Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

কাগজে বাড়ছে নদীতে কম

  • চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনায় কমেছে ইলিশের উপস্থিতি
শরীফুল ইসলাম, চাঁদপুর
agamir somoy
প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১১:৩৬
কাগজে বাড়ছে নদীতে কম

সরকারি পরিসংখ্যানে দেশে ইলিশ উৎপাদন বাড়লেও নদীপাড়ের বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা। চাঁদপুরের জেলে, আড়তদার ও ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, আগের তুলনায় পদ্মা-মেঘনা নদীতে কমেছে ইলিশের উপস্থিতি। একদিকে সরকারি হিসাবে লাখ টন উৎপাদনের সাফল্য, অন্যদিকে জেলেদের খালি জাল ও বাজারে চড়া দাম— এই বৈপরীত্য প্রশ্ন তুলছে ইলিশের প্রকৃত উৎপাদন, তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি এবং নদীভিত্তিক মৎস্যসম্পদের বর্তমান অবস্থা নিয়ে।

মৎস্য বিভাগের পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশে ইলিশ উৎপাদন হয়েছিল ৫ লাখ ১৭ হাজার টন। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে উৎপাদন বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৫ লাখ ৩২ হাজার টনে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে উৎপাদন দেখানো হয়েছিল ৫ লাখ ৫০ হাজার টন। ২০২০-২১ অর্থবছরে ১৫ টন বেড়ে উৎপাদন দাঁড়িয়েছিল ৫ লাখ ৬৫ হাজার টনে। অবশ্য ২০২১-২২ অর্থবছরে উৎপাদন হয়েছিল ৫ লাখ ৬৬ হাজার টন। উৎপাদন বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় ২০২২-২৩ অর্থবছরে ইলিশ আহরণ দেখানো হয়েছিল ৫ লাখ ৭১ হাজার টন। তবে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে উৎপাদন নেমে এসেছিল ৫ লাখ ২৯ হাজার টনে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এসে তা দাঁড়িয়েছিল ৫ লাখ টনে।

তবে এই পরিসংখ্যান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন খোদ জেলেরাই। চাঁদপুর, শরীয়তপুর ও লক্ষ্মীপুরের কয়েকজন মৎস্যজীবীর ভাষ্য, নদীতে আগের মতো পাওয়া যাচ্ছে না ইলিশ।

চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার জেলে রফিক মোল্লা জানিয়েছেন, সরকারি হিসাবে প্রতি বছর উৎপাদন বাড়ার যে তথ্য তুলে ধরা হচ্ছে, বাস্তবে নদীতে দেখা যাচ্ছে না তার কোনো প্রতিফলন। দিন-রাত জাল ফেলেও এখন আগের মতো পাওয়া যায় না মাছ।

সরকারি তথ্যের সঙ্গে বাস্তবতার পার্থক্যের স্পষ্ট চিত্র দেখা যায় দেশের অন্যতম বৃহৎ আড়ত চাঁদপুরের বড় স্টেশন মাছঘাটে। আড়ত সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে প্রতিদিন যেখানে গড়ে এক থেকে দেড় হাজার মণ ইলিশ সরবরাহ হতো, বর্তমানে তা নেমে এসেছে মাত্র ২০০ থেকে ৩০০ মণে। ভরা মৌসুম হিসেবে পরিচিত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরেও এখন ৫০০ থেকে ৭০০ মণের বেশি মাছ আসছে না ঘাটে।

অবশ্য ইলিশ উৎপাদন কমে যাওয়ার পেছনে কয়েকটি মুখ্য কারণের কথা জানিয়েছে মৎস্য অধিদপ্তর। সংস্থাটির কর্মকর্তারা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তন, অনিয়ন্ত্রিত মাছ আহরণ, অভয়াশ্রম ও প্রজনন স্থান নষ্ট, জেলিফিশ বেড়ে যাওয়া, বিগত সময়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে মাছ আহরণের নিষিদ্ধ সময়ের মধ্যে দীর্ঘ ব্যবধান, প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও দূষণের কারণে কমছে উৎপাদন।

ইলিশ রক্ষা ও উৎপাদন নিয়ে গবেষণা অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন চাঁদপুর মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. তায়েফা আহমেদ। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, দেশে ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধির ধারা বজায় আছে।

গবেষণার তথ্য ও বাস্তব পরিস্থিতির পার্থক্য প্রসঙ্গে তার বক্তব্য, ইলিশ উৎপাদন বাড়ছে কি না— তা অনেকটাই নির্ভর করছে মা ইলিশ ও জাটকা রক্ষা কার্যক্রম কতটা সফলভাবে বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে, এর ওপর।

চাঁদপুরইলিশমেঘনা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise