Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিদেশ

জার্মানির উপকূলে রুশ গর্জন

  • ন্যাটোর সঙ্গে উত্তেজনার মাঝেই হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী রণতরী মোতায়েন পুতিনের
আগামীর সময় প্রতিবেদন
agamir somoy
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০২:৫৪
জার্মানির উপকূলে রুশ গর্জন

‘দ্য অ্যাডমিরাল কাসাতোনভ’ নামে এ যুদ্ধজাহাজটিকে গত সপ্তাহে দেখা যায় জার্মানির ফেহমার্ন দ্বীপের উপকূলে।

ইউক্রেন যুদ্ধের গর্জন এবার ছড়িয়ে পড়ছে বাল্টিক সাগরের নিকটবর্তী জার্মানির উপকূলেও। সম্প্রতি সেখানে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী একটি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে রাশিয়া। গতকাল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘দ্য অ্যাডমিরাল কাসাতোনভ’ নামে এ যুদ্ধজাহাজটিকে গত সপ্তাহে দেখা যায় জার্মানির ফেহমার্ন দ্বীপের উপকূলে। এই যুদ্ধজাহাজে রয়েছে পারমাণবিক সক্ষমতাসম্পন্ন জিরকন হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র। বাল্টিক সাগরের এ অঞ্চলটি নৌ-চলাচলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। রাশিয়া ও ন্যাটোর মধ্যে উত্তেজনার সময় যুদ্ধজাহাজটির উপস্থিতি ইঙ্গিত করছে পরিস্থিতির তীব্রতা বৃদ্ধির।

ফেহমার্ন দ্বীপটি ড্যানিশ প্রণালির কাছে অবস্থিত। এটি বাল্টিক সাগরকে উত্তর সাগর ও আটলান্টিকের সঙ্গে সংযুক্তকারী প্রধান জলপথ। এ অঞ্চলটি এমন একটি কৌশলগত সংকীর্ণ পথ (চেক পয়েন্ট), যেটির মধ্য দিয়ে রুশ জাহাজগুলো উন্মুক্ত সমুদ্রের দিকে যাতায়াত করে। দ্বীপের উপকূলে অ্যাডমিরাল কাসাতোনভের আগে গত জুলাইয়ে ডেস্ট্রয়ার অ্যাডমিরাল লেভচেঙ্কোও দেখা যায় বলে উল্লেখ করে টেলিগ্রাফ। তাদের দেখা জাহাজ চলাচলের তথ্য থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, ‘অ্যাডমিরাল কাসাতোনভ’ তার অবস্থান শনাক্তকারী যন্ত্র (লোকেশন ট্র্যাকার) বন্ধ রেখে যাত্রা করছিল। সোমবার বিকালে জাহাজটি ফেহমার্নের কাছাকাছি এলাকায় ছিল কি না, তা অস্পষ্ট। এ অঞ্চলে দ্বিতীয় রুশ যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতি দেখা যায় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মন্তব্যের পর। গত ১২ আগস্ট রাশিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজ আটকের ঘটনায় জড়িত ব্রিটেন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে মস্কো পাল্টা ব্যবস্থা নেবে বলে একটি রুশ যুদ্ধজাহাজ পরিদর্শনের সময় জানিয়েছিলেন পুতিন। তিনি তাদের জাহাজ বাজেয়াপ্ত হওয়ার ঘটনাকে ‘জলদস্যুতা ও ডাকাতি’ বলে অভিহিত করেন। এ ছাড়া রাশিয়ার নিরাপত্তা কাউন্সিলের উপপ্রধান দিমিত্রি মেদভেদেভ ইউক্রেনকে সমর্থনকারী ইউরোপীয় বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর হামলার হুমকি দিয়েছেন। ইউক্রেনকে সমর্থনকারী ন্যাটো দেশগুলোর প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ‘শত্রুরাষ্ট্রের মালিকানাধীন কোনো বাণিজ্যিক জাহাজ যদি শত্রুপক্ষের স্বার্থে কোনো পণ্য পরিবহন করছে বলে যথেষ্ট সন্দেহ থাকে, তবে আমাদের জলসীমায় কিংবা নিরপেক্ষ জলসীমায়, যেখানেই হোক না কেন, সেই জাহাজে হামলা চালানোর অধিকার রাশিয়ার রয়েছে।’

রুশ নৌবাহিনীর অন্যতম শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ অ্যাডমিরাল কাসাতোনভ। দূরে অবস্থিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার পাশাপাশি সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধেও সক্ষম এ যুদ্ধজাহাজটি রাশিয়া নির্মাণ করে ২০২০ সালে। বাল্টিক অঞ্চলে পৌঁছানোর আগে এটি ভূমধ্যসাগর ও ইংলিশ চ্যানেলে কার্যক্রম পরিচালনা করে। যুদ্ধজাহাজগুলোর বিষয়ে ‘দ্য টেলিগ্রাফ’ জার্মানির সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করে, তবে তাৎক্ষণিক কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এ মোতায়েনের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি মস্কো।

ইউক্রেন যুদ্ধদ্য অ্যাডমিরাল কাসাতোনভজার্মানিরাশিয়ান্যাটো
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise