সাগরের সরবরাহের সঙ্গে বেড়েছে পুকুরের মাছ

চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজারের মাছের বাজার— আগামীর সময়
চট্টগ্রাম সাগরে মাছ ধরার দুই মাসের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে ১২ জুন। সাগরে যেতে শুরু করেছেন জেলেরা। বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আসতে শুরু করেছে চট্টগ্রামের বাজারে। সরবরাহ বাড়ায় দাম কিছুটা নাগালের মধ্যে এসেছে। তাই স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মনে।
নগরীর চকবাজার ঘুরে দেখা গেছে মাছের প্রচুর সরবরাহ। বাজারে সামুদ্রিক মাছের সরবরাহ বাড়লেও পুকুরে চাষ করা মাছের উপস্থিতিই বেশি দেখা গেছে। রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে কেজি ৩৮০ টাকা দরে, মৃগেল মাছের দাম রাখা হচ্ছে ৩০০ টাকা। তুলনামূলক কম দামে মিলছে তেলাপিয়া মাছ, যার প্রতি কেজি ২৫০ টাকা, ব্রিগেড মাছ ২৮০ টাকা। কেচকি ৩০০ টাকা ও মলা ৪৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। শোল মাছ ৬০০ থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে কেনাবেচা হচ্ছে। পাঙ্গাস পাওয়া যাচ্ছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকায়।
মাছের বাজারে সবচেয়ে বেশি আভিজাত্য লক্ষ্য করা গেছে রূপচাঁদার ঝুড়িতে। বড় আকারের ১ কেজি ওজনের রূপচাঁদা বিক্রি হচ্ছে ১৮০০ টাকা, তবে ছোট আকারের রূপচাঁদা মিলছে ৭০০ টাকায়। সামুদ্রিক চিংড়ি ৭০০ থেকে ১০০০ টাকা, বাগদা চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ১০০০ থেকে ১৪০০ টাকা।
মাছ বিক্রেতা আল আমিন জানালেন, ‘বাজারে মাছ পর্যাপ্ত এখন। দাম কিছুটা কমেছে। সাগরের সব বোট ও জাহাজ আসতে শুরু করলে দাম আরও কমে যাবে।’
সাইফুল ইসলাম বললেন, ‘গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় মাছের দাম কিছুটা কমেছে। সরবরাহ বাড়লে আমাদের জন্য ভালো হবে।’





