আংশিক ফলাফল দেখিয়ে বিভ্রান্তি, লালমনিরহাট-২ এ ধানের শীষই বিজয়ী

ছবিঃ আগামীর সময়
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লালমনিরহাট-২ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক বেশি ভোট পেলেও বিএনপির ‘ ’ প্রতীককে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে- এমন দাবিতে প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফলের একটি বার্তা শিট ছড়িয়ে পড়েছে।
প্রচারিত ওই শিটে দেখা যায়, দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছে ৬৫,৬১২ ভোট এবং ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছে ৬৪,৮১২ ভোট।
তবে যাচাই করে দেখা যায়, দাবিটি সঠিক নয়। লালমনিরহাট-২ আসনটি কালীগঞ্জ ও আদিতমারী উপজেলা নিয়ে গঠিত, যেখানে মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৫৫টি। এর মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো বার্তা শিটটি শুধুমাত্র কালীগঞ্জ উপজেলার ৮৩টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফল নিয়ে তৈরি।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত ভোটকেন্দ্রের তালিকা অনুযায়ী, আদিতমারী উপজেলার আরও ৭২টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে, যা ওই বার্তা শিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
দুই উপজেলার সম্মিলিত ১৫৫টি ভোটকেন্দ্রের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোট ১,২৩,৯৪৬ ভোট পেয়েছেন এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ১,১৭,২৫২ ভোট।
দেখুন
অর্থাৎ, কালীগঞ্জ উপজেলার ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও আদিতমারী উপজেলার ভোট যুক্ত হওয়ার পর সামগ্রিক ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীই বিজয়ী হন। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেবল একটি উপজেলার আংশিক ফলাফলের বার্তা শিট ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর দাবি প্রচার করা হচ্ছে।

