Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
পরিবেশ রক্ষা ও মানুষের কল্যাণে মতিন
বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম

জলাবদ্ধতা নিরসনে ১৪ হাজার কোটি জলে যাওয়ার শঙ্কা

  • চার প্রকল্পই প্রায় শেষের দিকে
  • রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে অনিশ্চয়তা
  • বিপুল ব্যয় বহনে অক্ষম, দায়িত্ব নিতে নারাজ চসিক
আব্দুল্লাহ আল মামুন, চট্টগ্রাম
agamir somoy
প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ২২:৪৬
জলাবদ্ধতা নিরসনে ১৪ হাজার কোটি জলে যাওয়ার শঙ্কা

সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসনে সোয়া ১৪ হাজার কোটি টাকার চারটি মেগা প্রকল্পের কাজ শেষপর্যায়ে। কাজ শেষ হওয়ার মুহূর্তে রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে দেখা দিয়েছে অদ্ভুত সংকট। প্রকল্পগুলোর অধীনে খাল-নালা সংস্কার, স্লুইসগেট, সিল্ট ট্র্যাপ, পাম্পহাউজ, সাবস্টেশন, সড়ক ও ফুটপাত নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী, এসব স্থাপনা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সিটি করপোরেশনে হস্তান্তর করা হবে। হস্তান্তরের জন্য এর মধ্যে চিঠিও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রকল্পগুলো বুঝে নিতে রাজি হচ্ছে না সিটি করপোরেশন।

কারণ এসব প্রকল্প রক্ষণাবেক্ষণে যে বিপুল অর্থ ও জনবল প্রয়োজন, তা নেই তাদের। প্রকল্পগুলো শেষ হওয়ার পর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ না হলে বিশাল এই বিনিয়োগ ঝুঁকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশিদুল হাসান বলেছেন, ‘প্রকল্পগুলো হস্তান্তরের পরপরই রক্ষণাবেক্ষণ না হলে এক বছরের মধ্যে খাল-নালাগুলো ভরাট হয়ে যাবে। স্লুইসগেটগুলো অচল হয়ে পড়বে। গচ্চা যাবে রাষ্ট্রের বিনিয়োগ করা ১৪ হাজার কোটি টাকা। জলাবদ্ধতা রূপ নেবে স্থায়ী সমস্যা হিসেবে। এজন্য এখনই আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা ডেকে প্রকল্পগুলো কোন সংস্থাকে হস্তান্তর করবে, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল, যন্ত্রপাতি ও আর্থিক বরাদ্দ দিতে হবে।’

শেষপর্যায়ে প্রকল্প

জলাবদ্ধতা নিরসনে নগরীতে চারটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) ও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। ব্যয় হচ্ছে ১৪ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা।

এর মধ্যে সিডিএ বাস্তবায়ন করছে দুটি প্রকল্প। ‘চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ প্রকল্পের ব্যয় ৮ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা। কাজ শেষ হয়েছে ৯৮ শতাংশ। আর ‘কর্ণফুলী নদীর তীর বরাবর কালুরঘাট সেতু থেকে চাক্তাই খাল পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ’ প্রকল্পের ব্যয় ২ হাজার ৭৭৯ কোটি টাকা। কাজ শেষ ৮৬ শতাংশ।

চসিকের অধীনে নগরীর বহদ্দারহাট বারইপাড়া থেকে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত খাল খননে ব্যয় হচ্ছে ১ হাজার ৩৪৩ কোটি টাকা। কাজ শেষ ৯৭ শতাংশ। পানি উন্নয়ন বোর্ডের ‘বন্যা নিয়ন্ত্রণ, জলাবদ্ধতা নিরসন ও নিষ্কাশন উন্নয়ন’ প্রকল্পের ব্যয় ১ হাজার ৫০৮ কোটি টাকা। কাজ শেষ ৯৬ শতাংশ। চারটি প্রকল্পের কাজ চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্পগুলোর অধীনে ১০৯ কিলোমিটার খাল, ৬০০ কিলোমিটার নালা, ৪০টি স্লুইসগেট ও পাম্পহাউজ, ২৭টি সিল্ট ট্র্যাপ এবং বিদ্যুতের সাবস্টেশন নির্মাণ করা হয়েছে।

প্রকল্প হস্তান্তর নিয়ে টানাপড়েন

জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের পরিচালক ও সিডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী আহমদ মঈনুদ্দিন বলেছেন, ‘প্রকল্পের আওতায় ৩৬টি খালের মধ্যে ৩০ খালের কাজ শেষ হয়েছে, সেগুলো বুঝে নিতে সিটি করপোরেশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারা নিতে রাজি হচ্ছে না। খালগুলো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য অপারেশন ম্যানুয়াল তৈরি করে তাদের দেওয়া হবে।’

খালগুলো কেন বুঝে নেওয়া হচ্ছে না জানতে চাইলে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আমিন বলেন, ‘কীভাবে নেব? এত বড় প্রকল্প রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রশিক্ষিত জনবল ও আর্থিক সক্ষমতা সিটি করপোরেশনের নেই। একটি প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। সেটি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। প্রকল্পটি পাস হলে জলাবদ্ধতা নিরসনের শেষ হওয়া প্রকল্পগুলো বুঝে নেওয়া যাবে। নয়তো সিটি করপোরেশনের নিজস্ব আয় দিয়ে এত বড় প্রকল্প রক্ষণাবেক্ষণ করা সম্ভব নয়।’

সিটি করপোরেশনের রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্প নেওয়ার কথা বললেও সেটি এখন আলোচনার পর্যায়ে সীমাবদ্ধ। এ প্রকল্প পাস হওয়া নিয়ে সংশয় রয়েছে। কারণ ২০২১ সালের জুলাইয়ে ‘চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে আধুনিক যান-যন্ত্রপাতি সংগ্রহ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প প্রস্তাব স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। ২৯৮ কোটি টাকার প্রকল্পটি এখনো ফাইলবন্দি হয়ে রয়েছে মন্ত্রণালয়ে।

রক্ষণাবেক্ষণে চায় ৩২২ কোটি টাকা
রক্ষণাবেক্ষণের এই বিশাল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মেগা প্রকল্পের আওতাধীন ৩৬টি খালের জন্য এর মধ্যে একটি ৫ বছরমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রস্তুত করেছে চসিক। প্রকল্পটির ৩২২ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে। সিটি করপোরেশনের প্রকৌশলীদের দাবি, এই রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্পটি পাস হলে এবং জিআইএসভিত্তিক ডিজিটাল মনিটরিং ও আধুনিক পলি অপসারণ প্রযুক্তি ব্যবহার করা গেলে অতিবৃষ্টির পর জলাবদ্ধতার স্থায়িত্ব ১২ ঘণ্টা থেকে কমিয়ে মাত্র ২ ঘণ্টার নিচে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে।

প্রকল্পের বাইরে থাকা ২১ খালের জন্য আরও ৩ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকার প্রকল্প

এদিকে মেগা প্রকল্পের বাইরে থাকা নগরের আরও ২১টি গুরুত্বপূর্ণ খালের পুনঃখনন ও পুনরুদ্ধারের জন্য ৩ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকার একটি পৃথক প্রকল্প নিচ্ছে সিটি করপোরেশন। এই নতুন প্রকল্পের সিংহভাগ ২ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকাই ব্যয় হবে অবকাঠামো নির্মাণকাজে, যার অধীনে ৩৪ দশমিক ৭৫ কিলোমিটার খাল পুনরুদ্ধার, ২৪ দশমিক ৪ কিলোমিটার আরসিসি রিটেইনিং ওয়াল এবং খালের ওপর ৪৯টি নতুন ব্রিজ নির্মাণ করা হবে। পুরো কাজের মধ্যে ‘কাটা খাল’, ‘কৃষ্ণা খাল’ এবং ‘কুয়াইশ খাল’কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে ১ হাজার ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

সিটি করপোরেশনের আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের গত পাঁচ বছরের বাজেট বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এই বিশাল ব্যয়ভার বহনের আর্থিক সক্ষমতা সংস্থাটির নেই। সরকারের উন্নয়ন অনুদান ও নগরবাসীর কাছ থেকে আদায় করা গৃহকর সিটি করপোরেশনের আয়ের মূল উৎস। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সংস্থাটির নিজস্ব মোট রাজস্ব আয় ছিল মাত্র ৭৩৬ কোটি টাকা। যার মধ্যে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও পারিশ্রমিক পরিশোধে ব্যয় হয়েছে ৩৩১ কোটি টাকা, যা নিজস্ব আয়ের ৪৫ শতাংশ। মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণে গড়ে ব্যয় করে ২০ কোটি টাকা। সংস্থাটির দেনা রয়েছে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা। কাজ করে বকেয়া পাওনার জন্য নিয়মিত ধরনা দিচ্ছেন ঠিকাদাররা। আর অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীরা তাদের পাওনা তহবিলের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষায় রয়েছেন।

এ ছাড়া সড়ক সংস্কার ও অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়কবাতি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য সরকারের অনুদানের ওপর নির্ভরশীল সিটি করপোরেশন। মোট বাজেটের ৫০-৬০ শতাংশ আসে সরকারি উন্নয়ন অনুদান হিসেবে। সংস্থাটির ৫৩ শতাংশ জনবল অস্থায়ী। সংখ্যায় যা ৫ হাজার ৩৫১ জন। বিপরীতে স্থায়ী জনবল ২ হাজার ৫৬০ জন।

নগরীতে আগুন নেভাতে ৪ কোটি টাকায় ১৭৪টি ফায়ার হাইড্রেন্ট বসায় চট্টগ্রাম ওয়াসা। ফায়ার হাইড্রেন্টগুলো ফায়ার সার্ভিস বুঝে না নেওয়ায় অকেজো হয়ে পড়ে আছে। নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, জলাবদ্ধতা নিরসনের প্রকল্পগুলো সিটি করপোরেশন বুঝে না নিলে এসব প্রকল্পেরও একই দশা হবে।

জলাবদ্ধতাচট্টগ্রামে জলাবদ্ধতাটাকামেগা প্রকল্প
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ০৮ জুলাই ২০২৬
    রাত ২:০০ টা
    সুইজারল্যান্ড
    ০
    কলম্বিয়া
    ০
    ১০ জুলাই ২০২৬
    রাত ২:০০ টা
    ফ্রান্স
    ০
    মরক্কো
    ০
    ১১ জুলাই ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    স্পেন
    ০
    বেলজিয়াম
    ০
    ১২ জুলাই ২০২৬
    রাত ৩:০০ টা
    নরওয়ে
    ০
    ইংল্যান্ড
    ০
    advertisement
    advertisement
    advertiseadvertise