লেবানন, সিরিয়া, গাজা থেকে সরবে না ইসরায়েলি বাহিনী

এসব এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের কোনো সময়সূচিও নেই- আনাদেলু এজেন্সি
লেবানন, সিরিয়া ও গাজায় ইসরায়েল যে এলাকাগুলোকে ‘নিরাপত্তা অঞ্চল’ হিসেবে উল্লেখ করছে, সেখান থেকে ইসরায়েলি বাহিনী অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থান বজায় রাখবে। এমনটিই জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। এসব এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের কোনো সময়সূচিও নেই।
বুধবার ২০০৬ সালের লেবানন যুদ্ধের নিহত ইসরায়েলি সেনাদের স্মরণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কাৎজ বললেন, ‘জিহাদি উপাদান থেকে আমাদের বাসিন্দা ও জনপদকে সুরক্ষিত রাখতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলি সেনাবাহিনী লেবানন, সিরিয়া ও গাজার নিরাপত্তা অঞ্চলগুলোতে অবস্থান করবে।’
তিনি আরও বললেন, ‘ইসরায়েল নিরাপত্তা অঞ্চলগুলো থেকে সরে আসবে না।’
কাৎজ তেহরানকেও নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, লেবাননে মোতায়েন ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর ইরান হামলা চালালে ‘পূর্ণ শক্তি’ দিয়ে জবাব দেওয়া হবে।
তার এই মন্তব্যের একদিন আগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছিলেন, ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলের বাসিন্দাদের জন্য হুমকি হয়ে থাকা পর্যন্ত লেবাননে ইসরায়েলি সেনারা অবস্থান করবে।
ইসরায়েলের নেতারা বারবার বলে আসছেন, হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র না করা পর্যন্ত লেবানন থেকে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহার করা হবে না।
২ মার্চ লেবাননে সংঘাত আরও বিস্তৃত হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রথম দিন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনিকে হত্যার জবাবে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের দিকে রকেট ছোড়ে। এর পর ইসরায়েল লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক বিমান হামলা ও স্থল অভিযান চালায়। লেবাননের কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এতে নিহত হয়েছে ৪ হাজার ৩০০ জন।
এদিকে মঙ্গলবার গাজা উপত্যকায় আবারও ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের সম্ভাবনা উড়িয়ে না দিয়ে নেতানিয়াহু যে মন্তব্য করেন, তাকে স্বাগত জানিয়েছে ইসরায়েলের ডানপন্থী রাজনৈতিক দল ও নেতারা। ওই মন্তব্যকে বাস্তবে রূপ দিতে দ্রুত মাঠপর্যায়ে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।



