হান্টাভাইরাস নিয়ে ডব্লিউএইচও’র সতর্কতা জারি

সংগৃহীত ছবি
নেদারল্যান্ডসভিত্তিক একটি বিলাসবহুল প্রমোদতরীতে হান্টাভাইরাস ছড়িয়ে তিনজনের মৃত্যু এবং আরও কয়েকজন আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় সতর্কতা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। ভাইরাসটি একজন থেকে আরেকজনের মধ্যে ছড়াতে পারে, তাই সংক্রমণ ঠেকাতে প্রয়োজন বাড়তি সতর্কতা।
বৃহস্পতিবার হান্টাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ সব তথ্য জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ মারিয়া ভ্যন ক্যারকোহভ।
সন্দেহভাজন রোগীদের সংস্পর্শে আসছেন বা তাদের সেবা দিচ্ছেন যারা, তাদের আরও সুরক্ষামূলক পোশাক ও সরঞ্জাম ব্যবহার করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন এ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ। আক্রান্ত জাহাজ এমভি হন্ডিয়াসের সবাইকে মাস্ক পরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।
মারিয়া ভ্যান ক্যারকোহভের ভাষ্য, আরও বাড়তে পারে আক্রান্তের সংখ্যা। বর্তমানে রোগীদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত ও পরীক্ষা করা হচ্ছে।
‘হান্টাভাইরাস সাধারণত খুব কাছাকাছি সংস্পর্শে এলে ছড়ায়। এটি কোভিড-১৯ বা ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো দ্রুত ছড়ায় না এবং এর সংক্রমণের ধরনও আলাদা। …বর্তমান পরিস্থিতিকে নতুন কোনো কোভিড মহামারির শুরু হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি একটি সীমিত প্রাদুর্ভাব, যা এখন পর্যন্ত একটি জাহাজেই দেখা গেছে,’ –যোগ করেছেন তিনি।
সংস্থাটির মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসাস জানিয়েছেন, ভাইরাসটির বিস্তার কীভাবে ঘটেছে, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, আর্জেন্টিনা, চিলি ও উরুগুয়েতে পাখি পর্যবেক্ষণ সফরে গিয়েছিলেন আক্রান্ত প্রথম দুই ব্যক্তি। সফরকালে এমন এলাকায় অবস্থান করেছিলেন তারা, যেখানে ছিল ভাইরাসবাহী ইঁদুরের উপস্থিতি।
আক্রান্তদের ভ্রমণপথ ও সংস্পর্শের বিস্তারিত তথ্য জানতে আর্জেন্টিনার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কাজ করছে বলে নিশ্চিত করেছেন মহাপরিচালক।





