ইনফ্লুয়েন্সার হতে এবার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা, চালু হলো নতুন ডিগ্রি

ছবি: রয়টার্স
একসময় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হতো চিকিৎসা, প্রকৌশল, আইন কিংবা সাংবাদিকতা। এখন সেই তালিকায় যোগ হচ্ছে এমন এক পেশা, যার বড় অংশের কর্মস্থল একটি স্মার্টফোন আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটি এবার ইনফ্লুয়েন্সার ও ডিজিটাল ক্রিয়েটর তৈরির জন্য চালু করেছে পূর্ণাঙ্গ স্নাতক ডিগ্রি।
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে চালু হওয়া এই ‘কনটেন্ট ক্রিয়েশন’ প্রোগ্রামে শিক্ষার্থীদের শেখানো হবে ভিডিও বানানো, পডকাস্টিং, ব্যক্তিগত ব্র্যান্ড তৈরি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পরিচালনা এবং দর্শক বিশ্লেষণ। এমনকি পাঠ্যসূচিতে রয়েছে সরাসরি ‘হাউ টু বিকাম অ্যান ইনফ্লুয়েন্সার’ নামের কোর্সও।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াল্টার ক্রনকাইট স্কুল অব জার্নালিজম অ্যান্ড মাস কমিউনিকেশনের অধীনে চালু হওয়া ব্যাচেলর অব আর্টস প্রোগ্রামটির লক্ষ্য দ্রুত বেড়ে ওঠা ‘ক্রিয়েটর ইকোনমি’-তে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ারের জন্য প্রস্তুত করা।
কোর্সটিতে শিক্ষার্থীদের ক্যামেরার সামনে উপস্থাপনা, ভিডিও এডিটিং, ভিজ্যুয়াল কনটেন্ট তৈরি, পডকাস্টিং ও ডিজিটাল অডিয়েন্স নিয়ে পড়ানো হবে। কোর্সের শেষ দিকে থাকবে বাস্তবভিত্তিক কনটেন্ট-ক্রিয়েশন ক্যাপস্টোন এবং পেশাগত উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষায়, ‘ক্রিয়েটর ইকোনমি’ হলো এমন একটি ক্রমবর্ধমান শিল্প, যেখানে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করে তা থেকে আয় করে। এই ডিগ্রি শেষ করে শিক্ষার্থীরা ডিজিটাল ইনফ্লুয়েন্সিং, ব্র্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, কনটেন্ট স্ট্র্যাটেজি ও অডিয়েন্স এনগেজমেন্টে কাজ করতে পারবেন।
প্রোগ্রামটি অ্যারিজোনার ফিনিক্স, লস অ্যাঞ্জেলেস এবং অনলাইন—তিনভাবেই করা যাবে। যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ও একই পথে হাঁটছে। সিরাকিউজ ইউনিভার্সিটি এ বিষয়ে মাইনর চালু করছে, আর নিউইয়র্কের সেন্ট বোনাভেঞ্চার ইউনিভার্সিটিতে ইতোমধ্যে চালু রয়েছে কনটেন্ট ক্রিয়েশন মেজর।
তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি







