স্কুলের বাথরুম থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ছাত্রী উদ্ধার

উদ্ধার শিক্ষার্থী
খুলনার দিঘলিয়ায় সউলের বাথরুম থেকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় এক ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাথরুমের ভেতর থেকে গোঙানির শব্দ শুনে নির্মাণশ্রমিকরা তালা ভেঙে তাকে উদ্ধার করেন। অসুস্থ অবস্থায় স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাকে খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ওই ছাত্রী দিঘলিয়া উপজেলার গাজীরহাট নঈমউদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটি হলে শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা চলে যান। সন্ধ্যার দিকে বিদ্যালয়ের নির্মাণকাজে নিয়োজিত কয়েকজন শ্রমিক একটি বাথরুমের ভেতর থেকে অস্বাভাবিক শব্দ শুনতে পান। পরে কাছে গিয়ে নারীকণ্ঠের গোঙানি শুনে তাদের সন্দেহ হয়। বাথরুমের তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তারা ওই ছাত্রীকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় এক চিকিৎসকের চেম্বারে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাকে খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ওই ছাত্রীর মায়ের দাবি, স্কুল ছুটির পর বাথরুমে ঢোকার সময় পেছন থেকে কেউ তার মেয়ের মাথায় আঘাত করে। এতে সে মাটিতে পড়ে গেলে দুর্বৃত্তরা তার হাত-পা ও মুখ বেঁধে বাথরুমে রেখে যায়। তার মেয়ের শরীরে ইনজেকশন পুশ করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। এ ছাড়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্লেড দিয়ে কাটার চিহ্ন রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাওলাদার সানওয়ার হুসাইন মাসুম জানিয়েছেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই ছাত্রী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছে। তবে হামলাকারীদের সে দেখতে পায়নি।
ওসি আরও জানান, কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। তবে শুক্রবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা হয়নি।







