Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

সুন্দরবনে মুক্তিপণের দাবিতে আট জেলেকে অপহরণ

শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৬, ২৩:২৪
সুন্দরবনে মুক্তিপণের দাবিতে আট জেলেকে অপহরণ

ছবি: আগামীর সময়

সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ এলাকায় আবারও ঘটেছে বনজীবী অপহরণের ঘটনা। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পৃথক স্থান থেকে আট জেলেকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে গেছেন বনদস্যুরা। পরে তাদের মুক্তির জন্য ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে বলে উঠেছে অভিযোগ।

বনজীবীদের অভিযোগ— নানাভাই, ডন ও ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা এই অপহরণের সঙ্গে জড়িত।

অপহৃতরা হলেন নজরুল তরফদার (৪৫), আব্দুর রহমান (৩৫), আব্দুল হামিদ মোড়ল (৫০), আব্দুল আলিম (৪০), হাবিবুর রহমান (৪৮), আনোয়ারুল ইসলাম (৪২), আব্দুস সাত্তার এবং শাহিনুর রহমান।

বনজীবীদের সহযোগীরা জানিয়েছেন, পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের চুনকুড়ি নদীর সুবদের খাল, গুবদের খাল ও ধ্যানোখালির চর এলাকায় ঘটে এ ঘটনা।

তাদের দাবি, মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে মুক্তিপণ দাবি করছেন বনদস্যুরা। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে বলা হয়েছে।

বনজীবীদের মহাজনের অভিযোগ, এর আগেও একই নম্বরে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে মুক্তিপণের টাকা পাঠিয়ে ছাড়িয়ে আনা হয়েছে অপহৃত জেলে ও মৌয়ালদের। এমনকি মধু আহরণ মৌসুম শুরুর আগে মৌয়ালদের কাছ থেকে অগ্রিম চাঁদা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে বনদস্যুদের বিরুদ্ধে।

টাকা পরিশোধের পরই অনেককে বনে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হতো বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।

এর আগে গত ৪ ও ৫ মে আলিফ ওরফে আলিম বাহিনী এবং নানাভাই, ডন বাহিনীর পরিচয়ে দস্যুরা সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকা থেকে অপহরণ করেন ২০ জেলে ও মৌয়ালকে। পরে প্রায় ৭ লাখ টাকা মুক্তিপণের পর ছেড়ে দেওয়া হয় তাদের।

স্থানীয় বনজীবীদের অভিযোগ, কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর অভিযান চললেও সুন্দরবনে বনদস্যুদের দৌরাত্ম্য কমছে না। সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ কিছু এলাকা কার্যত পরিণত হয়েছে দস্যুদের অভয়ারণ্যে।

এ ঘটনায় পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন কদমতলা ফরেস্ট স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা মনিরুল করিম জানিয়েছেন, বনজীবী অপহরণের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। খতিয়ে দেখা হচ্ছে বিষয়টি। অভিযোগ পেলে নেওয়া হবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।

শ্যামনগর থানার ওসি খালেদুর রহমান বলেছেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় অভিযোগ করেনি কোনো ভুক্তভোগী পরিবার। অভিযোগ পেলে নেওয়া হবে আইনি ব্যবস্থা। 

সুন্দরবনবনদস্যুঅপহরণ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise