Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
কৃষক গড়েছেন ব্যতিক্রমী কলেজ
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রে থাকা ইথিওপীয়দের ফেরত পাঠানোর শঙ্কা

হারিসুল ইসলাম সজীব, নিউইয়র্ক থেকে
agamir somoy
প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৪২
যুক্তরাষ্ট্রে থাকা ইথিওপীয়দের ফেরত পাঠানোর শঙ্কা

৫ হাজারের বেশি ইথিওপীয় নাগরিক বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা ও কাজের সুরক্ষা হারানোর ঝুঁকিতে আছেন।

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত হাজারো ইথিওপীয় অভিবাসীর জন্য বড় ধাক্কা। ফেডারেল আদালতের নতুন রায়ে তাদের টেম্পোরারি প্রোটেক্টেড স্ট্যাটাস (টিপিএস) বাতিলের পথে থাকা আইনি বাধা সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে ৫ হাজারের বেশি ইথিওপীয় নাগরিক বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা ও কাজের সুরক্ষা হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছেন।

বোস্টনের ফেডারেল বিচারক ব্রায়ান মারফি মঙ্গলবার টিপিএস বাতিল ঠেকিয়ে রাখা আগের স্থগিতাদেশ তুলে দেন। এর ফলে ট্রাম্প প্রশাসন ইথিওপীয় নাগরিকদের টিপিএস বাতিলের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে এগিয়ে যেতে পারবে।

টিপিএস এমন একটি মানবিক সুরক্ষা ব্যবস্থা, যার আওতায় যুদ্ধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা গুরুতর অস্থিতিশীলতার কারণে নিজ দেশে নিরাপদে ফিরতে না পারা নির্দিষ্ট দেশের নাগরিকদের সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস ও কাজের অনুমতি দেওয়া হয়।

ইথিওপীয়দের জন্য এই সুরক্ষা ২০২২ সালে চালু করা হয়েছিল। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ পরে সিদ্ধান্ত নেয়, ইথিওপিয়ায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং দেশটির নাগরিকদের নিরাপদে ফেরার ক্ষেত্রে আগের মতো গুরুতর হুমকি নেই।

এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হলে বিচারক প্রথমে টিপিএস বাতিলের প্রক্রিয়া আটকে দিয়েছিলেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে হাইতি ও সিরিয়ার টিপিএস বাতিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রশাসনের অবস্থান শক্তিশালী করার পর ইথিওপিয়া-সংক্রান্ত মামলাতেও পরিস্থিতি বদলে যায়।

নতুন রায়ে বিচারক প্রশাসনের ক্ষমতা নিয়ে কয়েকটি আপত্তি প্রত্যাখ্যান করলেও টিপিএস বাতিলের সিদ্ধান্তে বর্ণ বা জাতীয় পরিচয়ভিত্তিক বৈষম্যের প্রভাব ছিল কি না—সে প্রশ্ন পুরোপুরি বন্ধ করেননি। ফলে মামলার কিছু অংশ এখনও আদালতে চলতে পারে।

ইথিওপীয় অভিবাসী অধিকারকর্মীরা বলছেন, দেশটিতে এখনও সহিংসতা ও মানবিক সংকট রয়েছে। তাই টিপিএস বাতিল হলে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা হাজারো মানুষের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে।

অন্যদিকে প্রশাসনের অবস্থান স্পষ্ট—টিপিএস হারানো ব্যক্তিদের যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে। তারা স্বেচ্ছায় না গেলে ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে অপসারণ বা ডিপোর্টেশন কার্যক্রম শুরু হতে পারে।

ইথিওপীয়দের ক্ষেত্রে আদালতের এই সিদ্ধান্ত ট্রাম্প প্রশাসনের টিপিএস সংকোচন নীতিতে আরেকটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। হাইতি ও সিরিয়ার পর ইথিওপিয়াতেও সুরক্ষা বাতিলের পথ খুলে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে টিপিএস-নির্ভর অভিবাসীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রইথিওপিয়া
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise