Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
বিনা বেতনে রমণীর পাঠদানের ৫৫ বছর
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

কথাসাহিত্যিক

অঙ্ক স্যার

অঙ্ক স্যার

স্যারদের খ্যাপানোর নাম দেওয়া ছাত্রছাত্রীদের বহু পুরনো ট্র্যাডিশন। তবে সব স্যার নন, যারা একটু বাতিকগ্রস্ত, রাগী বা গম্ভীর বা যাদের কোনো মুদ্রাদোষ আছে, তাদেরই আদর করে নাম দেওয়া হয়। আর এই নাম একবার দেওয়া হলে সেই নাম বছরের পর বছর পরম্পরায় চলতে থাকে, আর বদলায় না। নাম দেওয়ার মধ্যে ছাত্রছাত্রীদের অদ্ভুত উদ্ভাবনী বুদ্ধিরও পরিচয় থাকে। যখন কোচবিহারের মহারাজা নৃপেন্দ্রনারায়ণ স্কুলে ক্লাস টেন-এ ভর্তি হয়েছিলাম, তখন আমি সদ্য কিশোর। থাকতাম স্কুল চত্বরের মধ্যেই হোস্টেলে। আর একটু কম বয়সে আমি যে প্রচণ...
কলাম•১৬ ঘণ্টা আগে
‘বাঙালি বাবু’ সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

‘বাঙালি বাবু’ সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

আমাদের, অর্থাৎ তৎকালীন উঠতি লেখক-কবিদের দেখা-সাক্ষাৎ হতো কফিহাউসে। কফিহাউস না থাকলে যে কী হতো, তা বলতে পারি না। ওখানেই শক্তি, সুনীল, সন্দীপন, উৎপল এবং তাবৎ তরুণ লেখক-কবি সন্ধ্যার সময় জড়ো হতো আর চলত তুমুল আড্ডা। আমাদের সকলের পকেটে তখন এক কাপ সস্তা কফি কিনবার মতো রেস্তও থাকত না। কিন্তু কফিহাউসে কেউ আমাদের হুড়ো দিয়ে উঠিয়েও দিত না। তাই পয়সা খরচ না করেও বসে থাকা যেত। ওইটেই ছিল কফিহাউসের প্রতি আমাদের টানের মুখ্য কারণ। ওই কফিহাউসেই একদিন দুটি মানুষের সঙ্গে একসঙ্গে দুম করে আলাপ হয়ে গেল। একজন হাট্টাগাট্ট...
বিশেষ লেখা•১৫ দিন আগে
সুনীল: ভালোবাসার যুগ

সুনীল: ভালোবাসার যুগ

পাঁচের দশকে যারা লেখালেখি করতেন, তাদের মধ্যে অন্যতম সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। কফি হাউজ ছিল তখন আমাদের আড্ডার জায়গা। কারণ, তখন আমাদের সবার অর্থনৈতিক অবস্থাই যাচ্ছেতাই রকমের খারাপ। এক কাপ কফির পয়সাও সবার পকেটে থাকত না। ভাগাভাগি করে খেতে হতো। তবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকলেও কেউ হুড়ো দিত না। ওইখানেই আমাদের বেশিরভাগ বন্ধুত্বের সূচনা। সুনীল তখন অনিয়মিতভাবে ‘কৃত্তিবাস’ পত্রিকা বের করে। শীর্ণ কবিতার পত্রিকা। তার রোজগার বলতে টিউশনি আর কোনো অনামা পত্রিকায় সামান্য বেতনের চাকরি। শক্তির অবস্থা আরও খারাপ। সুনীল...
কলাম•এক মাস আগে
রাখাল ও পুতুল

রাখাল ও পুতুল

তারা ছিল বর-বউ। কিন্তু তারা যে বর-বউ, এটা তারা নিজেরাই জানত না। রাখালের বয়স সাত-আট আর পুতুলের চার-পাঁচ। আমাদের মস্ত উঠোনে প্রায় রোজই সাত-আটজন বাচ্চা ছেলেমেয়ে খেলতে আসত। ছোটাছুটি, ছোঁয়াছুঁয়ি, চোর-চোর, এক্কা-দোক্কা বা যা হোক কিছু। দাদু কাছারিতে বেরিয়ে যাওয়ার পর তারা আসত। কারণ দাদু ছিলেন রাশভারী মানুষ, হই-হট্টগোল পছন্দ করতেন না। ময়মনসিংহে তখন মাঠঘাটের অভাব ছিল না। তবু বাচ্চারা যে আমাদের উঠোনে বা বারবাড়িতে খেলতে আসত, তার একটা কারণ ছিল। ঠাকুমা প্রায় রোজই বাচ্চাদের ডেকে বাতাসা বা মুড়ির মোয়...
কলাম•এক মাস আগে
আমার ছোট্ট বেলার ময়মনসিংহ

আমার ছোট্ট বেলার ময়মনসিংহ

আমরা তখন খুব ছোট। এক ছোকরা মাস্টারমশাই বহাল হলেন আমাদের পড়ানোর জন্য... আমার আর দিদির স্কুল-টুলে পড়ার তেমন সুযোগ ছিল না। বাবা বারবার বদলি হতেন, সব জায়গায় স্কুল ছিলও না, আর ভর্তি হলেও বছর ঘুরবার আগেই হয়তো  তল্পিতল্পা গুটিয়ে আর এক জায়গায় চলে যেতে হতো। তাই বরাবর আমাদের ভরসা প্রাইভেট টিউটর। কত যে বিচিত্র মাস্টারমশাইদের কাছে আমাদের পড়তে হয়েছে তার হিসেব নেই। ময়মনসিংহের বাড়ির দাদু আর ঠাকুমার ঘরটাকেই বড় ঘর বলা হতো। আসলে বড় ঘরটাই ছিল সারা বাড়ির প্রাণকেন্দ্র এবং সেটা বৈঠকখানাও বটে। প্রাইভেসির...
সাহিত্য•২ মাস আগে