Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

আমরাইদ পশুর হাটে কাদায় ভোগান্তি, ক্রেতার চেয়ে দর্শনার্থী বেশি

কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৬, ১৮:১৪
আমরাইদ পশুর হাটে কাদায় ভোগান্তি, ক্রেতার চেয়ে দর্শনার্থী বেশি

ছবি: আগামীর সময়

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে গাজীপুরের কাপাসিয়ার ঐতিহ্যবাহী আমরাইদ পশুর হাট জমে উঠেছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া নিয়ে ব্যবসায়ীরা হাটে আসতে শুরু করেন। দুপুরের মধ্যেই কোরবানির পশুতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে হাট। তবে বৃষ্টির কারণে কাদা এবং পশুর তুলনায় ক্রেতা কম থাকায় অনেক ব্যবসায়ী দুশ্চিন্তায়। তারা জানালেন, ক্রেতার চেয়ে দর্শনার্থী বেশি।

স্থানীয়দের মতে, ঢাকা, কিশোরগঞ্জ ও নরসিংদী অঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ পশুর হাট হিসেবে পরিচিত আমরাইদ বাজারে সাধারণত সপ্তাহে মঙ্গলবার ও শুক্রবার হাট বসে। কোরবানির ঈদ উপলক্ষে এখন দুই হাটবারেই পশু কেনাবেচা চলছে।

হাট ঘুরে দেখা যায়, বহু গরু, মহিষ, ষাঁড় ও ছাগল বিক্রি করতে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। দেশীয় মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি থাকায় এ ধরনের গরুর দাম তুলনামূলক চড়া। হাটে সবচেয়ে বড় একটি গরুর দাম হাঁকা হয়েছে ১১ লাখ টাকা।

কিশোরগঞ্জ থেকে ১০টি ষাঁড় নিয়ে আসা পাইকার কামাল হোসেন জানান, বাজারে দাম কিছুটা কম। এখন পর্যন্ত মাত্র একটি গরু বিক্রি করতে পেরেছেন তিনি।

নরসিংহপুর গ্রামের খামারি সোলাইমান পাঁচটি মহিষ নিয়ে হাটে এসেছেন। এর মধ্যে একটি বিক্রি হয়েছে। তার ভাষ্য, পালন খরচ অনেক বেড়েছে, কিন্তু সেই অনুপাতে দাম পাওয়া যাচ্ছে না।

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থেকে ৬টি বড় ষাঁড় নিয়ে আসা পাইকার বাদশা উল্লেখ করেন, চারটি গরু বিক্রি হয়েছে এবং বাজারে দাম মোটামুটি রয়েছে। পাবনা থেকে আসা জাফর মোল্লা জানান, তিনি ১৬টি গরু এনেছেন, যার মধ্যে ১৪টি ইতোমধ্যে বিক্রি হয়েছে।

অন্যদিকে হাতিরদিয়ার ব্যবসায়ী কাদির বলেছেন, ১০টি গরুর মধ্যে চারটি বিক্রি হয়েছে। বাজারে গরু বেশি হলেও ক্রেতা কম।

রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ১৬টি মহিষ নিয়ে আসা কামরুল ইসলাম জানান, এখন পর্যন্ত মাত্র দুটি মহিষ বিক্রি হয়েছে। ক্রেতা কম থাকায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

আরও পড়ুন

অনিবন্ধিত রেস্তোরাঁ বাড়াচ্ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

২৬ মে ২০২৬

এ দিকে ক্রেতাদের অভিযোগ, মাঝারি আকারের দেশি গরুর দাম তুলনামূলক বেশি হওয়ায় অনেকে কাঙ্ক্ষিত পশু কিনতে পারছেন না।

গফরগাঁওয়ের দত্তের বাজার থেকে আসা আলী হোসেন ও উসমান গণী বললেন, দেশি মাঝারি গরু কিনতে এলেও দাম বেশি হওয়ায় না কিনেই ফিরে যেতে হচ্ছে। অন্য হাটে গিয়ে দেখবেন বলে জানান তারা।

দুপুর পর্যন্ত হাটে ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতার তুলনায় দর্শনার্থীর সংখ্যা বেশি। অনেকে গরুর দাম জিজ্ঞাসা করছেন, দরদামও করছেন, তবে কেনাকাটা করছেন না।

কয়েকজন ক্রেতা জানান, গত বছরের তুলনায় এবার কোরবানির পশুর দাম বেশি মনে হচ্ছে।

হাটের ইজারাদার তৌকির সিকদার জানান, পাঁচজন মিলে প্রায় ৫ কোটি টাকা দিয়ে হাটের ইজারা নিয়েছেন। দূর-দূরান্ত থেকে আসা ব্যবসায়ীদের থাকার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। বাজারে ১৩টি কাউন্টারের মাধ্যমে আদায় করা হচ্ছে খাজনা।

তিনি জানান, মহিষের ক্ষেত্রে ক্রেতার খাজনা ১ হাজার ২০০ টাকা ও বিক্রেতার ৩০০ টাকা, ষাঁড়ের ক্ষেত্রে ক্রেতার ৮০০ টাকা ও বিক্রেতার ২০০ টাকা এবং ছাগলের ক্ষেত্রে ক্রেতার ৩০০ টাকা ও বিক্রেতার ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

গাজীপুর জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. লিপি রানী বসাক জানালেন, জেলার প্রতিটি পশুর হাটে তিন সদস্যের মনিটরিং টিম দায়িত্ব পালন করবে, যাতে সুস্থ ও নিরাপদ পশু কেনাবেচা নিশ্চিত করা যায়।

কাপাসিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এ কে এম আতিকুর রহমান জানান, ঈদ উপলক্ষে হাটে আসা পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা তদারকিতে প্রাণিসম্পদ বিভাগের টিম কাজ করছে। খামারিরা যাতে ন্যায্য মূল্য পান এবং ক্রেতারা সুস্থ পশু কিনতে পারেন, সে বিষয়ে বিভাগ সতর্ক রয়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, কাপাসিয়ায় বর্তমানে মোট খামারের সংখ্যা ২ হাজার ৯৬৬টি। এসব খামারে প্রস্তুত করা হয়েছে ১০ হাজার ৯৮টি ষাঁড়, ২ হাজার ২৩১টি বলদ, ৫ হাজার ৭৭টি গাভি, ৫৮৮টি মহিষ, ৮ হাজার ৪৯০টি ছাগল এবং ১ হাজার ১৬২টি ভেড়া।

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এসব পশুর সম্ভাব্য বাজারমূল্য শত কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

গাজীপুরকাপাসিয়াআমরাইদ পশুর হাটঈদুল আজহা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise