এজলাসে আসামিকে গাঁজা-ইয়াবা দিয়ে মিলল কারাদণ্ড

ফাইল ছবি
ঘটনাস্থল পাবনার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। ভবনের সপ্তম তলায় গতকাল বুধবার দুপুরে চলছিল কয়েক মামলার বিচারকাজ। এ সময় হাজত থেকে আনা আসামিকে গাঁজা-ইয়াবা সরবরাহ করলেন হাজিরা দিতে আসা আরেক আসামি। তাৎক্ষণিক বিচারে দুজন পেলেন কারাদণ্ড।
এ তথ্য জানিয়েছেন পাবনা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গোলাম সরোয়ার খান জুয়েল।
তার বর্ণনায় জানা গেল, দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৪র্থ আদালতে তোলা হয় দস্যুতা মামলায় হাজতে থাকা আসামি মো. সুজন আহমেদ রনিকে। হাজিরা দিতে আসা একটি হত্যা মামলার আসামি মো. তুর্য ইসলাম আশিফ কাঠগড়াতেই রনিকে লুকিয়ে দিচ্ছিলেন কিছু একটা। নজরে এলে পুলিশ সদস্যরা দুজনের তল্লাশি নেন।
এ সময় আশিফের কাছে ২০ গ্রাম গাঁজা, আর রনির কাছে পাওয়া যায় ৪টি ইয়াবা। এসব জব্দ করে তখনই আদালতে অভিযোগ জমা দেয় কোর্ট পুলিশ। তাৎক্ষণিক বিচার করে আশিফকে ছয় মাসের ও রনিকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মতিউর রহমান।
আইনজীবী জুয়েল বললেন, ‘আদালতকক্ষে মাদক সরবরাহের মতো ঘটনা খুবই দুঃখজনক। এতে অনুমান করা যায়, মাদকদ্রব্য কতদূর পর্যন্ত বিস্তার লাভ করেছে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ ও সংক্ষিপ্ত বিচার পরিচালনা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিষয়টি ক্ষুদ্র। কিন্তু স্পষ্ট অপরাধে দ্রুতবিচার ও দণ্ড কার্যকর হলে, অপরাধপ্রবণতা কমাতে তা কার্যকর বার্তা হিসেবে কাজ করবে।’




