Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
শাহনাজের হাত ধরে স্বাবলম্বী ৭০০ নারী
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

শ্বশুরবাড়িতে গৃহবধূর লাশ, স্বামী-শাশুড়ি পলাতক

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ০৭ আগস্ট ২০২৬, ১৪:৫১
শ্বশুরবাড়িতে গৃহবধূর লাশ, স্বামী-শাশুড়ি পলাতক

নিহত তাহমিনা আক্তার

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় স্বামীর বাড়ি থেকে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহ উদ্ধারের সময় বাড়িতে তার স্বামী, শাশুড়িসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের কাউকে পাওয়া যায়নি।

নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে তার স্বামী ও স্বজনদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ তোলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের বাঘাসুরা গ্রামের তাহির মিয়ার বসতঘরের বিছানা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

ওই গৃহবধূর নাম তাহমিনা আক্তার (২৫)। তিনি একই উপজেলার বুল্লা ইউনিয়নের রামেশ্বর গ্রামের ওসমান মিয়ার মেয়ে। সাত বছর আগে বাঘাসুরা গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে তাহির মিয়ার সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে তিনটি সন্তান রয়েছে।

নিহতের বাবা ওসমান মিয়া অভিযোগ করেছেন, বিদেশে যাওয়ার জন্য তার মেয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে টাকা দাবি করছিলেন তাহমিনার স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা। টাকা দিতে না পারায় তাহমিনার ওপর নির্যাতন চালানো হতো। প্রায় তিন মাস আগে টাকার বিষয় নিয়ে তাহমিনাকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছিল।

এরপরও বিভিন্ন সময়ে তাকে মারধর করা হয়। সর্বশেষ টাকা না দেওয়ায় স্বামী, শাশুড়ি ও পরিবারের অন্য সদস্যরা মিলে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।


আরও পড়ুন

মানবিক বিচারকের অভাবই বিচার বিভাগের সবচেয়ে বড় সংকট

০৭ আগস্ট ২০২৬


তাহমিনার ভাই আলমগীর মিয়া জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতে ভাতিজার মোবাইল ফোন থেকে কল করে জানানো হয়, তাহমিনা অসুস্থ। ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি বোনকে বিছানায় মৃত অবস্থায় দেখতে পান। তখন বাড়িতে স্বামী, শাশুড়িসহ পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি।

নিহতের চাচাতো ভাই আনুব আলী জানান, প্রায় তিন মাস আগেও তাহমিনাকে মারধর করা হয়েছিল। এ সময় তার ভাসুরের স্ত্রী তাকে ছুরিকাঘাত করেন। পরে তিনি বাবার বাড়িতে চলে যান। কিছুদিন আগে স্বামী তাকে আবার শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে আসেন।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহেল রানা জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

তিনি জানান, স্থানীয় কয়েকজন নারী দাবি করেছেন, তাহমিনা গলায় ফাঁস দিয়েছেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মরদেহ উদ্ধারহবিগঞ্জহত্যা
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন: