হামলা সাময়িক স্থগিত, ফের শুরু হতে পারে ইরান-ইসরায়েল লড়াই

ইসরায়েলের দখল করা পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতির কাছে ইরানের নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্রের অংশ। ছবি : রয়টার্স
এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর প্রথমবারের মতো রবিবার দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ শেষে ইরান ও ইসরায়েল একে অপরের ওপর হামলা বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সোমবার বলেছেন, তার দেশ আপাতত যুদ্ধবিরতি পালন করছে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ইরান ও হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সংগ্রাম এখনও শেষ হয়নি।
এর কয়েক ঘণ্টা আগে, ইসরায়েলকে ‘বেদনাদায়ক জবাব’ দেওয়ার পর ইরানের সশস্ত্র বাহিনী অভিযান আপাতত বন্ধের ঘোষণা দেয়। এর প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলেও হামলা থেকে সরে আসার কথা জানায়।
তেহরান জানায়, ইসরায়েল যদি লেবাননে আরও হামলা চালায় তাহলে আরও কঠোর ও নিষ্পেষণমূলক প্রতিশোধ নেওয়া হবে।
বৈরুতে হামলার প্রতিশোধ হিসেবে রবিবার তেহরান ইসরায়েলের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। সোমবার ভোররাতে ইসরায়েল ইরানে অবস্থিত সামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়ে এর জবাব দিয়েছে। এছাড়া উভয় পক্ষ তেল স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।
এদিকে হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করেছে, সংকট নিয়ে আলোচনা করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে ফোন করেছিলেন। একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তার অনুরোধে ইসরায়েল হামলা বন্ধ রেখেছে।
নেতানিয়াহুকে ইরানের ওপর হামলা বন্ধ করতে কীভাবে রাজি করিয়েছেন-এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমি শুধু বলেছি, আমাদেরকে সাধারণ জ্ঞান ব্যবহার করতে হবে। আমরা একটি অত্যন্ত শক্তিশালী, একটি খুব ভালো চুক্তি স্বাক্ষরের খুব কাছাকাছি আছি। কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নয়, কিছুই নয়। বুঝতেই পারছেন, আমাদের অনেক মেধা ব্যবহার করতে হবে। সবকিছু ঠিকঠাক আছে।’
ট্রাম্প নেতানিয়াহু সম্পর্কে আরও বলেছেন, ‘আমি তাকে কিছু করতে বললে, সে তা করে।’
ট্রাম্প সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে বলেছেন, ‘আমি নেতানিয়াহুকে স্পষ্ট করে বলেছি যে ইরানের সঙ্গে পুনরায় যুদ্ধে গেলে তোমাকে হয়তো একাই লড়তে করতে হতে পারে।’
সূত্র : বিবিসি




