১৯৪১ সাল। জীবনের গোধূলিলগ্ন। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিঃশব্দে চলছেন বিদায়ের পথ ধরে। সারা জীবন নিজের শরীরের ওপর অস্ত্রোপচারের ছায়া পড়তে দেননি। এবার যেন নিজেই বুঝতে পেরেছেন— আর হয়তো ফেরা হবে না।তিনি তখন শান্তিনিকেতনে। শরীর ক্রমেই ভেঙে পড়ছে। হোমিওপ্যাথি, অ্যালোপ্যাথি— সবই চলছে, কিন্তু অসুখ কোনো কথা শুনছে না। অসুস্থতার মধ্যেই প্রিয় অবনীন্দ্রনাথের কিছু গল্প পড়ে কবির চোখে অশ্রু-হাসি একসঙ্গে দেখা দিল। রানী চন্দ— প্রিয়জন, সহচর, শিল্পী প্রথমবার দেখলেন কবির চোখে এমন নীরব অশ্রুবর্ষণ। তিনি যে কাঁদেন, এ কথ...