বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম

ছবি: রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ারশের অধীনে প্রথম মুদ্রানীতি ঘোষণার অপেক্ষা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে বুধবার আন্তর্জাতিক বাজারে সামান্য বেড়েছে স্বর্ণের দাম।
বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৯ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম ০.৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৪৪.৪৭ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারসের দাম ০.২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৩৬৪.৭০ ডলারে।
স্বাধীন ধাতু ব্যবসায়ী তাই ওয়ং বলেছেন, শেয়ারবাজারের মিশ্র পরিস্থিতি, বন্ডের উচ্চ মুনাফা এবং ডলারের শক্তিশালী অবস্থান সত্ত্বেও বিনিয়োগকারীরা হয়তো ওয়ারশের সম্ভাব্য নমনীয় নীতির প্রত্যাশায় স্বর্ণ কিনছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় সুদের হার–সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত, নীতিগত বিবৃতি এবং নীতিনির্ধারকদের হালনাগাদ অর্থনৈতিক পূর্বাভাস প্রকাশ করবে।
এফএক্সটিএমের জ্যেষ্ঠ গবেষণা বিশ্লেষক লুকমান ওতুনুগা বলেছেন, প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩০০ ডলার শক্ত সমর্থন হিসেবে কাজ করলে স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৩৫০ ডলারের দিকে এগোতে পারে। তবে দাম ৪ হাজার ৩০০ ডলারের নিচে নেমে গেলে ৪ হাজার ২৫০ থেকে ৪ হাজার ২০০ ডলারের মধ্যে বিক্রির চাপ বাড়তে পারে।
গত সপ্তাহে স্বর্ণের দাম প্রায় ছয় মাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল। ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা থেকে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ায় যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার বৃদ্ধির প্রত্যাশাও জোরালো হয়েছিল।
যদিও মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা হিসেবে স্বর্ণকে নিরাপদ বিনিয়োগ ধরা হয়, উচ্চ সুদের হার সাধারণত এই ধাতুর জন্য নেতিবাচক। কারণ স্বর্ণ থেকে কোনো সুদ বা নিয়মিত আয় পাওয়া যায় না।
তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি কাঠামোগত চুক্তিতে পৌঁছানোর পর স্বর্ণের দাম আবার ঘুরে দাঁড়ায়।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে হওয়া চুক্তি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। চুক্তি তার প্রত্যাশা অনুযায়ী না হলে আবারও সামরিক হামলা শুরু হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।
অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে রুপার দাম ০.২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৭০.৩০ ডলারে উঠেছে। তবে প্লাটিনামের দাম ১.২ শতাংশ কমে ১ হাজার ৭৮২.২৩ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০.২ শতাংশ কমে ১ হাজার ৩৪৯.৩৬ ডলারে নেমেছে।




