এফএও জাদুঘরে স্থান পেল বাংলাদেশের জামদানি শাড়ি, পাঞ্জাবি ও পাজামা

সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী জামদানি শাড়ি, পাঞ্জাবি ও পাজামা প্রদর্শনের জন্য স্থান পাচ্ছে রোমে অবস্থিত জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) জাদুঘরে। বাংলাদেশের প্রথম জিআই বা ভৌগোলিক নির্দেশক স্বীকৃতি পাওয়া পণ্য হিসেবে সেখানে প্রদর্শিত হবে ঐতিহ্যবাহী জামদানি শাড়ি। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পাঞ্জাবি ও পাজামাও প্রদর্শনের সুযোগ পেয়েছে এফএও জাদুঘরে।
শনিবার রোমে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
জানা গেছে, জামদানি শাড়িটি স্থায়ীভাবে প্রদর্শিত হবে এফএও জাদুঘরের ‘ট্রাডিশনস অ্যান্ড ইনোভেশনস’ কক্ষে। অন্যদিকে পর্যায়ক্রমে প্রদর্শনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে পাঞ্জাবি ও পাজামা।
এফএও জাদুঘরে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পণ্যগুলো প্রদর্শনের এ সুযোগ সৃষ্টি হওয়াকে রোমে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের নিরলস প্রচেষ্টা ও উদ্যোগের ফল হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ উদ্যোগের জন্য দূতাবাস প্রশংসার দাবিদার বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঐতিহ্যবাহী পণ্যগুলো প্রদর্শনের মাধ্যমে এফএও সদর দপ্তরের জাদুঘরে আগত বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দর্শনার্থীদের সামনে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ বস্ত্র ঐতিহ্য, কৃষিনির্ভর জীবনধারা, গ্রামীণ সংস্কৃতি ও কারুশিল্প আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উপস্থাপনের সুযোগ তৈরি হবে।
উল্লেখ্য, জামদানি শাড়ি বাংলাদেশের প্রথম পণ্য হিসেবে ২০১৬ সালের ১৭ নভেম্বর ডব্লিউআইপিও (ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন)–এর স্বীকৃতি লাভ করে।






