সংরক্ষিত আসনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯ প্রার্থী

ফাইল ছবি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ৪৯ প্রার্থী। আজ বুধবার তাদের নির্বাচিত বলে ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার ও ইসির যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খান।
রিটার্নিং অফিসার জানিয়েছেন, ৪৯ প্রার্থীর বৈধ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বেসরকারিভাবে নির্বাচিত এসব সংসদ সদস্যের নাম, ঠিকানাসহ গেজেট প্রকাশের ব্যবস্থা নেবে ইসি সচিবালয়। এরপর শপথ আয়োজনের জন্য গেজেট পাঠানো হবে সংসদ সচিবালয়ে।
‘নির্ধারিত সময়ের মধ্যে (প্রত্যাহারের সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা) মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেননি কোনো প্রার্থী। শূন্য পদের সমান পদে মনোনয়নপত্রও সমান হওয়ায় আইন অনুযায়ী আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) গেজেট প্রকাশ করবে ইসি’—বলছিলেন মঈন উদ্দীন খান।
বিএনপির বৈধ প্রার্থীরা হলেন- সেলিমা রহমান, শিরীন সুলতানা, রাশেদা বেগম হীরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আরলী, মোসা. ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, সাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলোফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জীবা আমিনা খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিনজ, সুবর্ণা সিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার।
এ ছাড়াও রয়েছেন, ফেরদৌসী আহমেদ, বীথিকা বিনতে হোসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানসুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলো, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আরা আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।
জামায়াত জোটের বৈধ প্রার্থীরা হলেন- নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন নাহার মুন্নি, মারদিয়া মমতাজ, নাজমুন নাহার নীলু, মাহফুজা সিদ্দিকা, সাজেদা সামাদ, সামসুন নাহার, মাহমুদা আলম মিতু, তাসমিয়া প্রধান, মাহবুবা হাকিম ও রোকেয়া বেগম। একইসঙ্গে মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে স্বতন্ত্র জোটের প্রার্থী সুলতানা জেসমিন জুঁইয়ের ।
এর আগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করে ইসি। তবে দলটির আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র ইসিকে গ্রহণের জন্য বলেছেন আদালত। এ বিষয়ে রিটার্নিং অফিসার বলেছেন, ‘ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে একজন আপিল করেছেন, এমন কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই। আরেক প্রার্থী নুসরাত তাবাসসুম রায়ের কপি দিয়ে গেছেন কমিশনে। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে বলেছে ইসি।’
এর আগে গত ২১ এপ্রিল ছিল মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময়। নির্ধারিত সময়ে ৫৩ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন ৫০ আসনে। বাছাইয়ে বাদ পড়েন চারজন। বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়ায় প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় পার হয়েছে আজ বুধবার বিকেল ৪টায়। সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত ছিল ১২ মে। কিন্তু প্রতি আসনের বিপরীতে একক প্রার্থী থাকায় বরাবরের মতো এবারও বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেন এই ৪৯ প্রার্থী। এবার সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ জন, জামায়াত জোটের ১২ ও স্বতন্ত্র জোটের ১ জন যুক্ত হচ্ছেন সংসদে। ফলে শূন্য থাকল একটি আসন।
এমন পরিস্থিতিতে একটি নারী আসন শূন্য হলে আসনটির জন্য কবে তফসিল ঘোষণা করা হবে বা আদালতের আদেশে একজন যুক্ত হওয়ার পর করণীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে ইসি।



