Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সুস্থতা

রোজায় সুস্থ ও ফিট থাকার ৭ উপায়

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৪৩
রোজায় সুস্থ ও ফিট থাকার ৭ উপায়

সংগৃহীত ছবি

পবিত্র রমজান মাস মানে আত্মশুদ্ধি মাস। সিয়ামের এ মাস আমাদের শেখায় ধৈর্য আর সহনশীলতা। সংযমের এই মাসে আমরা সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারের সময় যেন আমরা অনেক সুস্থ থাকার চেষ্টা করি।


তবে সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারের সময় শরীর যেন হঠাৎ করে অনেক কিছু চায়—মজাদার খাবার, ঠান্ডা শরবত, মিষ্টিসহ আরো অনেককিছু… কিন্তু আমরা কি কখনও ভেবে দেখি, কী খাচ্ছি আর সেটার প্রভাব আমাদের শরীরে কীভাবে পড়ছে? রমজানে আমরা খাদ্যভাসে আমাদের সচেতনতা বেশি প্রয়োজন।

সঠিক খাদ্যাভ্যাস শুধু আমাদের ক্ষুধা মেটায় না, বরং সারাদিন সুস্থ, সতেজ ও এনার্জেটিক থাকতে সাহায্য করে। রোজার সময় আমাদের শরীর দীর্ঘক্ষণ পানিশূন্য (ডিহাইড্রেটেড) থাকে, বিপাকক্রিয়া একটু ধীরগতিতে চলে, তাই সঠিক খাবার না খেলে ক্লান্তি, দুর্বলতা আর হজমের সমস্যার মতো ঝামেলায় পড়তে হয়।

কিন্তু যদি একটু পরিকল্পনা করে খাওয়া যায়, তাহলে এই রমজান শুধু ইবাদতই নয়, বরং শারীরিক ও মানসিকভাবে ফিট থাকার এক দারুণ সুযোগ হতে পারে!


সেহরি থেকে ইফতার পর্যন্ত কীভাবে স্বাস্থ্যকর খাবারের মাধ্যমে শক্তি ধরে রাখা যায়, কী খেলে শরীর সুস্থ থাকবে, আর কোন খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। আপনি যদি এই রমজানটা আরও ভালোভাবে কাটাতে চান, তাহলে চলুন, শুরু করা যাক!

রমজান শুরু করতে হয় সেহরি দিয়ে। তাই বলা যায়,সেহরি হচ্ছে রোজার দিনের জন্য আমাদের “ফুয়েল আপ”। যেভাবে গাড়িতে ভালো ফুয়েল না দিলে সেটি ঠিকমতো চলে না, তেমনি সঠিক খাবার না খেলে সারাদিন ক্লান্ত লাগবে, মাথা ঝিমঝিম করবে, এমনকি তৃষ্ণাও বেশি পেতে পারে। তাই এমন খাবার খাওয়া দরকার, যা দীর্ঘক্ষণ শক্তি জোগাবে এবং সহজে হজম হবে।

প্রোটিন আর ভালো ফ্যাট শরীরকে দীর্ঘক্ষণ কর্মক্ষম রাখে এবং হুট করে ক্ষুধা লাগতে দেয় না। তাই সেহরিতে রাখতে পারেন—

ডিম – এটি সহজলভ্য ও দুর্দান্ত প্রোটিনের উৎস। ভাজা না খেয়ে সেদ্ধ বা পোচ খেলে বেশি উপকারী।
দুগ্ধজাত খাবার – দুধ, দই বা ছানা খেলে ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন দুটোই পাওয়া যায়।
বাদাম ও চিয়া সিড – এগুলোতে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকে, যা হজম হয় ধীরে, ফলে দীর্ঘক্ষণ ক্ষুধা লাগে না।


ধীরে হজম হয় এমন খাবার আপনাকে সারাদিন উজ্জীবিত রাখবে। তাই সেহরিতে রাখতে পারেন—

চিনিগুড়া চালের ভাত – এটি সুগন্ধী ও হালকা, যা সহজে হজম হয় এবং দীর্ঘক্ষণ শক্তি দেয়।
ওটস – ফাইবার সমৃদ্ধ, তাই ধীরে ধীরে শক্তি সরবরাহ করে ও পেট ভরা রাখে।
লাল আটার রুটি – এটি সাধারণ সাদা আটার রুটির চেয়ে বেশি ফাইবারযুক্ত, যা দীর্ঘক্ষণ ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

রোজায় পানি কম খাওয়ার কারণে অনেকের মাথাব্যথা হয়, শরীর ক্লান্ত লাগে বা স্কিন ড্রাই হয়ে যায়। তাই সেহরিতে পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি।


ডাবের পানি বা লেবুর শরবত – এগুলো শরীরকে ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচায়।
চা-কফি কম খান – এগুলো বেশি খেলে পানি শোষিত হয়ে যায় এবং তৃষ্ণা বেশি লাগে।

অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে চলুন, এগুলো দ্রুত হজম হয়ে যায় এবং তাড়াতাড়ি ক্ষুধা লাগে। প্রচুর লবণযুক্ত খাবার (আচার, চিপস) খাবেন না, এতে সারাদিন বেশি তৃষ্ণা পাবে। সেহরির পরপরই ঘুমিয়ে পড়বেন না, এতে হজমে সমস্যা হতে পারে।

সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারের সময় আমরা যা খাই, সেটাই ঠিক করে আমাদের শরীর কেমন অনুভব করবে—উজ্জীবিত নাকি ক্লান্ত! ইফতারে ভারী বা অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার খেলে হঠাৎ করে শরীর ভারী লাগে, এনার্জি কমে যায়, এমনকি বদহজমও হতে পারে। তাই দরকার স্মার্ট খাবার নির্বাচন, যাতে শরীর পানিশূন্যতা কাটিয়ে দ্রুত রিচার্জ হয় এবং সারারাত ভালোভাবে সুস্থ থাকে।

ইফতার মানেই ভাজাপোড়া আর মিষ্টিজাতীয় খাবার—এ ধারণা থেকে বেরিয়ে আসা দরকার। সুন্নত অনুযায়ী খেজুর দিয়ে ইফতার করলে তা শরীরকে দ্রুত শক্তি দেয় এবং রক্তের গ্লুকোজ লেভেল স্বাভাবিক রাখে। এছাড়া—

রমজান শুধু আত্মিক পরিশুদ্ধির মাস নয়, বরং এটি আমাদের শরীর ও মনের জন্যও একটি প্রশিক্ষণের সময়। সারাদিন সংযমের পর যদি আমরা অসচেতনভাবে খাবার গ্রহণ করি, তাহলে তা শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই সঠিক খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

রমজানে শুধু শারীরিক সুস্থতা নয়, মানসিক স্বস্তির জন্যও সঠিক খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ। পুষ্টিকর খাবার আমাদের শক্তি দেয়, মন ভালো রাখে এবং ইবাদতে মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে। তাই আসুন, আমরা সচেতন হয়ে খাবার খাই, স্বাস্থ্যকর বিকল্প বেছে নেই এবং রমজানকে আরও সুন্দর ও উপকারী করে তুলি।



রমজানসুস্থা থাকাটিপস
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise