ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী মারধর, ঝিগাতলায় উত্তেজনা

সংগৃহীত ছবি
তিন শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর ঝিগাতলায় স্থানীয় বাসিন্দা ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। সংঘর্ষের আশঙ্কায় এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে রাত ৮টার দিকে ঢাকা কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ‘ঢাকা রেসিডেন্সি’ ছাত্রাবাস ভাঙচুরের অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
সরেজমিনে দেখা যায়, ঝিগাতলায় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ভাঙচুর ঠেকাতে ঝিগাতলার গাবতলী মসজিদসংলগ্ন ‘ঢাকা রেসিডেন্সি’ ছাত্রাবাস ঘিরে রেখেছে পুলিশ। সেখানে ঢাকা কলেজের শতাধিক শিক্ষার্থী ও পুলিশ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে।
হাজারীবাগ থানার ওসি মোশারফ হোসেন জানান, চার থেকে পাঁচজনের একটি দল ছিল। ওই দলের একজনের সাইকেল চুরি হয়ে যায়। সাইকেল চুরির ঘটনায় তারা কয়েকজনকে সন্দেহ করে তাদের ধরে উগ্র আচরণ শুরু করেন। বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশ সদস্যরা তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যান।
আটক ব্যক্তিরা ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। পরে কলেজ প্রশাসনের মধ্যস্থতায় তাদের থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
শিক্ষার্থীদের মারধর ও পরবর্তী উত্তেজনার বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের এক যুগ্ম আহ্বায়ক বলেন, ঢাকা কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী রেসিডেন্সি ছাত্রাবাসের কয়েকটি কক্ষে থাকতেন। তাদের একজনের সাইকেল চুরি হয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ছোট ভাইয়েরা তাদের কাছে কিছু টাকা পেত। যেহেতু আজকে (গতকাল) ২ তারিখ, তাই তারা ছাত্রাবাস ছেড়ে চলে যাচ্ছিল। ছোট ভাইয়েরা পাওনা টাকা চাইলে তারা তা না দিয়ে নানা রকম টালবাহানা শুরু করে এবং মুঠোফোনের আর্থিক সেবার মাধ্যমে বা পরে পরিশোধ করবে বলে জানায়। একপর্যায়ে ছোট ভাইয়েরা বিষয়টি নিয়ে ভিডিও করা শুরু করলে বিতর্ক তৈরি হয় এবং তাদের মারধর করা হয়।’
ছাত্রদলের ওই নেতা বলেন, ‘ঘটনাটি নিয়ে পরে হলে খবর দেওয়া হয়। সেখান থেকে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন এসে ছাত্রাবাসে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এই ঘটনার দ্বিতীয় দফার সংঘাতের মধ্যে আমাদের চার-পাঁচজন আহত হয়। তাদের মধ্যে ২০২৪ ব্যাচের রিজভী ও আসিফও রয়েছে।’




