চাঁদাবাজি ইস্যুতে জামায়াত ও বিএনপি এমপির বাহাস

সংগৃহীত ছবি
রাজধানীর কারওয়ান বাজারে দৈনিক দুই থেকে তিন কোটি টাকা চাঁদাবাজি হচ্ছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) সাইফুল আলম খান মিলন।
আজ সোমবার রাজধানীতে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত এক বাজেট সংলাপে এ অভিযোগ করেন তিনি।
পারস্পরিক সমঝোতার আড়ালে লেনদেন চাঁদাবাজি হিসেবে গণ্য করা উচিত কিনা এমন প্রশ্ন তুলে জামায়াতের এ সংসদ সদস্য বলছিলেন, ‘গত সরকারের মতো বর্তমান সরকারের আমলেও সরকারি দলের লোকেরাই নিয়ন্ত্রণ করছেন এই চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট। এমনকি শুধু কারওয়ান বাজারের কয়েকটি পাইকারি মুরগির দোকান থেকেই মাসে চাঁদা তোলা হচ্ছে ৬০ লাখ টাকা।’
তিনি জানান, এই চাঁদাবাজির অর্থের বোঝা শেষ পর্যন্ত সাধারণ ভোক্তাদের ওপরই চাপে, যা বাড়িয়ে দিচ্ছে মূল্যস্ফীতি।
অনুষ্ঠানে এমপি মিলনের এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং তার এই অবস্থানকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলে আখ্যা দেন বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মাহমুদা হাবিবা। তিনি বলেছেন, ‘আমার এলাকায় যদি আমি সাংসদ হই, যারা চাঁদাবাজি করবে— সরকারি দল হোক বা বাইরের দল হোক, আমি তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করব এবং আইনের আশ্রয় নেব।’
এর পরিপ্রেক্ষিতে মিলন বলেছেন, ‘মামলাই নেওয়া হয় না, আইনের আশ্রয় নেওয়া হবে কীভাবে?’ তিনি জানান, বিষয়টি ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নজরে এনেছেন এবং তার সহযোগিতা চেয়েছেন। এ ছাড়া চাঁদাবাজি বন্ধে প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য শিগগিরই সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হবেন তিনি।




