আগামীর সময়

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিস্ফোরণ: দুজন নিহতের ঘটনায় মামলা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিস্ফোরণ: দুজন নিহতের ঘটনায় মামলা

সংগৃহীত ছবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘ককটেল তৈরির সময়’ বিস্ফোরণে দুজন নিহতের ঘটনায় মামলা করেছে পুলিশ। বিস্ফোরক আইনে করা এ মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে আহত তিনজনসহ পাঁচজনকে।


সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বেলাল হোসেন শনিবার রাতে মামলাটি করেন। আসামি করা হয়েছে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৮-১০ জনকে।


তথ্যটি নিশ্চিত করে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এনএম ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, ‘এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নতুন করে আরও দুজনকে সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা এলাকা থেকে রাত দেড়টা সময় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকালই গ্রেপ্তার করা হয়েছে বোমা বিস্ফোরণে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনজনকে। এ ঘটনার তদন্তকাজ চলছে।’


গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন, সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাটাপাড়া গ্রামের মো. ইউসুফ, মো. বজলুর রহমান ও মো. মিনহাজ, গোঠাপাড়া গ্রামের মো. শাকিল এবং উপজেলার রাণিহাটি ইউনিয়নের উপরধুমি এলাকার মো. শুভ। এর মধ্যে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বজলুর, মিনহাজ ও শুভ।


চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাটাপাড়ার একটি বাড়িতে গত শনিবার ভোর ৫টায় এই বিস্ফোরণ ঘটে। নিহত হন সদরের রাণিহাটি ইউনিয়নের ধুমিহায়াতপুর এলাকার মো. আলামিন ও শিবগঞ্জ উপজেলার ঘোড়াপাখিয়া ইউনিয়নের কোথানিপাড়ার মো. জিহাদ।


স্থানীয় চরবাটান ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রফিকুল ইসলাম ঘটনার দিন বলেন, ‘আমাদের ধারণা, নির্বাচনপরবর্তী সহিংসতা বা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য এখানে বোমা তৈরি করা হচ্ছিল। যেহেতু ঘটনাটি ঘরের ভেতরে ঘটেছে এবং ঘরের টিন উড়ে অনেক উঁচুতে চলে গেছে, তাতে স্পষ্ট বোঝা যায় এটি বোমা বানানোর সময় ঘটেছে... বাড়িটি নিরিবিলি হওয়ায় তারা বোমা তৈরির জন্য নিরাপদ মনে করেছিল।’


বিস্ফোরণের ভয়াবহতা বোঝাতে তিনি বলেন, ‘এমন একটি বোমা কোনো জনবহুল জায়গায় বিস্ফোরিত হলে অন্তত ৫০০ লোক মারা যেত।’


পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস ঘটনার দিন বলেন, ‘আমরা যতদূর জানতে পেরেছি, ভোরবেলা ৫টা-৫.৩০টার দিকে এখানে বিকট শব্দ হয়। ককটেল বিস্ফোরণ বা বোমা বিস্ফোরণের মতো শব্দ... প্রাথমিকভাবে আমাদের মনে হচ্ছে, ককটেল তৈরি বা মজুত করার সময় বিস্ফোরণ ঘটে থাকতে পারে।’

    শেয়ার করুন: