ক্রয় কমিটির সিদ্ধান্ত
কেনা হবে ৯ কার্গো এলএনজি
- রাশিয়া-কানাডা-সৌদি থেকে ৯৬৯ কোটি টাকার সার

জ্বালানি, কৃষি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), সার ও চিনি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ট্রাফিগুরার কাছ থেকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৭-এর ডিসেম্বর পর্যন্ত ৯ কার্গো এলএনজি কেনা হবে। পাশাপাশি রাশিয়া, কানাডা ও সৌদি আরব থেকে ৯৬৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকার সার এবং মেঘনা সুগার রিফাইনারি থেকে ১০ হাজার টন চিনি কেনা হবে।
গতকাল বুধবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী থাইল্যান্ড থেকে অনলাইনে বৈঠকে অংশ নেন।
অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, ট্রাফিগুরার কাছ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারের জাপান-কোরিয়া মার্কার (জেকেএম) সূচকের চেয়ে প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিটে (এমএমবিটিইউ) ১০ সেন্ট কম দামে এলএনজি কেনা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী দুই পক্ষের সম্মতিতে কার্গোর সংখ্যা কমানো বা বাড়ানো যাবে। এ ছাড়া জিটুজি পদ্ধতিতে এলএনজি কেনার দুটি প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
রাশিয়া, কানাডা ও সৌদি আরব থেকে ১ লাখ ১৫ হাজার টন মিউরিয়েট অব পটাশ (এমওপি) এবং ৪০ হাজার টন ডিএপি সার আমদানি করা হবে। এতে ব্যয় হবে ৯৬৯ কোটি ৪৭ লাখ ১৪ হাজার ৮৫০ টাকা। রাশিয়ার প্রতিষ্ঠান প্রোডিনটর্গ থেকে ৩৫ হাজার টন এমওপি সার কিনতে ব্যয় হবে ১৬৬ কোটি ৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা। কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশন থেকে দুই লটে ৮০ হাজার টন এমওপি সার কেনা হবে ৩৭৭ কোটি ৭৯ লাখ ১৪ হাজার টাকায়। আর সৌদি আরবের মা’আদেন থেকে ৪০ হাজার টন ডিএপি সার কিনতে ব্যয় হবে ৪২৫ কোটি ৫৮ লাখ ১০ হাজার টাকা।
মেঘনা সুগার রিফাইনারি থেকে দুই দফায় ১০ হাজার টন চিনি কেনার প্রস্তাবও অনুমোদন পেয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ১০৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। প্রথম প্রস্তাবে পাঁচ হাজার টন চিনি কিনতে ব্যয় হবে ৫১ কোটি ৪৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতি কেজির দাম পড়বে ১০২ টাকা ৯৫ পয়সা। দ্বিতীয় প্রস্তাবে একই পরিমাণ চিনি কিনতে ব্যয় হবে ৫১ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।



