কাল মন্দায় পড়তে পারে কিন্তু শিক্ষায় বিনিয়োগ পাওয়া একটি প্রজন্ম কখনো দেশকে দেউলিয়া হতে দেয় না

অথচ আমাদের সমাজ এক অদ্ভুত মনস্তত্ত্ব নিয়ে বাঁচে। আমরা শিক্ষার কাছ থেকে পৃথিবীর সব রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক সুফল আশা করি। আমরা চাই, আমাদের সন্তানরা বিশ্বমানের বিজ্ঞানী হবে, উদ্যোক্তা হবে, সততার প্রতীক হবে এবং সমাজ থেকে সব অন্ধকার দূর করবে। কিন্তু যে গাছটিতে আমরা মিষ্টি ফলের আশা করছি, তার গোড়ায় পানি দিতে আমাদের বড্ড কার্পণ্য।

বাংলাদেশের সমাজকে যদি আমরা একটু নৃতাত্ত্বিক ও সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখি, তবে বুঝতে পারব আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা এখন তীব্র এক বৈষম্যের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ধনী ও উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানরা চড়া মূল্যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসম্মত শিক্ষা কিনে নিতে পারছে। আর নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তের সন্তানরা পড়ে থাকছে জরাজীর্ণ রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ওপর। যখন রাষ্ট্র শিক্ষায় পর্যাপ্ত বিনিয়োগ করে না, তখন শিক্ষা আর মৌলিক অধিকার থাকে না; তা হয়ে ওঠে একটি সচ্ছলতার পণ্য। এর ফলে সমাজে এক গভীর মনস্তাত্ত্বিক ফাটল তৈরি হচ্ছে। গ্রামের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু আর শহরের একটি নামি স্কুলের শিশুর মধ্যকার সুযোগের দূরত্ব দিন দিন আকাশচুম্বী হচ্ছে। আমরা মুখে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের কথা বলছি, কিন্তু বাজেট বরাদ্দে সেই সাম্যের প্রতিফলন কোথায়?

এখানে আরও একটি বড় সংকট আছে, তা হলো ফান্ডের ব্যবস্থাপনা ও জবাবদিহি। শিক্ষা খাতে যে সামান্য টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়, তারও একটা বড় অংশ আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, দুর্নীতি আর অনুৎপাদনশীল খাতে অপচয় হয়। নতুন ভবন নির্মাণ কিংবা আসবাব কেনার পেছনে যে আগ্রহ দেখা যায়, শিক্ষকদের মান উন্নয়ন, গবেষণা, লাইব্রেরি সমৃদ্ধকরণ কিংবা শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সেই তাগিদ থাকে না। ইটের পর ইট গেঁথে বহুতল ভবন বানালেই শিক্ষা হয় না; শিক্ষার আসল প্রাণ হলো ক্লাসরুমের ভেতরের শিখন প্রক্রিয়া। শিক্ষকরা যদি অভাব-অনটনে থাকেন, তারা যদি সমাজে মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করতে না পারেন, তবে সেরা মেধাবীরা এই পেশায় কেন আসবেন? রাষ্ট্র যদি শিক্ষকদের পেছনে বিনিয়োগ করতে কুণ্ঠাবোধ করে, তবে ভালো শিক্ষার্থী পাওয়ার আশাও তো অলীক কল্পনা।

বাংলাদেশ এখন জনমিতিক লভ্যাংশ বা ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সোনালি সময় পার করছে। আমাদের জনসংখ্যার সিংহভাগই তরুণ। এই তরুণ সমাজকে যদি আমরা দক্ষ, আধুনিক ও মানবিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে না পারি, তবে এই বিশাল জনগোষ্ঠী দেশের জন্য আশীর্বাদ না হয়ে একসময় বড় বোঝা হয়ে দাঁড়াবে। ব্যবসাবান্ধব বাজেট দিয়ে আমরা হয়তো সাময়িকভাবে কিছু কলকারখানা, ব্যাংক পুনর্গঠন বা শপিংমল বানাতে পারব; কিন্তু সেই কারখানাগুলো চালানোর মতো দক্ষ ও নৈতিকতাসম্পন্ন মানুষ কোথা থেকে আসবে? বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ এনে যদি আমাদের শিল্প চালাতে হয়, তবে সেই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দেশীয় মানুষের জীবনে কতটা স্বস্তি আনবে?

দিনশেষে শিক্ষার এই বাজেটীয় অবহেলা আমাদের এক অদ্ভুত অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আমরা জিপিএ ৫-এর সংখ্যা বাড়াচ্ছি, কিন্তু শিক্ষার গভীরতা হারাচ্ছি। চাকরির বাজারে ডিগ্রিধারীর অভাব নেই, কিন্তু দক্ষ মানুষের তীব্র আকাল। এই বৈপরীত্যের মূল কারণ আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির সংকীর্ণতা। আমরা মনে করছি, শিক্ষায় টাকা দেওয়া মানে খরচ। আমরা বুঝতে পারছি না, এটি আসলে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ। ব্যবসার প্রবৃদ্ধি আজ আছে কাল মন্দায় পড়তে পারে, কিন্তু শিক্ষায় বিনিয়োগ পাওয়া একটি প্রজন্ম কখনো দেশকে দেউলিয়া হতে দেয় না। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ২ শতাংশের এই নামমাত্র ‘ঐতিহাসিক’ বৃদ্ধি আসলে একধরনের প্রবোধ দেওয়ার চেষ্টা। রাষ্ট্রকে বুঝতে হবে, কলকারখানার চাকা ঘোরানোর চেয়েও জরুরি হলো মানুষের মগজ ও মনন সচল রাখা। তা না হলে ‘ব্যবসা/ব্যবসায়ীবান্ধব’ এই বাজেট আমাদের হয়তো কিছু সাময়িক মুনাফা দেবে; কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে এক চরম হতাশাজনক ও মেধাহীন ভবিষ্যৎ উপহার দেবে, যা কোনো সমাজের জন্যই কাম্য নয়।

লেখক: অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

 

বাজেটজাতীয় বাজেটশিক্ষাশিক্ষা বাজেটকলামমতামত
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পে ধীরগতি

    গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পে ধীরগতি

    ১৪ জুন ২০২৬, ০০:১১

    রাশিয়া দিবস উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক উৎসব

    রাশিয়া দিবস উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক উৎসব

    ১৪ জুন ২০২৬, ০০:৩৬

    অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি সংস্কৃতির বিকাশও জরুরি : অর্থমন্ত্রী

    অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি সংস্কৃতির বিকাশও জরুরি : অর্থমন্ত্রী

    ১৪ জুন ২০২৬, ০০:৫০

    সিলিন্ডারে শুল্ক বৃদ্ধির প্রভাব পড়বে চায়ের কাপেও

    সিলিন্ডারে শুল্ক বৃদ্ধির প্রভাব পড়বে চায়ের কাপেও

    ১৪ জুন ২০২৬, ০১:১৬

    সর্বোচ্চ শাস্তি চায় সরকার, ওসি প্রত্যাহার

    সর্বোচ্চ শাস্তি চায় সরকার, ওসি প্রত্যাহার

    ১৪ জুন ২০২৬, ০১:০৫

    সুইজারল্যান্ডের বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম পেনাল্টি

    সুইজারল্যান্ডের বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম পেনাল্টি

    ১৪ জুন ২০২৬, ০২:০৫

    এনদ্রিকের স্ত্রীর খোলা চিঠি— আমাদের স্বপ্ন পূরণ করতে যাচ্ছ তুমি

    এনদ্রিকের স্ত্রীর খোলা চিঠি— আমাদের স্বপ্ন পূরণ করতে যাচ্ছ তুমি

    ১৪ জুন ২০২৬, ০২:১১

    গরিবের জীবিকায় প্যারাগনের চোখ!

    গরিবের জীবিকায় প্যারাগনের চোখ!

    ১৪ জুন ২০২৬, ০১:৩০

    আজই সাক্ষর হবে চুক্তি, খুলে দেওয়া হবে হরমুজ

    আজই সাক্ষর হবে চুক্তি, খুলে দেওয়া হবে হরমুজ

    ১৪ জুন ২০২৬, ০২:০১

    দুই পরিবর্তন করে দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিল

    দুই পরিবর্তন করে দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিল

    ১৪ জুন ২০২৬, ০২:৪৬

    বিলুপ্ত হচ্ছে র‌্যাব আসছে পিপিএফ

    বিলুপ্ত হচ্ছে র‌্যাব আসছে পিপিএফ

    ১৪ জুন ২০২৬, ০২:৩৭

    বিরোধী দলের উদ্দেশ্য অস্থিতিশীলতা  তৈরি করা

    বিরোধী দলের উদ্দেশ্য অস্থিতিশীলতা তৈরি করা

    ১৪ জুন ২০২৬, ০২:২৮

    বড়লেখা সীমান্তে বিজিবির গুলিতে আহত ভারতীয় চোরাকারবারি

    বড়লেখা সীমান্তে বিজিবির গুলিতে আহত ভারতীয় চোরাকারবারি

    ১৪ জুন ২০২৬, ০২:৫১

    শেষের গোলে বিশ্বকাপে কাতারের ইতিহাস

    শেষের গোলে বিশ্বকাপে কাতারের ইতিহাস

    ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:২০

    কুষ্টিয়ার সীমান্তে তৃতীয় দিনের মতো আটকে আছেন নারী-শিশুসহ ১২ জন

    কুষ্টিয়ার সীমান্তে তৃতীয় দিনের মতো আটকে আছেন নারী-শিশুসহ ১২ জন

    ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:১০