Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
কৃষক গড়েছেন ব্যতিক্রমী কলেজ
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় জাতীয়

বাড়তি দামে এলএনজি কিনছে সরকার

আগামীর সময় প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬, ১৫:২০
বাড়তি দামে এলএনজি কিনছে সরকার

প্রতীকী ছবি

এলএনজি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় দেশে আরও প্রকট হয়েছে গ্যাস সংকট। বন্ধ হয়ে গেছে অনেক শিল্পকারখানা। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে বাড়তি দামে এলএনজি কিনছে সরকার।

গ্যাস সংকটের সঙ্গে তাপমাত্রা বাড়ায় গত দুই দিনের তুলনায় গতকাল বুধবার বেড়েছে বিদ্যুতের লোডশেডিংও। এদিন সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল ১ হাজার ৮৩৬ মেগাওয়াট। এর আগের দুই দিন গ্যাস সরবরাহ কিছুটা বাড়ায় লোডশেডিং ছিল ৫০০ মেগাওয়াটের মধ্যে। ১০ আগস্ট লোডশেডিং রেকর্ড ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াটে উঠেছিল। পরে তা কমতে থাকে ধীরে ধীরে।

এলএনজি টার্মিনালে দুর্ঘটনা, সরবরাহ ব্যাহত হওয়া এবং এর সঙ্গে নিম্নমানের এলএনজি আমদানির অভিযোগ— সব মিলিয়ে ধস নেমেছে গ্যাস সরবরাহে। প্রায় এক মাস ধরে চলা এ সংকট আগামী সপ্তাহে কিছুটা কাটতে পারে বলে আশাবাদী জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা। তবে এলএনজি সরবরাহ ব্যাহত হলে রয়েছে সংকট আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা।

পেট্রোবাংলার তথ্যমতে, দৈনিক ১১০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা থাকা দুটি এলএনজি টার্মিনালই বর্তমানে গ্যাস সরবরাহের জন্য প্রস্তুত। কিন্তু এলএনজি কার্গো না থাকায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালটি। বর্তমানে শুধু সামিটের টার্মিনাল থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে গ্যাস।

এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ হওয়ায় গতকাল এলএনজি থেকে গ্যাস সরবরাহ কমে নেমে এসেছে ৫৬ কোটি ঘনফুটে। দেশীয় কূপগুলো থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে প্রায় ১৬৩ কোটি ঘনফুট। সব মিলিয়ে মঙ্গলবারের তুলনায় ৪ কোটি ঘনফুট কমে গ্যাস সরবরাহ দাঁড়িয়েছে ২১৯ কোটি ঘনফুটে। অথচ সরকারি হিসাবেই দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা অন্তত ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক হলে গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব মোটামুটি ২৬৫ কোটি ঘনফুট। এতে সংকট অনেকটা কমে আসবে মত সংশ্লিষ্টদের।

কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন করে এলএনজি না আসা পর্যন্ত আপাতত কোনো সুযোগ নেই গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর। ২৩ আগস্ট কথা রয়েছে এক্সিলারেট এনার্জি টার্মিনালের জন্য একটি কার্গো আসার। সেটি এলে উন্নতি হতে পারে পরিস্থিতির। তবে কার্গোটি নির্ধারিত সময়ে পাওয়া যাবে কি না, এখনো নিশ্চিত নয় তা। এর আগে ১৭ আগস্ট একটি কার্গো সময়মতো না আসায় বেড়েছে সংকট।

এ ছাড়া ২৬ ও ২৯ আগস্ট আরও দুটি কার্গো আসার কথা রয়েছে। পাশাপাশি ১ ও ৪ সেপ্টেম্বরের দুটি কার্গোর বিষয়েও পাওয়া গেছে নিশ্চয়তা।

বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে এলএনজি: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় ব্যাহত হচ্ছে এলএনজি আমদানি। ফলে খোলাবাজার থেকে এলএনজি কিনতে প্রায় দ্বিগুণ ব্যয় করতে হচ্ছে সরকারকে। এখন জরুরি ভিত্তিতে এলএনজি কিনতে গিয়ে আরও বেড়েছে সেই ব্যয়।

চলমান জ্বালানি সংকটের মধ্যে আমদানি করা গ্যাসের সরবরাহ ও মজুদ কমে আসায় দরপত্র ছাড়াই আরও ১৪ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করছে সরকার। গতকাল সরকারের অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ায় এসব কার্গো কেনার প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

প্রতি এমএমবিটিইউ ২৩ দশমিক ৯৩ ডলার দরে কেনা এক কার্গো এলএনজির দাম পড়ছে প্রায় ১ হাজার ৮০ কোটি টাকা। বর্তমান স্পটদর ২১ দশমিক ০৯ ডলার ধরলে একই কার্গোর দাম পড়ত প্রায় ৯৫১ কোটি টাকা। অর্থাৎ জরুরি ভিত্তিতে কার্গো কিনতে গিয়ে প্রতি কার্গোতে বেশি গুনতে হচ্ছে প্রায় ১২৮ কোটি টাকা।

নিম্নমানের এলএনজি আমদানির অভিযোগ: রাষ্ট্রায়ত্ত এলএনজি আমদানিকারক একমাত্র প্রতিষ্ঠান রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) বিরুদ্ধে নিম্নমানের এলএনজি আমদানির অভিযোগ তুলেছে সামিট গ্রুপ। গত সোমবার পেট্রোবাংলায় দেওয়া এক চিঠিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে মানসম্পন্ন এলএনজি আমদানির।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সামিটের টার্মিনালে নিম্নমানের এলএনজি আসায় রিগ্যাসিফিকেশনে সমস্যা হচ্ছে। বারবার ফিল্টারিং করতে গিয়ে ব্যাহত হচ্ছে গ্যাস সরবরাহ। এ কারণে সোমবার থেকে মঙ্গলবার বিকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ফিল্টারিং সমস্যার কারণে দু-তিনবার উৎপাদন কমিয়ে দিতে হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় দুই টার্মিনাল থেকে ৪৪ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। এর মধ্যে সামিটের টার্মিনাল থেকে পাওয়া যায় প্রায় ৩৫ কোটি ঘনফুট। অথচ এই টার্মিনাল থেকে দৈনিক কমবেশি ৫৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা রয়েছে।

এলএনজিগ্যাস সংকটশিল্পকারখানালোডশেডিংএলএনজি টার্মিনাল
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise