জাতীয় প্রেসক্লাবে রসালো ফলের সঙ্গে সুরের মূর্ছনা

ছবি: আগামীর সময়
কখনও মেঘলা আকাশ, কখনও রোদ; আর ভেতরে দেশীয় ফলের ম-ম সুবাস। ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে—‘প্রেসক্লাব আমাদের সেকেন্ড হোম’। ছুটির দিনে এভাবেই চেনা আড্ডার জাতীয় প্রেসক্লাব রূপ নিয়েছিল এক টুকরো গ্রামীণ ফলতলায়।
আম্রপালি, লটকন, ডেউয়া থেকে শুরু করে বিলুপ্তপ্রায় ৪২ পদের রসালো দেশি ফলের মেলা; আর সঙ্গে মনের খোরাক জোগাতে সুরের মূর্ছনা—সব মিলিয়ে এক দারুণ ফল উৎসব ও গানের আসরে মেতেছিলেন গণমাধ্যমকর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা।
আজ শুক্রবার ৪২ ধরনের দেশি ফলের প্রদর্শনী ও রসাস্বাদনের এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
জাতীয় প্রেসক্লাবের থিম সং ‘প্রেসক্লাব আমাদের সেকেন্ড হোম’ পরিবেশনার মধ্য দিয়ে সকাল ৯টায় অনুষ্ঠান শুরু হয়। সদস্যরা দেশীয় গানের সঙ্গে উপভোগ করেন নানা ধরনের দেশি ফল।
ফলের সম্ভারে ছিল আম্রপালি, ফজলি, জাম্বুরা, কলা, কামরাঙা, আমলকি, আমড়া, পেঁপে, কাঁঠাল, আনারস, বরই, পেয়ারা, করমচা, লটকন, ড্রাগন ফল, ডেউয়া, টিপাটিপি, জামরুল, তাল, আপেল, লেবু, বাতাবিলেবু, লিচু, কাঠলিচু, হাঁড়িভাঙা আম, বিলাতি গাব, জাম, সফেদা, তরমুজ, বাঙ্গি, সাম্মাম, মাখনা, তালের শাঁস, কাঠবাদাম ও দেশি খেজুরসহ বিভিন্ন ফল।
ফল উৎসবে গান পরিবেশন করেন তামান্না হক, শাহরিয়ার রাফাত, মিনি আলাউদ্দিন ও বাবু। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ফল উৎসব ও সংগীত উপভোগ করেন ক্লাবের সদস্য এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা।
প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এবং বিশেষ অনুষ্ঠান ও আপ্যায়ন উপ-কমিটির আহ্বায়ক কাদের গনি চৌধুরী।
উৎসবে প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য কাজী রওনাক হোসেন, বখতিয়ার রানা, সৈয়দ আবদাল আহমদ, এ কে এম মহসিন, মাসুমুর রহমান খলিলী, শাহনাজ বেগম পলি, মোহাম্মদ মোমিন হোসেনসহ ক্লাবের সিনিয়র সদস্যরা সপরিবারে উপস্থিত ছিলেন।




