শিশু সেহেরিশের সঙ্গে তার বাবা-দাদুও নিহত

ছবিতে নিহত জাকারিয়া জনি (ডানে), তার বাবা মজিদ সরদার (চাদর পরিহিত) ও চার বছরের মেয়ে শেহেরিশ। ছবি: সংগৃহীত
চার বছর বয়সী শিশু সেহেরিশ চুয়াডাঙ্গায় আত্মীয়ের বাড়ি থেকে পরিবারের সঙ্গে প্রাইভেটকারে করে যশোরের মনিরামপুরে নিজ বাড়িতে ফিরছিল। পথে তাদের প্রাইভেটকারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাছে ধাক্কা লাগে। এতে প্রাণ হারায় সেহেরিশসহ তার বাবা ও দাদু।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন প্রাইভেটকারে থাকা সেহেরিশের পরিবারের আরও তিনজন। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (২৩ মার্চ) দিবাগত রাত ২টার দিকে বাঘারপাড়া উপজেলার যশোর-মাগুরা মহাসড়কের বন্দবিলা ইউনিয়নের গাইদঘাট বাজারে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- মনিরামপুর উপজেলার ফাতেহাবাদ গ্রামের আবদুল মজিদ সরদার, তার ছেলে মাহমুদ হাসান জাকারিয়া ও তার নাতনি সেহেরিশ। আহত তিনজন হলেন আবদুল মজিদ সরদারের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম, পুত্রবধূ সাবরিনা জাহান ও নাতি সামিন আলমাস।
ঝিনাইদহের বারোবাজার হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদ হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, হতাহতরা আত্মীয়বাড়ি থেকে প্রাইভেটকারে যশোরের মনিরামপুরে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে যশোর-মাগুরা মহাসড়কের গাইদঘাটে পৌঁছলে প্রাইভেটকারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বটগাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলে মজিদ সরদার ও তার ছেলে মাহমুদ হাসান নিহত হন। আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায় সেহেরিশ। আহত বাকি তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এসআই জাহিদ হোসেন জানান, কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

