Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় অর্থনীতি

যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে সারাদেশের পেট্রল পাম্প

নিজস্ব প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩৭
যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে সারাদেশের পেট্রল পাম্প

সংগৃহীত ছবি

জ্বালানি তেলের ঘাটতি ও চরম নিরাপত্তাহীনতার কারণে দেশের সব পেট্রল পাম্প যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

রবিবার (২২ মার্চ) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানায়, সারা দেশের পেট্রল পাম্পগুলো বর্তমানে মারাত্মক সংকটে রয়েছে। কোম্পানিগুলো থেকে প্রতিদিন যে পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হচ্ছে, তা দিয়ে গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

এর ফলে মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য যানবাহনের চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। একইসঙ্গে দীর্ঘ সময় বিরামহীন কাজের চাপে পাম্পের কর্মীরা শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন। পর্যাপ্ত সরবরাহের অভাবে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে দাবি সংগঠনটির।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জ্বালানি বিপণন ব্যবস্থায় নিরাপত্তার বিষয়টি সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন কার্যত উপেক্ষা করছে। পাম্পে তেল বিক্রির সময় কোনো কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় বিশৃঙ্খলা বাড়ছে।

সংগঠনটির তথ্যমতে, ঈদের আগের দিন একটি পাম্পে প্রায় ১০ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রল ও সমপরিমাণ অকটেন মজুদ ছিল, অন্য একটি পাম্পে ছিল প্রায় ৮ হাজার লিটার জ্বালানি। স্বাভাবিক অবস্থায় এসব মজুদ কয়েকদিন চলার কথা থাকলেও হঠাৎ অতিরিক্ত চাপ ও বিশৃঙ্খলার কারণে অল্প সময়েই শেষ হয়ে যায়।

এ পরিস্থিতিকে ‘লুটতরাজের’ সঙ্গে তুলনা করে সংগঠনটি অভিযোগ করে, অনেক মোটরসাইকেল চালক দিনে একাধিকবার তেল নিয়ে বেশি দামে বিক্রি করছেন। কেউ কেউ আংশিক ভর্তি ট্যাংক নিয়েও বারবার তেল নিচ্ছেন, ফলে প্রকৃত গ্রাহকরা বঞ্চিত হচ্ছেন এবং পাম্প এলাকায় বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে।
এছাড়া গভীর রাতে সংঘবদ্ধভাবে পাম্পে এসে জোরপূর্বক তেল নেওয়ার ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ের একটি ঘটনার উদাহরণ দিয়ে বলা হয়, সেখানে লাঠিসোঁটা নিয়ে এসে জ্বালানি সরবরাহ চলাকালে পুরো মজুদ শেষ করে দেওয়া হয়েছে।

সংগঠনটি আরও জানায়, ডিপো থেকে তেল পরিবহনের সময়ও নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ছে। ট্যাংকার লুট হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত কার্যকর নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন (লিফটিং) বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবেন পাম্প মালিকরা।

এদিকে ঈদের আগের দিন অনেক পাম্পে জরুরি সেবার জন্য ২০০ লিটার অকটেনও সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়নি। কিছু ক্ষেত্রে জোরপূর্বক পাম্প খুলে সেই জ্বালানি নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে পাম্পগুলোতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জোরদার উপস্থিতি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। অন্যথায়, সারা দেশে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাই ভেঙে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে তারা।

জ্বালানিফেসবুকমোটরসাইকেলইরান ইসরায়েল সংঘাতবাংলাদেশজ্বালানি সংকট
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise