Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
চা শ্রমিকদের ভরসা খাইরুন
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

যে বিয়ে থামায় শিক্ষা, বাড়ায় ঋণ

ফারহানা চৈতি
agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২৪
যে বিয়ে থামায় শিক্ষা, বাড়ায় ঋণ

প্রতীকী ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার দিনমজুর রমজান মিয়ার সংসারে অভাব-অনটন নিত্যসঙ্গী। এরই মধ্যে ১৬ বছরে পা দিল বড় মেয়েটি। মেয়ের বিয়ের চিন্তায় অস্থির হয়ে ওঠেন বাবা। কেননা, আরও অপেক্ষা করলে মেয়ের বয়স বেড়ে যাবে, এর সঙ্গে বাড়বে যৌতুকের অঙ্কও। তাই শেষসম্বল গরুটি বিক্রির মাধ্যমে করলেন বিয়ের আয়োজন। অবশ্য তাতেও খরচ না মেটায় তাকে নিতে হলো ক্ষুদ্রঋণ। রমজান মিয়া ভেবেছিলেন, মেয়ের বিয়ে দিলে একটি দায় কমবে। কিন্তু পরিবারটি পড়ল নতুন সংকটে। মেয়ের বিয়ের জন্য নেওয়া ঋণের কিস্তি শোধ করতে গিয়ে বন্ধের উপক্রম ছোট ছেলের পড়াশোনা।

রমজান মিয়ার এ গল্প একক কোনো পরিবারের নয়— এটি বাংলাদেশের অসংখ্য দরিদ্র পরিবারের বাস্তবতা। যেখানে বাল্যবিয়ে শুধু একটি সামাজিক সমস্যা নয়; বরং দারিদ্র্য, ঋণ ও শিক্ষাবঞ্চনার এক নির্মম অর্থনৈতিক চক্রের অংশ। একটি অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের বিয়ের খরচ মেটাতে নেওয়া ঋণের বোঝা অনেক সময় পুরো পরিবারের ভবিষ্যৎকেই অনিশ্চিত করে তোলে।

বাল্যবিয়ের খরচ জোগাড় করতে অনেক দরিদ্র পরিবার নির্ভর করে ক্ষুদ্রঋণের ওপর। মাঠপর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে এমন বহু ঘটনার মুখোমুখি হয়েছেন ক্ষুদ্রঋণ দেওয়া বেসরকারি সংস্থা আশার সাবেক কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম। তিনি বলছিলেন, ‘আমাদের কাছ থেকে অনেকেই রিকশা, অটোরিকশা, গরু কেনা বা মাছ চাষের মতো আয়বর্ধক কাজের কথা বলে ৩০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতেন। কর্মজীবনে বহুবার দেখেছি, পরে সেই অর্থ দিয়েই ১৮ বছরের নিচের মেয়ের বিয়ে দেওয়া হয়েছে। কাগজ-কলমে বিয়ের জন্য ঋণ দেওয়ার কোনো নিয়ম না থাকায় প্রকৃত উদ্দেশ্য গোপন করেই ঋণ নিতেন তারা।’

মাঠপর্যায়ে ঋণ বিতরণের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছে আগামীর সময়। তারা জানিয়েছেন, বিয়ের জন্য নেওয়া ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে গিয়ে হিমশিম খায় অসংখ্য পরিবার, ঘটে ঋণখেলাপির ঘটনাও। ঋণের বোঝা সামলাতে গিয়ে বন্ধ করতে হয় অন্য সন্তানের পড়াশোনা, বিক্রি করতে হয় তাদের শেষসম্বলও।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (এমআইসিএস) ২০২৫-এর প্রাথমিক ফলাফল বলছে, ১৮ বছরের আগে মেয়েদের বিয়ের হার ২০১৯ সালের ৫১ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে কমে ২০২৫ সালে ৪৭ দশমিক ২ শতাংশে নেমে এসেছে। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী কিশোরীদের মধ্যে বিবাহিত থাকার হার একই সময়ে ৩২ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৮ দশমিক ৯ শতাংশে পৌঁছেছে। অর্থাৎ সামগ্রিক হার কিছুটা কমলেও কিশোরী বয়সে বিয়ের প্রবণতা এখনো উদ্বেগজনক।

জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ) জানিয়েছে, বাংলাদেশে বাল্যবিয়ে কমার গতি বছরে মাত্র ২ দশমিক ১ শতাংশ। এ ধারা অব্যাহত থাকলে বাল্যবিয়ে পুরোপুরি নির্মূল হতে লাগতে পারে ২০০ বছরের বেশি সময়। একই সঙ্গে বেড়েছে কিশোরী মাতৃত্বের হার, যা কম বয়সে বিয়ে ও দ্রুত মাতৃত্বের প্রবণতাকেই স্পষ্ট করে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু বলছিলেন, ‘যৌতুক দিতে বা বিয়ের খরচ মেটাতে দরিদ্র পরিবারকে অনেক সময় ঋণ নিতে হয়, এমনকি জমিও বিক্রি করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে এক মেয়ের উপার্জনের টাকায় আরেক মেয়ের বিয়ের যৌতুক দেওয়া হয়। এভাবে একটি পরিবার দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে পড়ে যায়।’

যৌতুক আইনত নিষিদ্ধ হলেও বাস্তবে নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, মোটরসাইকেল কিংবা আসবাবপত্র দাবির ঘটনা এখনো ঘটছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে কম বয়সে বিয়ে দিলে যৌতুক কম লাগে— এমন ধারণা বহু পরিবারকে বাল্যবিয়েতে উৎসাহিত করে। মালেকা বানুর মতে, ‘অনেক পরিবার এখনো বিশ্বাস করে, যৌতুক দিলে মেয়ের সংসার টিকবে। তাই মেয়ের শিক্ষা বা দক্ষতায় বিনিয়োগের বদলে তারা বিয়ের খরচেই বেশি গুরুত্ব দেয়।’

বাল্যবিয়ের সবচেয়ে বড় ক্ষতির অন্যতম হলো শিক্ষাজীবনের সমাপ্তি। বিয়ের পর অধিকাংশ কিশোরী আর ফিরতে পারে না শ্রেণিকক্ষে। একই সঙ্গে বিয়ের খরচ মেটাতে নেওয়া ঋণের কিস্তি শোধ করতে গিয়ে অনেক পরিবার কমিয়ে দেয় অন্য সন্তানদের পড়াশোনার খরচও।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. শেখ তৌহীদুল ইসলাম জানালেন, কাগজ-কলমে সুযোগ থাকলেও দুর্গম এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নিরাপদ যাতায়াত ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাবে অনেক মেয়ের শিক্ষা মাধ্যমিকের পরই থেমে যায়। এরপর দারিদ্র্য ও সামাজিক চাপ মিলিয়ে পরিবারগুলো বিয়েকেই দেখে একমাত্র পথ হিসেবে।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলছিলেন, ‘দরিদ্র পরিবার অনেক সময় মনে করে, মেয়েকে বিয়ে দিলে তার ভরণপোষণের দায় কমবে। তবে এটি শুধু অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়; সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা, ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ এবং সমাজের চাপও পরিবারগুলোকে এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে।’

স্বল্পমেয়াদে একটি পরিবারের কাছে এটি লাভজনক সিদ্ধান্ত মনে হলেও দীর্ঘমেয়াদে তা পরিবার ও দেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর— যোগ করলেন তিনি।

ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, বাল্যবিয়ের কারণে বাংলাদেশ প্রতি বছর প্রায় ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়ে। কম বয়সে বিয়ে ও মাতৃত্বের কারণে অসংখ্য মেয়ের শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ নষ্ট হয়, যা দেশের মানবসম্পদ ও উৎপাদনশীলতার ওপরও ফেলে নেতিবাচক প্রভাব। অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমানের ভাষায়, একটি পরিবার সাময়িকভাবে লাভবান হয়েছে মনে করলেও সামষ্টিক অর্থনীতির দৃষ্টিতে বাল্যবিয়ে দেশের জন্য বড় ক্ষতির কারণ।

অর্থনৈতিক ক্ষতির পাশাপাশি বাল্যবিয়ের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ে স্বাস্থ্য ও নারীর ক্ষমতায়নের ওপরও। মা ও শিশুস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কম বয়সে গর্ভধারণে রক্তশূন্যতা, প্রি-এক্লাম্পসিয়া, অপরিণত প্রসব এবং কম ওজনের শিশু জন্মের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এসব জটিলতার চিকিৎসাব্যয় দরিদ্র পরিবারের ওপর নতুন করে আর্থিক চাপ সৃষ্টি করে। ফলে পরিবার আবারও ঋণনির্ভর হয়ে পড়ে এবং দারিদ্র্যের চক্র হয় আরও শক্ত।

মালেকা বানু আগামীর সময়কে বললেন, ‘বাল্যবিয়ের মাধ্যমে একটি মেয়ের স্বাভাবিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। সে শিক্ষা, অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও নিজের শরীর সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। এতে মাতৃস্বাস্থ্যসহ নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি হয়, যা অনেক ক্ষেত্রে প্রাণঘাতীও হতে পারে।’

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এই দুষ্টচক্র ভাঙতে শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়। দরকার দরিদ্র পরিবারের জন্য কার্যকর সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, কিশোরীদের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে বিনিয়োগ, নারীর কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, যৌতুকবিরোধী আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর নজরদারি। ড. শেখ তৌহীদুল ইসলাম মনে করেন, শুধু কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নীতি নয়, স্থানীয় পর্যায়েও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।

কেননা, একটি দরিদ্র পরিবারের কাছে বাল্যবিয়ে তাৎক্ষণিক সংকট থেকে মুক্তির পথ হলেও, সে সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত তাদের আটকে ফেলে আরও গভীর দারিদ্র্য, ঋণের বোঝা, শিক্ষাবঞ্চনা ও বৈষম্যের চক্রে। তাই বাল্যবিয়ের বিরুদ্ধে লড়াই শুধু একটি সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে নয়; এটি দারিদ্র্য, বৈষম্য ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার বিরুদ্ধেও সমান গুরুত্বপূর্ণ এক লড়াই।

বিবিএসএমআইসিএসবাল্যবিয়েঋণইউএনএফপিএক্ষুদ্রঋণ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    স্বরাষ্ট্রের ক্ষমতায় পররাষ্ট্রের বাগড়া

    স্বরাষ্ট্রের ক্ষমতায় পররাষ্ট্রের বাগড়া

    হাত মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দিকে এগিয়ে যাওয়া রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে স্ট্যান্ড রিলিজ

    হাত মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দিকে এগিয়ে যাওয়া রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে স্ট্যান্ড রিলিজ

    পূজা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন চার নারী, পথে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিল ডাকাতরা

    পূজা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন চার নারী, পথে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিল ডাকাতরা

    ‘সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে মিডিয়া কর্মী’ ফেসবুকে লিখলেন চিকিৎসক

    ‘সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে মিডিয়া কর্মী’ ফেসবুকে লিখলেন চিকিৎসক

    দুই পা বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল ট্রাভেল ব্যাগে

    দুই পা বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল ট্রাভেল ব্যাগে

    নানাবাড়ি বেড়াতে গিয়ে পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল শিশু হামজার

    নানাবাড়ি বেড়াতে গিয়ে পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল শিশু হামজার

    ইশরাকের মন্ত্রিত্ব গেল, সেই ঘুণ্টিঘরের চিত্র কতটা বদলাল?

    ইশরাকের মন্ত্রিত্ব গেল, সেই ঘুণ্টিঘরের চিত্র কতটা বদলাল?

    সেই রমিজের বিরুদ্ধে এবার সাড়ে ৮ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ

    সেই রমিজের বিরুদ্ধে এবার সাড়ে ৮ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ

    গন্তব্যে পৌঁছানো হলো না মা–মেয়ের, পথেই সব শেষ

    গন্তব্যে পৌঁছানো হলো না মা–মেয়ের, পথেই সব শেষ

    দিনলিপি

    দিনলিপি

    ৩ বছরে সৌদিতে ৩৬৩ বিদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, বাংলাদেশি কত?

    ৩ বছরে সৌদিতে ৩৬৩ বিদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, বাংলাদেশি কত?

    খেলাপি আদায়ে চমক কৃষি ব্যাংকের

    খেলাপি আদায়ে চমক কৃষি ব্যাংকের

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ধরে হাসনাতের পোস্টের কড়া জবাব স্নিগ্ধের

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ধরে হাসনাতের পোস্টের কড়া জবাব স্নিগ্ধের

    ভারত যাওয়ার সময় যুব মহিলা লীগ নেত্রী আটক

    ভারত যাওয়ার সময় যুব মহিলা লীগ নেত্রী আটক

    নবীনগরে বল তুলতে পুকুরে নেমে প্রাণ গেল জমজ দুই ভাইয়ের

    নবীনগরে বল তুলতে পুকুরে নেমে প্রাণ গেল জমজ দুই ভাইয়ের