শরণখোলা
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ও হরিণ শিকার, আটক ৭

ছবি: আগামীর সময়
সুন্দরবনে চলমান তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হরিণ শিকার ও মাছ ধরায় চার শিকারি ও তিন জেলেকে আটক করেছেন বনরক্ষীরা। এ সময় দুটি ট্রলার, হরিণ শিকারের ফাঁদ এবং মাছ ধরার জাল জব্দ করা হয়।
আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা করে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে বাগেরহাট আদালতে পাঠিয়েছে বনবিভাগ।
এর আগে বুধবার (১০ জুন) বিকাল ও সন্ধ্যায় পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের শ্যালার চর ফরেস্ট অফিসের ছাপড়াখালী এবং সুপতি অভয়ারণ্য কেন্দ্রের ডোরা এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটক শিকারিরা হলেন শরণখোলার উত্তর রাজাপুর গ্রামের সোলায়মান হাওলাদার (৪০), রাসেল (৩৮), নয়ন বিশ্বাস (১৭) ও নুর আলম (১৮)। আটক জেলেরা হলেন হিরু (৪০), আলমগীর (৩৫) ও তামীম মৃধা (১৯)। তাদের বাড়ি বরগুনা জেলার ছোট পাথরঘাটা গ্রামে।
বনবিভাগ জানায়, বুধবার সন্ধ্যায় ছাপড়াখালী বনাঞ্চলে একটি ট্রলারে অবস্থান নিয়ে হরিণ শিকারের জন্য ফাঁদ পেতেছিলেন চোরা শিকারিরা। নিয়মিত টহলের সময় শরণখোলা রেঞ্জের স্মার্ট টিম ট্রলারটিতে অভিযান চালিয়ে চার শিকারিকে আটক করে। পরে বনাঞ্চলে তল্লাশি চালিয়ে হরিণ শিকারের ফাঁদ উদ্ধার করা হয়।
একই দিন বিকালে সুপতি অভয়ারণ্য কেন্দ্রের বনরক্ষীরা ডোরা এলাকায় মাছ ধরার সময় একটি ট্রলারসহ তিন জেলেকে হাতেনাতে আটক করেন।
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বনসংরক্ষক (এসিএফ) মো. শরিফুল ইসলাম জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে মাছ ধরাসহ সব ধরনের বনজ সম্পদ আহরণ এবং পর্যটক প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
তার ভাষ্য, এ সময় চোরা শিকারি চক্র ও অসাধু জেলেরা বিভিন্ন অপতৎপরতার চেষ্টা করে। এসব চক্র যাতে কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালাতে না পারে, সে জন্য বনবিভাগের টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।






