নজরুল ইসলাম খান
৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সরকারের অগ্রাধিকার

ছবি: আগামীর সময়
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং দেশব্যাপী সবুজায়ন বাড়াতে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের বৃহৎ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। এই কর্মসূচিকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারমূলক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সেলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান।
তিনি বলেছেন, ‘সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সব সরকারি দপ্তর ও সাধারণ জনগণকে সম্পৃক্ত করা হবে।’
আজ সোমবার ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে গঠিত সেলের দ্বিতীয় সভা পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘এই কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধি করা হবে।’
তিনি আরও বলেছেন, ‘কর্মসূচি বাস্তবায়নে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগসহ বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম সেলের মাধ্যমে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে।’
সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, ‘২০২৬ সালের মধ্যে প্রথম ধাপে পাঁচ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি অঞ্চলভিত্তিক মাটির ধরন ও পরিবেশ উপযোগী গাছ লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে টেকনিক্যাল কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নে বন অধিদপ্তরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।’
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, ‘শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, একই সঙ্গে বন উজাড় রোধেও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।’ তিনি জানালেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বন অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে দেশব্যাপী বনজ, ফলদ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হবে।
সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) ও টেকনিক্যাল এক্সপার্ট ড. মো. সাইমুম পারভেজ, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম এবং টেকনিক্যাল এক্সপার্ট জামাইল বশীর জেবি উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।




