Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
শাহনাজের হাত ধরে স্বাবলম্বী ৭০০ নারী
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

বৃষ্টি হলেই জুতা হাতে পথ চলা, দুর্ভোগে এলাকাবাসী

রামু (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০২৬, ১০:০৪
বৃষ্টি হলেই জুতা হাতে পথ চলা, দুর্ভোগে এলাকাবাসী

কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের বেহাল সড়ক। ছবি: আগামীর সময়

দীর্ঘদিন ধরে বেহাল পড়ে আছে কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের সড়ক। ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর খুনিয়াপালং থেকে ২ নম্বর ওয়ার্ডের কেচুনিয়া পর্যন্ত সড়কটির অবস্থান।সামান্য বৃষ্টিতেই সড়ক জুড়ে কাদা ও পানি জমে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। প্রতিদিন প্রায় ৫ থেকে ১০ হাজার মানুষের একমাত্র যাতায়াতের এই সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতি বর্ষা মৌসুম এলেই সড়কটির অবস্থা আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। কাদামাটি, বড় বড় গর্ত ও ভাঙাচোরা অংশের কারণে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। জুতা হাতে নিয়ে কাদার মধ্যে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছাতে হয় তাদের। ভারী বৃষ্টির সময় মোটরসাইকেল, অটোরিকশাসহ অন্যান্য যানবাহনের চলাচলও বন্ধ হয়ে যায়। এতে জরুরি রোগী পরিবহনেও সৃষ্টি হচ্ছে চরম ভোগান্তি।

স্থানীয় বাসিন্দা আবু ছৈয়দ, ওবাইদুল হক ও শামসুল আলম জানিয়েছেন, প্রতিদিন পরিষ্কার পোশাক পরে ঘর থেকে বের হলেও কিছু দূর যেতেই জুতা খুলে হাতে নিয়ে কাদার মধ্যে হাঁটতে হয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীদের জন্য এটি বড় ধরনের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


আরও পড়ুন

ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের কথা বলে হেনস্থা করা হয় অভিনেত্রীকে

৩০ জুলাই ২০২৬



খুনিয়াপালং একতা ও সমাজকল্যাণ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সোহেলের ভাষ্য, প্রতিবছর বর্ষা এলেই সড়কটির অবস্থা নাজুক হয়ে পড়ে। কাদা, পানি ও ভাঙা রাস্তার কারণে প্রতিদিন হাজারো মানুষ দুর্ভোগে পড়েন। অথচ দীর্ঘদিনেও এর স্থায়ী সমাধানে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।

তিনি বলেছেন, ‘কয়েক দিন আগে আমার সংগঠনের পক্ষ থেকে বালুর বস্তা ফেলে পথচারীদের চলাচলের উপযোগী করার চেষ্টা করেছি। তবে সমাজের তরুণদের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও যদি এগিয়ে আসতেন, তাহলে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করা সম্ভব হতো।’

স্থানীয়রা জানান, নির্বাচনের আগে জনপ্রতিনিধিরা সড়কটি দ্রুত সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচন শেষ হওয়ার পর আর সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন দেখা যায় না। বছরের পর বছর একই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।

তাদের দাবি, এই সড়কটি শুধু দুটি ওয়ার্ডের মানুষের নয়, আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষেরও গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগমাধ্যম। কিন্তু দীর্ঘদিনের অবহেলায় পড়ে থাকায় জনদুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছেই।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদীন বাবুলের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংযোগ না পাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

খুনিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হক কোম্পানি বলেছেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে আগে জানতাম না। ইউনিয়ন পরিষদে একটি লিখিত আবেদন করা হলে আমরা দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সদস্যকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে।’


বেহাল সড়কসড়ককক্সবাজাররামুখুনিয়াপালং ইউনিয়ন
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন: