চকরিয়ার চোয়ার ফাঁড়ির মাছে এতো স্বাদ!

ছবি: আগামীর সময়
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে মাছের ঘের রয়েছে। এসব ঘের থেকে তোলা মাছের স্বাদ যেন অমৃত। তরতাজা মাছে এতো স্বাদ হওয়ার একটাই কারণ লোনা-মিঠা পানির সংমিশ্রণ। ছোট-মাঝারি সাইজের মাছে রয়েছে অনেক বৈচিত্র্য।
বঙ্গোপসাগরের উপকূল ঘেষা পুরো উপজেলায় অসংখ্য ঘের রয়েছে। ঘের থেকে মাছ ধরে প্রধান পাইকারি বাজার চোয়ার ফাঁড়িতে নিয়ে আসা হয় সাত-সকালে। সকাল ১০টার মধ্যেই শেষ হয়ে যায় কেনাবেচা।
বাগদা- কেজি ১৪০০ টাকা ও গলদা চিংড়ি- কেজি ১৩০০-১৪০০ টাকা, সাদা চিংড়ি (চ্যাগা ইছা)- কেজি ৯৫০ টাকা, ছোট চিংড়ি (লইল্যা ইছা)- কেজি ৭৫০ টাকা, জাত কোরাল- কেজি ১০০০ টাকা, দাতিনা কোরাল- কেজি ১৪০০ টাকা, তাইল্যা মাছ- কেজি ১০০০ টাকা, বাইলা- কেজি ৯০০-১৩০০, বাটা- কেজি ৭০০-১৪০০ টাকা, সাগরের কই পুটি মাছ- কেজি ৪০০ টাকা, চিরিং মাছ কেজি ১০০০ টাকা দরে বিক্রি হয়।
সারা বছর এই মাছ পাওয়া যায় না। জোয়ার-ভাটার উপর নির্ভর করে চলে এই মাছের ব্যবসা। এখন নিয়মিতই আসছে এসব উপকূলীয় এলাকার মাছ। নগরীর অভিজাত কাজীর দেউড়ির বাজারে কয়েক বছর এ মাছের ব্যবসা করছেন নুরুল আলম। তিনি জানালেন,‘চকরিয়ার মাছের স্বাদের কারণে চাহিদা বেশি। দাম একটু বেশি পড়ে। কারণ দিনের মাছ দিনেই বাজারে চলে আসে। বিক্রিও শেষ হয়ে যায়।’
এই মাছ পেলে নিয়মিত কেনেন চট্টগ্রামের নামকরা হাইওয়ে সুইটসের মালিক মুরাদ চৌধুরী। তিনি জানালেন, ‘চকরিয়ার মাছের এমন অনন্য স্বাদ অন্য কোন এলাকার মাছে পাওয়া যায় না। আমি অনেকবার চোয়ার ফাঁড়ির পাইকারি বাজারে গিয়ে সেখান থেকেও মাছ কিনে এনেছি।’




