শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অফিস আদালতে নজর বেশি
- পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে কাজ করি। এ শহরটিকে মশকনিধন রাখতে আমাদের বিশেষ কার্যক্রম চলমান
- পৌরবাসী খুবই সচেতন তারা মশারি ব্যবহার করেন এবং পরিচ্ছন্নতা কাজে তারা আমাদের সহযোগিতা করেন

মো. মোবারক হোসেন, প্রশাসক, রাঙামাটি পৌরসভা
রাঙামাটি যেহেতু একটি পর্যটনবান্ধব এলাকা, তাই এ এলাকাকে আমরা সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে কাজ করি। এ শহরটিকে মশকনিধন রাখতে আমাদের বিশেষ কার্যক্রম চলমান। প্রতি শনিবার পৌর এলাকায় মশকনিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া আছে। আমরা ওয়ার্ড ধরে ধরে এই কার্যক্রম পরিচালনা করছি। এ ছাড়া আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ওপর জোর দিয়েছি। যেহেতু এ এলাকাটি একসময় ম্যালেরিয়াপ্রবণ ছিল, পাশাপাশি এ সময়ে যেহেতু ডেঙ্গু রোগ বেশি ছড়াচ্ছে, তাই বিশেষ দিনের বাইরেও প্রতিনিয়ত মশকনিধন কার্যক্রম পরিচালনা করছি। বিশেষ করে, নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত ভবন অথবা ড্রেনেজগুলোতে আমাদের স্পেশাল কর্মসূচি পালন করা হয়। পৌর এলাকাটিকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রাখার বিষয়ে আমরা বদ্ধপরিকর। আর এজন্য পৌরসভার কনজারভেন্সি শাখা দিনরাত পরিশ্রম করছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত, রাস্তাঘাট কিংবা পর্যটকরা যেখানে বেশি যাতায়াত করেন, সেসব এলাকায় আমরা বেশি নজর দিই এবং সেসব এলাকার ঝোপঝাড় আমরা নিয়মিত পরিষ্কার রাখি। এ ছাড়া অলটারনেটিভ ডে-গুলোতে আমরা ফগার মেশিন দিয়ে মশকনিধন কার্যক্রম পরিচালনা করি, এর বাইরে আমরা লিকুইড লার্ভাসাইড দিয়ে ড্রেনেজগুলো পরিষ্কার রাখি। সিভিল সার্জন অফিসের সঙ্গে আমাদের নিবিড় যোগাযোগ আছে, তারা যদি কখনো এ ধরনের ডেঙ্গু মশার অস্তিত্ব কিংবা লার্ভা পেয়ে থাকে, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে আমাদের অবহিত করার জন্য বলা আছে। আমাদের ১০ জনের একটি স্পেশাল টিম আছে, যারা তাৎক্ষণিক এ ধরনের অভিযানে অংশ নেয়। মোটকথা, মশামুক্ত পৌরসভা রাখতে আমাদের যেখানে যা রাখার প্রয়োজন, আমরা সে বিষয়গুলো অ্যাড্রেস করে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।
পৌরবাসী খুবই সচেতন, তারা মশারি ব্যবহার করেন এবং পরিচ্ছন্নতা কাজে তারা আমাদের সহযোগিতা করেন। পৌরবাসীকে আশপাশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি কোথাও কখনো মশার অস্তিত্ব কিংবা লার্ভার সন্ধান পেলে পৌরসভাকে অবহিত করার অনুরোধ রইল।






