Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

দুই মালিক সমিতির দ্বন্দ্বে হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে বাস চলাচল বন্ধ

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ১২ মে ২০২৬, ১৪:৫৭
দুই মালিক সমিতির দ্বন্দ্বে হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে বাস চলাচল বন্ধ

ছবি: আগামীর সময়

মৌলভীবাজার বাস মালিক সমিতির সঙ্গে রুট নিয়ে বিরোধের জেরে সিলেট বিভাগের সঙ্গে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে হবিগঞ্জ বাস মালিক সমিতি।

আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে ধর্মঘট চলছে হবিগঞ্জ থেকে সিলেটগামী তিনটি রুটে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন সাধার‌ণ যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা। বেশি বিপাকে পড়েছেন নারী, শিশু ও রোগীরা।

হবিগঞ্জের বিভিন্ন সড়কে গিয়ে দেখা যায়, অনেকে ছোট যানবাহনে ভেঙে ভেঙে যাচ্ছেন গন্তব্যে। এতে গুনতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া। কেউ কেউ আবার ফিরে যাচ্ছেন টার্মিনাল থেকে।

হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার-সিলেট রুটটি মৌলভীবাজার জেলার ওপর দিয়ে গেছে। দুই বছর ধরে এ রুটে হবিগঞ্জের বাস চলাচল নিয়ে বিরোধ চলছে দুই জেলার মালিক সমিতির মধ্যে। এ নিয়ে একাধিকবার হামলা, পাল্টা হামলাসহ ঘটেছে বাস চলাচল বন্ধের ঘটনাও।

সবশেষ গত রবিবার মৌলভীবাজারের কিছু বাস শ্রমিক শেরপুর সেতু এলাকায় বন্ধ করে দেন তাদের জেলার প্রবেশপথ। এর পাল্টা জবাবে টোলপ্লাজা এলাকায় বাস আটকে দেন হবিগঞ্জের শ্রমিকরা। এতে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে। ঘটেছে কয়েকটি বাসে ভাঙচুরের ঘটনাও। সেদিন দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কার্যত বন্ধ ছিল মহাসড়কে যান চলাচল। গতকাল সোমবার সারাদিন বাস চলাচল বন্ধ ছিল।

আজ মঙ্গলবার হামলার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ঘোষণা দেন হবিগঞ্জ বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু মঈন চৌধুরী সোহেল।

আজ সকাল ৯টায় দুই পক্ষের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক জিএম সরফরাজ মালিক। দ্বন্দ্ব নিরসনে আলোচনা হয় সিলেট বিভাগের পরিবহন মালিক নেতাদের সঙ্গেও। তবে এ বিষয়ে কোনো সমাধান হয়নি বেলা ১টা পর্যন্ত।

মৌলভীবাজার বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রব মিয়া দাবি করেছেন, বৈধ কাগজপত্র রয়েছে হবিগঞ্জের মাত্র আটটি বাসের। বাকি গাড়িগুলো অবৈধ ও ফিটনেসবিহীন। তাই সেগুলো চলতে দেওয়া হবে না তাদের জেলার ওপর দিয়ে।

তার ভাষ্য, ‘হবিগঞ্জের সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাদের কোনো বিরোধ নেই। এটি দুই বাস মালিক সমিতির অধিকার আদায়ের বিষয়।’

অন্যদিকে হবিগঞ্জ বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু মঈন চৌধুরী সোহেল বলেছেন, ‘গাড়ির কাগজপত্রের বিষয়টি দেখার দায়িত্ব সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের।’

তার দাবি, মৌলভীবাজারের বাসে যাত্রী কম হওয়ায় তারা বাধা দিচ্ছে হবিগঞ্জের বাস চলাচলে। এ রুটে হবিগঞ্জের বাসের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত চলবে ধর্মঘট।
প্রয়োজনে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

আজ দুপুরে নির্মাণশ্রমিক কাজে যোগ দিতে হবিগঞ্জ টার্মিনালে যান বানিয়াচং উপজেলার নসিবুর, আজিমুল, লাকুছ ও আবু তালেবসহ কয়েকজন। বাস না পেয়ে বাড়তি ভাড়ায় অটোরিকশায় রওনা দেন তারা।

তাদের ভাষ্য, ‘ঠিকাদার জরুরি ভিত্তিতে কাজে যোগ দিতে বিকাশে অতিরিক্ত টাকা পাঠিয়েছেন। না গেলে পরে কাজ নাও মিলতে পারে। তাই বাধ্য হয়ে বেশি ভাড়ায় যেতে হচ্ছে।’

লাখাই উপজেলার মধ্যসিংহ গ্রামের দিলারা বেগম দুই মেয়ে ও নাতিকে নিয়ে অসুস্থ ভাইকে দেখতে যাচ্ছিলেন সিলেটে। তিনি জানিয়েছেন, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন তার ভাই। কিন্তু টার্মিনালে গিয়ে ফিরে যেতে হয়েছে বাস না পেয়ে। ধর্মঘট শেষ হলে অথবা বিকল্প উপায়ে আবার রওনা দেবেন।

শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান জানিয়েছেন, দুই জেলার শ্রমিকদের বিরোধের কারণে প্রায়ই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়। সোমবার প্রায় চার ঘণ্টা চেষ্টার পর মহাসড়কের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে পুলিশ। তবে দুই পক্ষের অবস্থান অনড় থাকায় মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত সংকট নিরসনের কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

হবিগঞ্জ বাস মালিক সমিতির ১০৮টি বাস বন্ধ থাকায় প্রায় ১ হাজার ২০০ শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন বলে মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে।

ধর্মঘটহবিগঞ্জবাস মালিক সমিতিবাস চলাচল বন্ধসিলেটমৌলভীবাজার
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise