দুই বছরের প্রকল্পে ১৩ বছর পার

খুলনা মহানগরীর শিপইয়ার্ড সড়ক। ছবি: সংগৃহীত
‘শুকনা মৌসুমে প্রচণ্ড ধুলোবালি আর বর্ষায় কাদাপানি, এর সঙ্গে রয়েছে গর্তে ভরা সড়ক। এ কারণে সহজে এই সড়কে পা ফেলে না কেউ। লোকজন না আসায় দোকানে ক্রেতা নেই, আয় নেই, টিকে থাকা হয়ে পড়েছে মুশকিল। ব্যবসায় অব্যাহত লোকসানে পুঁজি খুইয়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছি, কেউ কেউ হয়েছেন দেউলিয়া’— কথাগুলো বলছিলেন খুলনা মহানগরীর শিপইয়ার্ড সড়কে তেরগোলার কাঠ ব্যবসায়ী মো. ফারুক হোসেন।
সড়কটির দুপাশে রয়েছে ছোট-বড় কমপক্ষে ৫০০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। ব্যবসায়ীদের অনেকেই ফারুকের সঙ্গে গলা মিলিয়ে শোনালেন অসহায়ত্বের কথা। ২০০৮ সাল থেকেই সড়কটি বেহাল। এরপর দিনে দিনে আরও খারাপ হয়েছে সড়কটির অবস্থা। এ কারণে ক্ষতি হচ্ছে তাদের। সড়কটি ঘিরে প্রতিষ্ঠিত স্কুল-কলেজের শিক্ষকরা জানালেন, বেহাল সড়কের কারণে বর্ষা মৌসুমে ক্লাসে অনেক কমে যায় শিক্ষার্থী।
কেডিএ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়নে ২০১৩ সালের জুলাইয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) প্রকল্প অনুমোদন হয়। ৯৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে দুই বছর মেয়াদি প্রকল্পটি শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৫ সালের জুনে।




