সাক্ষাৎকার
মশকনিধনে বহুমুখী কার্যক্রম চলছে

সীমা শারমিন, প্রশাসক, পঞ্চগড় পৌরসভা
হিমালয় কন্যাখ্যাত দেশের সর্ব উত্তরের পঞ্চগড় পৌরসভা সম্পূর্ণ স্বায়ত্তশাসিত ও নিজস্ব আয়ে পরিচালিত একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। ১৯৮৫ সালের ১৫ জুন প্রতিষ্ঠিত প্রায় ২২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত এই পৌরসভায় ৯টি ওয়ার্ড ও ৩৭টি মহল্লায় প্রায় ৬৫ হাজার মানুষের বসবাস। নাগরিক সুবিধা ও মানসম্মত টাউন সার্ভিস প্রদান করাই মূলত আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
বর্তমানে নাগরিকদের কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিতে বহুমুখী কার্যক্রম চলমান। শহর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, বিশুদ্ধ পানীয়জল সরবরাহ, চলাচলের সুবিধার্থে রাস্তাঘাট উন্নয়ন এবং সুষ্ঠু ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিতে কাজ করছে পৌর প্রশাসন। পাশাপাশি মশক ও বেওয়ারিশ কুকুরনিধন, বেওয়ারিশ মরদেহ দাফন, বাজার ব্যবস্থাপনা, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও মা-শিশুদের টিকা প্রদানে নেওয়া হয়েছে কার্যকর পদক্ষেপ। এর বাইরেও শহর আলোকিতকরণ, ট্রেড লাইসেন্স ও সনদপত্র ইস্যু এবং দরিদ্র, দুস্থ ও বয়োবৃদ্ধদের ভিজিএফ খাদ্যসহায়তাসহ চিত্তবিনোদনের নানা ব্যবস্থা নিয়মিতভাবে পরিচালিত।
আগামীতে পঞ্চগড় পৌরসভাকে আরও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে বেশ কিছু ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। এর মধ্যে পৌরসভার সীমানা বর্ধিতকরণ, ‘ক’ শ্রেণির উপযোগী আধুনিক বর্ধিত ভবন ও পৌর মার্কেট নির্মাণ, নিজস্ব মিলনায়তন এবং পর্যটকদের জন্য উন্নতমানের রেস্টহাউজ স্থাপন অন্যতম। এ ছাড়া দাপ্তরিক কাজের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় যানবাহন ক্রয় এবং বিশুদ্ধ পানি সরবরাহে ওভারহেড ট্যাংক নির্মাণসহ পানির লাইন সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ। সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় একটি আধুনিক ও মডেল পৌরসভা গঠনে আমাদের নিরন্তর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।






