Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬
আগামীর সময়
সুনীল নিজেই ‘ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি’
শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • চট্টগ্রাম
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • চট্টগ্রাম
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় গুজব নয়

অফিসে যেতে প্লেন! যে শহরে প্রায় প্রতি বাড়িতেই উড়োজাহাজ

ইশতিয়াক হাসান
ইশতিয়াক হাসান
agamir somoy
প্রকাশ: ৩০ মে ২০২৬, ১৬:৫৯
অফিসে যেতে প্লেন! যে শহরে প্রায় প্রতি বাড়িতেই উড়োজাহাজ

সকালের আলো তখন সবে ছড়াতে শুরু করেছে পাহাড়ঘেরা ক্যালিফোর্নিয়ার আকাশে।
এক ব্যক্তি বাড়ির দরজা খুলে বের হলেন। প্রতিবেশীর মতো তিনিও কর্মস্থলে যাবেন। তবে তাঁর গ্যারেজে দাঁড়িয়ে নেই কোনো গাড়ি। সেখানে অপেক্ষা করছে চকচকে একটি ছোট উড়োজাহাজ।
গ্যারেজের দরজা ওপরে উঠতেই দেখা গেল সেটি আসলে হ্যাঙ্গার। মানুষটি প্লেনে উঠে বসলেন। ইঞ্জিন গর্জে উঠল। কয়েক মিনিটের মধ্যেই তিনি বাড়ির সামনে থাকা রাস্তা ধরে এগিয়ে গেলেন বিমানবন্দরের দিকে। তারপর রানওয়ে। কিছুক্ষণের মধ্যে মাটি ছেড়ে আকাশে ভেসে উঠল তাঁর বাহন।

অফিস যাওয়ার জন্য পৃথিবীর খুব কম মানুষই এমন দৃশ্য দেখতে অভ্যস্ত। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার একটি বিশেষ আবাসিক এলাকায় এটি দৈনন্দিন জীবনের অংশ।
স্থানটির নাম ক্যামেরন এয়ারপার্ক এস্টেটস।
পৃথিবীর অদ্ভুত বসতিগুলোর তালিকা করলে এর নাম ওপরের দিকেই থাকবে। কারণ এখানে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা উড়োজাহাজ দেখে অবাক হওয়ার সুযোগ নেই। অনেক বাড়ির সামনেই ব্যক্তিগত বিমান। অনেক পরিবারের কাছে প্লেন ঠিক ততটাই সাধারণ, যতটা অন্য কোথাও একটি ব্যক্তিগত গাড়ি।


যেখানে বাড়ি আর বিমানবন্দর একই গল্পের অংশ

ক্যামেরন এয়ারপার্ক এস্টেটস গড়ে উঠেছে ক্যালিফোর্নিয়ার এল ডোরাডো কাউন্টিতে। এর কেন্দ্রবিন্দু একটি বিমানবন্দর। পুরো আবাসিক এলাকাটির পরিকল্পনাই করা হয়েছে এমনভাবে, যাতে বাসিন্দারা সরাসরি নিজেদের বাড়ি থেকে প্লেন নিয়ে বিমানবন্দরে যেতে পারেন। এখানকার অনেক বাড়ির নকশা দেখলে মনে হবে বড়সড় কোনো গুদামঘর। কিন্তু কাছে গেলে বোঝা যায়, সেগুলো আসলে উড়োজাহাজ রাখার জন্য তৈরি হ্যাঙ্গার।
যেভাবে সাধারণ মানুষ গাড়ি রাখার জন্য গ্যারেজ বানান, এখানকার বাসিন্দারা তেমনি প্লেন রাখার জন্য বিশাল দরজাওয়ালা হ্যাঙ্গার নির্মাণ করেছেন।
বাড়ি থেকে বেরিয়ে কয়েক মিনিটের মধ্যেই নিজের প্লেনে চেপে আকাশে উড়ে যাওয়ার সুবিধাই এই বসতির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।

যুদ্ধের পর জন্ম নেওয়া এক নতুন ধারণা
এই গল্পের শুরু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর। যুদ্ধ শেষে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে অসংখ্য সামরিক বিমানঘাঁটি ও এয়ারফিল্ড অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে ছিল। একই সময়ে যুদ্ধফেরত হাজার হাজার পাইলট বেসামরিক জীবনে ফিরছিলেন।
১৯৩৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে লাইসেন্সধারী পাইলটের সংখ্যা ছিল প্রায় ৩৪ হাজার। যুদ্ধ শেষে কয়েক বছরের মধ্যে সেই সংখ্যা কয়েক লাখে পৌঁছে যায়। এত বিপুলসংখ্যক প্রশিক্ষিত পাইলটের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করতে শুরু হয় আবাসিক বিমানবন্দরভিত্তিক বসতি নির্মাণের পরিকল্পনা। ধারণাটি ছিল সহজ—এমন এক কমিউনিটি গড়ে তোলা, যেখানে মানুষ বাস করবে আর তাদের ব্যক্তিগত উড়োজাহাজও থাকবে বাড়ির অংশ হিসেবে।
এভাবেই জন্ম নেয় ‘ফ্লাই-ইন কমিউনিটি’ বা উড়ে এসে বাড়িতে ঢোকার মতো আবাসিক এলাকা।
ক্যামেরন এয়ারপার্ক সেই ধারার অন্যতম সফল উদাহরণ।
রাস্তা, কিন্তু পুরোপুরি রাস্তা নয়
ক্যামেরন এয়ারপার্কে গিয়ে প্রথম যে বিষয়টি চোখে পড়ে, তা হলো এর রাস্তাগুলো।
অনেক সড়ক সাধারণ আবাসিক এলাকার তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে চওড়া। কারণ এগুলো শুধু গাড়ির জন্য নয়। প্লেনও ব্যবহার করে।
এখানে প্রায়ই দেখা যায়, একটি গাড়ির পাশ দিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে ছোট্ট একটি উড়োজাহাজ।
অবশ্য প্লেনগুলো রাস্তা ব্যবহার করে উড্ডয়নের জন্য নয়। এগুলো রাস্তা ধরে বিমানবন্দরের দিকে যায়। তারপর রানওয়ে থেকে আকাশে উড়ে ওঠে। এ কারণে সড়কের পাশে থাকা ডাকবাক্স, সাইনবোর্ড কিংবা আলোকস্তম্ভও বিশেষভাবে নকশা করা হয়েছে। অনেক কিছুই সাধারণ এলাকার তুলনায় নিচু। লক্ষ্য একটাই—প্লেনের ডানার সঙ্গে যেন ধাক্কা না লাগে।
রাস্তার নামেও লুকিয়ে আছে উড়োজাহাজের গল্প
এই বসতির ভেতরে হাঁটলে মনে হবে যেন আপনি কোনো বিমানপ্রেমীর কল্পনার শহরে ঢুকে পড়েছেন।
অনেক রাস্তার নাম রাখা হয়েছে বিখ্যাত উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বা বিমানচালনা-সম্পর্কিত শব্দ থেকে।
বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তিগত বিমান, আকাশে টহল দেওয়া ছোট প্লেন আর বিমানবিষয়ক নামের রাস্তা—সব মিলিয়ে জায়গাটি যেন একটি জীবন্ত বিমান জাদুঘর।


প্রতিবেশীর সঙ্গে আলাপ, বিষয় প্লেন

বিশ্বের অধিকাংশ আবাসিক এলাকায় প্রতিবেশীদের আলোচনার বিষয় হতে পারে বাগান, গাড়ি কিংবা খেলাধুলা।
ক্যামেরন এয়ারপার্কে সেই জায়গা দখল করেছে উড়োজাহাজ।
কে নতুন কী ধরনের প্লেন কিনলেন, কার ইঞ্জিনে সমস্যা হয়েছে, কে সপ্তাহান্তে কোথায় উড়ে গেলেন এসবই এখানে খুব সাধারণ আলাপের বিষয়।
অনেক বাসিন্দাই অবসরপ্রাপ্ত বিমানচালক। কেউ সাবেক সামরিক পাইলট, কেউ বাণিজ্যিক বিমানচালক, আবার কেউ প্রকৌশলী বা বিমানপ্রেমী। ফলে পুরো এলাকাটির সামাজিক জীবনও আবর্তিত হয় বিমানকে কেন্দ্র করে।

যানজট নয়, আকাশপথ

এই এলাকার বহু বাসিন্দার কাছে প্লেন কেবল শখের বস্তু নয়, বাস্তব পরিবহনও।
একসময় এখানকার বাসিন্দা বার্ল স্ক্যাগস নিয়মিত কর্মস্থলে যেতেন নিজের উড়োজাহাজে।
সড়কপথে যে যাত্রায় কয়েক ঘণ্টা লেগে যেত, আকাশপথে তা শেষ হতো এক ঘণ্টারও কম সময়ে।
অনেকের কাছে এটি অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। কিন্তু ক্যালিফোর্নিয়ার দীর্ঘ যানজটের কথা বিবেচনা করলে বিষয়টি আর ততটা অযৌক্তিক মনে হয় না। যখন অন্যরা মহাসড়কে ধীরগতির গাড়ির সারিতে আটকে থাকেন, তখন এয়ারপার্কের কিছু বাসিন্দা মেঘের ওপরে উড়ে যাচ্ছেন গন্তব্যের দিকে।
শনিবার সকালের বিশেষ আড্ডা

ক্যামেরন এয়ারপার্কের জীবনধারার একটি মজার অংশ হলো এর সামাজিক সংস্কৃতি।
শনিবার সকালে অনেক বাসিন্দা বিমানবন্দরে জড়ো হন। কেউ উড়োজাহাজ পরিষ্কার করেন, কেউ ইঞ্জিন পরীক্ষা করেন, কেউবা নতুন কোনো যন্ত্রাংশ নিয়ে আলোচনা করেন।
কখনো কখনো ছোট আকারের উড্ডয়ন সমাবেশও অনুষ্ঠিত হয়। ফলে এটি শুধু একটি আবাসিক এলাকা নয়, বরং বিমানপ্রেমীদের একটি বড় সম্প্রদায়।

বিখ্যাত বাসিন্দারাও ছিলেন এখানে

ক্যামেরন এয়ারপার্কের বাসিন্দাদের মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত নামগুলোর একটি জুলি ক্লার্ক।
তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বিখ্যাত অ্যারোবেটিক পাইলট। আকাশে নানা কসরত দেখানোর জন্য তাঁর খ্যাতি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ছড়িয়েছিল।
দীর্ঘদিন তিনি এই এলাকায় বসবাস করেছেন। তাঁর মতো অনেক অভিজ্ঞ বিমানচালক ক্যামেরন এয়ারপার্ককে বেছে নিয়েছেন কেবল সুবিধার জন্য নয়, একই ধরনের মানুষের সান্নিধ্যের কারণেও।
পৃথিবীতে কি এমন আর কোথাও আছে?

আসলে ক্যামেরন এয়ারপার্ক একা নয়।
বিশ্বজুড়ে কয়েক শত ফ্লাই-ইন কমিউনিটির অস্তিত্ব রয়েছে‌। যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরনের বসতির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
ফ্লোরিডা, টেক্সাস, অ্যারিজোনা, ওয়াশিংটন—বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ছড়িয়ে আছে এমন অনেক আবাসিক এলাকা, যেখানে বাড়ির সামনেই প্লেন রাখা যায়। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, সংবাদমাধ্যম এবং বিমানপ্রেমীদের আলোচনায় সবচেয়ে বেশি পরিচিতি পেয়েছে ক্যামেরন এয়ারপার্ক।
কারণ এখানে উড়োজাহাজ এবং দৈনন্দিন জীবনের মিশেলটি সবচেয়ে স্পষ্টভাবে চোখে পড়ে।

ভবিষ্যতের শহরের মতো, অথচ বাস্তব
প্রথমবার কেউ


ক্যামেরন এয়ারপার্কে গেলে হয়তো ভাববেন এটি কোনো বিজ্ঞান কল্পকাহিনির দৃশ্য।
কারণ আমাদের পরিচিত পৃথিবীতে বাড়ির সামনে পার্ক করা থাকে গাড়ি। এখানে দাঁড়িয়ে থাকে বিমান। আমাদের শহরে শিশুরা সাইকেল চালিয়ে বেড়ায়। এখানে তারা বড় হয় প্লেনের শব্দ শুনতে শুনতে।
আমরা কর্মস্থলে যেতে গাড়ির চাবি খুঁজি। এখানে কেউ কেউ খোঁজেন উড়োজাহাজের চাবি।
কিন্তু বিস্ময়কর হলেও সত্য, এটি কোনো চলচ্চিত্রের সেট নয়। কোনো ধনকুবেরের ব্যক্তিগত দ্বীপও নয়। এটি বাস্তবের একটি বসতি, যেখানে মানুষ সত্যিই নিজেদের বাড়ির হ্যাঙ্গার থেকে প্লেন বের করে আকাশে উড়ে অফিসে যান।
আর সেই কারণেই ক্যামেরন এয়ারপার্ক পৃথিবীর সবচেয়ে অদ্ভুত, সবচেয়ে রোমাঞ্চকর এবং সম্ভবত সবচেয়ে ‘উড়ন্ত’ আবাসিক এলাকাগুলোর একটি।
সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার, সিএনএন ট্রাভেল, ক্যালিফোর্নিয়া অ্যারোনটিকস, ক্যামেরন পার্ক এয়ারপোর্ট ডিস্ট্রিক্ট, স্মিথসোনিয়ান ম্যাগাজিন, ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন।

উড়োজাহাজফিচারক্যালিফোর্নিয়া
    শেয়ার করুন:
    ব্রাশফায়ারে ঝাঁঝরা রাষ্ট্রপতি, ২০০ গজ দূরে আমি

    ব্রাশফায়ারে ঝাঁঝরা রাষ্ট্রপতি, ২০০ গজ দূরে আমি

    ৩০ মে ২০২৬, ০৭:৪৯

    জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ

    জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ

    ৩০ মে ২০২৬, ০১:৪২

    চট্টগ্রামে আসার আগে জিয়া কেন ঢাকায় ডেকেছিলেন দুই বিএনপি নেতাকে?

    চট্টগ্রামে আসার আগে জিয়া কেন ঢাকায় ডেকেছিলেন দুই বিএনপি নেতাকে?

    ৩০ মে ২০২৬, ০৭:৪৪

    ৪০ গরু কোরবানি দিয়ে অস্বচ্ছল নেতাকর্মীদের দিলেন মীর হেলাল

    ৪০ গরু কোরবানি দিয়ে অস্বচ্ছল নেতাকর্মীদের দিলেন মীর হেলাল

    ২৯ মে ২০২৬, ২২:৪৭

    ঢাকা সিটির ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    ঢাকা সিটির ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    ২৯ মে ২০২৬, ২২:৫১

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ প্রদর্শনে আপত্তি কেন, নেপথ্যে কী?

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ প্রদর্শনে আপত্তি কেন, নেপথ্যে কী?

    ২৯ মে ২০২৬, ২৩:০৩

    মেসি জানে কোন পজিশন থাকতে হবে

    মেসি জানে কোন পজিশন থাকতে হবে

    ৩০ মে ২০২৬, ০০:২৩

    একক চীনা বাজারে নির্ভরতা, ডুবছে চামড়া খাত

    একক চীনা বাজারে নির্ভরতা, ডুবছে চামড়া খাত

    ২৯ মে ২০২৬, ২০:৩৯

    নতুন প্রজন্মের তরুণীরাই পথ দেখাচ্ছে : ড. ইউনূস

    নতুন প্রজন্মের তরুণীরাই পথ দেখাচ্ছে : ড. ইউনূস

    ২৯ মে ২০২৬, ২৩:২৮

    সুনীল নিজেই ‘ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি’

    সুনীল নিজেই ‘ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি’

    ২৬ মে ২০২৬, ০৩:৫৫

    সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম তৃতীয় কোনো দেশে দেবে না ইরান

    সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম তৃতীয় কোনো দেশে দেবে না ইরান

    ৩০ মে ২০২৬, ০১:৫২

    ক্রেতার স্বস্তি কৃষকের দীর্ঘশ্বাস

    ক্রেতার স্বস্তি কৃষকের দীর্ঘশ্বাস

    ৩০ মে ২০২৬, ০৮:৩৫

    সাংস্কৃতিক স্বাধীনতায় হুমকি হিসেবে দেখছে ঢাবি চলচ্চিত্র সংসদ

    সাংস্কৃতিক স্বাধীনতায় হুমকি হিসেবে দেখছে ঢাবি চলচ্চিত্র সংসদ

    ৩০ মে ২০২৬, ০০:০৭

    যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫০ হাজার কোটি ডলারের পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি নিয়ে চাপে ভারত

    যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫০ হাজার কোটি ডলারের পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি নিয়ে চাপে ভারত

    ৩০ মে ২০২৬, ০৩:৫৫

    স্থিতিশীলতা, সুশাসন ও সততায় আজও প্রাসঙ্গিক জিয়াউর রহমান

    স্থিতিশীলতা, সুশাসন ও সততায় আজও প্রাসঙ্গিক জিয়াউর রহমান

    ৩০ মে ২০২৬, ১১:০৪

    advertiseadvertise