Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
কৃষক গড়েছেন ব্যতিক্রমী কলেজ
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় জাতীয়

কাজ আছে, কর্মী নেই

হামিদ-উজ-জামান
হামিদ-উজ-জামান
agamir somoy
প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬, ২২:৩৫
কাজ আছে, কর্মী নেই

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

কাজ আছে, তবে পাওয়া যাচ্ছে না কাজ করার মানুষ। কারণ দক্ষতার অভাব। তৈরি পোশাক শিল্পসহ ৯ খাতে দক্ষ কর্মীর ঘাটতি ৫৫ থেকে ৭০ শতাংশ। এতে বিদেশী কর্মীনির্ভর হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে দেশের শিল্প।

এই চিত্র উঠে এসেছে সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) তৈরি করা পঞ্চবার্ষিক স্ট্রাটেজিক ফ্রেমওয়ার্কে। জিইডি জানিয়েছে, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) পরিচালিত শ্রম বাজার ও দক্ষতা ঘাটতি সমীক্ষায় কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য নয়টি অগ্রাধিকার খাত পরীক্ষা করা হয়েছে। এগুলো হলো— তৈরি পোশাক ও বস্ত্র, নির্মাণ, কৃষি-খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, স্বাস্থ্যসেবা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি), পর্যটন ও আতিথিয়েতা, চামড়াজাত পণ্য, হালকা প্রকৌশল এবং জাহাজ নির্মাণ।

সমীক্ষার ফলাফলে এই খাতগুলো জুড়ে ৫৫ শতাংশ থেকে ৭০ শতাংশের বেশি পর্যন্ত দক্ষতা ঘাটতি পাওয়া গেছে। যার অর্থ, এই খাতগুলোর অধিকাংশ কর্মীই অদক্ষ বা স্বল্প-দক্ষ। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলছে, তৈরি পোশাক খাতে দক্ষতা ঘাটতি রয়েছে প্রায় ৬০ শতাংশ। যেখানে মেশিন অপারেটরদের ঘাটতি সবচেয়ে বেশি। এছাড়া আইসিটি খাতে দক্ষতা ঘাটতির পরিমাণ প্রায় ৭২ শতাংশ, নির্মাণ এবং স্বাস্থ্যসেবা উভয়ক্ষেত্রেই ৫৮ থেকে ৬৮ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

আরও পড়ুন

একনেকের সভায় ১০ প্রকল্পের অনুমোদন, ব্যয় ৯ হাজার কোটি

১৯ আগস্ট ২০২৬

জিইডি বলেছে, তৈরি পোশাক খাতে স্বয়ংক্রিয়করণের চাপ দক্ষতা চাহিদার ধরণকে বদলে দিচ্ছে। আইএলও এবং সরকারের এটুআই কর্মসূচির পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী দশকে এই খাতে স্বয়ংক্রিয়ককরণের অগ্রগতির ফলে গতানুগতিক, আধা-দক্ষ উৎপাদন কাজে নিযুক্ত প্রায় ৩৭ লাখ তৈরি পোশাক শ্রমিকের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ কর্ম হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অধিক উন্নত কারখানাগুলোতে শ্রম-নিবিড় সেলাই কার্যক্রম থেকে কম্পিউটার-এইডেড ডিজাইন, স্বয়ংক্রিয় কাটিং, আরএফআইডি-সক্ষম ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট এবং মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় রূপান্তর চলছে। এই রূপান্তর মেকাট্রনিক্স, প্রসেস মনিটরিং এবং ডিজিটাল সিস্টেমের দক্ষতাসম্পন্ন টেকনিশিয়ানদের জন্য নতুন চাহিদা তৈরি করছে। অন্যদিকে আধা-দক্ষ মেশিন অপারেটরদের মতো গতানুগতিক দক্ষতার চাহিদা কমিয়ে দিচ্ছে। তৈরি পোশাক খাতের এই রূপান্তরকে মোকাবিলা করা একই সঙ্গে একটি সামাজিক সুরক্ষা, একটি দক্ষতা উন্নয়ন এবং একটি শিল্প নীতি চ্যালেঞ্জ। যার জন্য শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন।

দক্ষতা বাড়াতে নানা উদ্যোগ কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে জিইডি। প্রতিষ্ঠানটি বলছে— কারিগরি শিক্ষাকে যুগোপযোগী করা, শ্রমিকের মজুরির পর্যাপ্ততা নিশ্চিত করা, শ্রম আইন সংস্কার, পেশাগত সুরক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ে নিশ্চয়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। সেই সঙ্গে সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের উদ্যোগও নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জিইডির সদস্য (সচিব) ড. মঞ্জুর হোসেন আগামীর সময়কে বলেছেন, ‘প্রাতিষ্ঠানিক উচ্চশিক্ষার তুলনায় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা (টিভিইটি) এখনও একটি সামাজিক হীনমন্যতা বহন করে। যার মূলে রয়েছে কায়িক শ্রম এবং নিম্ন আর্থ-সামাজিক অবস্থার সঙ্গে বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের ঐতিহাসিক যোগসূত্র। সামর্থ্যবান পরিবারগুলো তাদের সন্তানদের প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতার পেছনেই অগ্রাধিকার দিয়ে বিনিয়োগ করে। অথচ সেই যোগ্যতাগুলো থেকে কর্মসংস্থানের সুযোগ কম থাকে।’

তিনি জানালেন, সরকার জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন নীতি ২০২১-এর অধীনে এই পরিবর্তন মোকাবিলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং দক্ষতা উন্নয়ন সুনির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও বিনিয়োগ কর্মসূচির মাধ্যমে এই প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবায়ন করবে। এটা করা না গেলে একদিকে বাড়বে বেকার সংকট, অপর দিকে প্রয়োজনীয় কর্মী পাওয়া যাবে না। বিদেশী কর্মী নির্ভর হবে দেশের শিল্প।



দক্ষ জনবলকর্মীগার্মেন্টসআইসিটি
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise